দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে উঠছে। গত সোমবার ডেঙ্গুতে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। চলতি বছরের এক দিনে এটা সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড। একই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৫৭১ জন। এ নিয়ে এ বছর ডেঙ্গুতে ১৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪৫ হাজারের বেশি মানুষ।
এই পরিস্থিতি আমাদের জন্য বড় একটি সতর্কবার্তা। ডেঙ্গু এখন শুধু ঢাকার সমস্যা নয়। দেশের বিভিন্ন এলাকায় রোগী বাড়ছে। বিশেষ করে খুলনা বিভাগে আক্রান্তের সংখ্যা বেশি। তাই শুধু মশা নিধন কার্যক্রম দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব নয়।
সরকার আগামী তিন মাস বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতা কর্মসূচি চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এতে স্থানীয় প্রশাসন, সিটি করপোরেশন, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও শিক্ষার্থীদের যুক্ত করা হবে। প্রতি শনিবার বাড়ি ও বিভিন্ন স্থাপনায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।
ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্টদেরকে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। আগামী তিন মাসকে শুধু কর্মসূচির সময় না বানিয়ে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের বাস্তব অভিযান হিসেবে নিতে হবে। কার্যকরভাবে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ করতে হলে নিয়মিত তদারকি দরকার।
শুধু অভিযান চালিয়ে ছবি তোলার মধ্যে কাজ সীমিত রাখা যাবে না। কোথায় এডিস মশার প্রজননস্থল তৈরি হচ্ছে, তা খুঁজে ধ্বংস করতে হবে। সিটি করপোরেশন ও স্থানীয় প্রশাসনকে জবাবদিহির আওতায় রাখতে হবে।
একই সঙ্গে মানুষের সচেতনতা বাড়াতে হবে। বাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্র কিংবা জমে থাকা পানিতে এডিস মশা জন্মাতে পারে। নিজের বাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার রাখার দায়িত্ব প্রত্যেকের। জনগণের অংশগ্রহণ ছাড়া ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হবে।

বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে উঠছে। গত সোমবার ডেঙ্গুতে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। চলতি বছরের এক দিনে এটা সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড। একই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৫৭১ জন। এ নিয়ে এ বছর ডেঙ্গুতে ১৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪৫ হাজারের বেশি মানুষ।
এই পরিস্থিতি আমাদের জন্য বড় একটি সতর্কবার্তা। ডেঙ্গু এখন শুধু ঢাকার সমস্যা নয়। দেশের বিভিন্ন এলাকায় রোগী বাড়ছে। বিশেষ করে খুলনা বিভাগে আক্রান্তের সংখ্যা বেশি। তাই শুধু মশা নিধন কার্যক্রম দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব নয়।
সরকার আগামী তিন মাস বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতা কর্মসূচি চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এতে স্থানীয় প্রশাসন, সিটি করপোরেশন, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও শিক্ষার্থীদের যুক্ত করা হবে। প্রতি শনিবার বাড়ি ও বিভিন্ন স্থাপনায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।
ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্টদেরকে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। আগামী তিন মাসকে শুধু কর্মসূচির সময় না বানিয়ে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের বাস্তব অভিযান হিসেবে নিতে হবে। কার্যকরভাবে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ করতে হলে নিয়মিত তদারকি দরকার।
শুধু অভিযান চালিয়ে ছবি তোলার মধ্যে কাজ সীমিত রাখা যাবে না। কোথায় এডিস মশার প্রজননস্থল তৈরি হচ্ছে, তা খুঁজে ধ্বংস করতে হবে। সিটি করপোরেশন ও স্থানীয় প্রশাসনকে জবাবদিহির আওতায় রাখতে হবে।
একই সঙ্গে মানুষের সচেতনতা বাড়াতে হবে। বাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্র কিংবা জমে থাকা পানিতে এডিস মশা জন্মাতে পারে। নিজের বাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার রাখার দায়িত্ব প্রত্যেকের। জনগণের অংশগ্রহণ ছাড়া ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হবে।

আপনার মতামত লিখুন