দীর্ঘদিন পর নতুন মৌলিক গান নিয়ে শ্রোতাদের সামনে হাজির হলেন কণ্ঠশিল্পী নাজু আখন্দ। তার কণ্ঠে প্রকাশ পেয়েছে নতুন গান ‘যত্নের তানপুরা’। গানটি প্রকাশের পর এর কথা, সুর ও নাজু আখন্দের গায়কী নিয়ে শ্রোতাদের মধ্যে বেশ আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
নাজু আখন্দ এমন
একজন শিল্পী, যিনি প্রচারণার চেয়ে গানকেই বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। বছরের পর বছর নিজের
মতো করে সংগীতচর্চা করে চলেছেন তিনি। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যেও
নিয়মিত স্টেজ শো করছেন। পাশাপাশি বাংলাদেশের অনেক শিল্পীকে যুক্তরাষ্ট্রে স্টেজ শোর
সুযোগ করে দেওয়ার ক্ষেত্রেও ভূমিকা রাখছেন তিনি।
দীর্ঘ বিরতির পর
নাজু আখন্দের কণ্ঠে মৌলিক গান প্রকাশ পাওয়ায় সহকর্মী ও শ্রোতাদের মধ্যেও উচ্ছ্বাস দেখা
গেছে। প্রকাশের পর অনেকেই গানটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করে নিজেদের ভালো লাগার
কথা জানাচ্ছেন।
‘যত্নের তানপুরা’
গানটির কথা লিখেছেন রাজু চৌধুরী। সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন এহসান রাহী।
গানটি নিয়ে নাজু
আখন্দ বলেন, ‘এটা আমার অনেক অনেক প্রিয় একটি গান। গানটি প্রকাশের জন্য বহুদিন অধীর
আগ্রহে অপেক্ষায় ছিলাম। অবশেষে গানটি প্রকাশ পেল। প্রকাশের পর সবার কাছ থেকে যে সাড়া
পাচ্ছি, গানের কথা, সুর এবং আমার গায়কীর জন্য যে প্রশংসা পাচ্ছি, তাতে আমি আবেগাপ্লুত
হয়ে পড়ছি। আমি ভীষণ কৃতজ্ঞ গীতিকার ও সুরকারের প্রতি। তাদের কারণেই আমার সংগীতজীবনে
এমন সুন্দর একটি গান যুক্ত হলো, যা নিয়ে আমি আজীবন গর্ব করতে পারব।’
তিনি শ্রোতাদের
গানটি শোনারও অনুরোধ জানিয়েছেন।
সুরকার এহসান রাহী
বলেন, ‘দীর্ঘদিন বাংলাদেশে এ ধরনের কম্পোজিশন হয় না। রাজু ভাই প্রতিটি শব্দ ও পঙক্তি
অসামান্যভাবে লিখেছেন, যা গানের ভিত তৈরি করে দিয়েছে। আর নাজু আখন্দ যে কতটা ভার্সেটাইল
ও প্রতিভাবান কণ্ঠশিল্পী, তা এই গানে আবারও প্রমাণ করেছেন। তাঁর অনবদ্য গায়কী গানটিকে
অন্যরকম উচ্চতায় নিয়ে গেছে।’
তিনি আরও বলেন,
কথা, সুর ও কণ্ঠের সমন্বয়ে তৈরি গানটি শ্রোতাদের হৃদয়ে জায়গা করে নিতে পারলেই তাদের
সব প্রচেষ্টা সার্থক হবে।

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দীর্ঘদিন পর নতুন মৌলিক গান নিয়ে শ্রোতাদের সামনে হাজির হলেন কণ্ঠশিল্পী নাজু আখন্দ। তার কণ্ঠে প্রকাশ পেয়েছে নতুন গান ‘যত্নের তানপুরা’। গানটি প্রকাশের পর এর কথা, সুর ও নাজু আখন্দের গায়কী নিয়ে শ্রোতাদের মধ্যে বেশ আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
নাজু আখন্দ এমন
একজন শিল্পী, যিনি প্রচারণার চেয়ে গানকেই বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। বছরের পর বছর নিজের
মতো করে সংগীতচর্চা করে চলেছেন তিনি। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যেও
নিয়মিত স্টেজ শো করছেন। পাশাপাশি বাংলাদেশের অনেক শিল্পীকে যুক্তরাষ্ট্রে স্টেজ শোর
সুযোগ করে দেওয়ার ক্ষেত্রেও ভূমিকা রাখছেন তিনি।
দীর্ঘ বিরতির পর
নাজু আখন্দের কণ্ঠে মৌলিক গান প্রকাশ পাওয়ায় সহকর্মী ও শ্রোতাদের মধ্যেও উচ্ছ্বাস দেখা
গেছে। প্রকাশের পর অনেকেই গানটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করে নিজেদের ভালো লাগার
কথা জানাচ্ছেন।
‘যত্নের তানপুরা’
গানটির কথা লিখেছেন রাজু চৌধুরী। সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন এহসান রাহী।
গানটি নিয়ে নাজু
আখন্দ বলেন, ‘এটা আমার অনেক অনেক প্রিয় একটি গান। গানটি প্রকাশের জন্য বহুদিন অধীর
আগ্রহে অপেক্ষায় ছিলাম। অবশেষে গানটি প্রকাশ পেল। প্রকাশের পর সবার কাছ থেকে যে সাড়া
পাচ্ছি, গানের কথা, সুর এবং আমার গায়কীর জন্য যে প্রশংসা পাচ্ছি, তাতে আমি আবেগাপ্লুত
হয়ে পড়ছি। আমি ভীষণ কৃতজ্ঞ গীতিকার ও সুরকারের প্রতি। তাদের কারণেই আমার সংগীতজীবনে
এমন সুন্দর একটি গান যুক্ত হলো, যা নিয়ে আমি আজীবন গর্ব করতে পারব।’
তিনি শ্রোতাদের
গানটি শোনারও অনুরোধ জানিয়েছেন।
সুরকার এহসান রাহী
বলেন, ‘দীর্ঘদিন বাংলাদেশে এ ধরনের কম্পোজিশন হয় না। রাজু ভাই প্রতিটি শব্দ ও পঙক্তি
অসামান্যভাবে লিখেছেন, যা গানের ভিত তৈরি করে দিয়েছে। আর নাজু আখন্দ যে কতটা ভার্সেটাইল
ও প্রতিভাবান কণ্ঠশিল্পী, তা এই গানে আবারও প্রমাণ করেছেন। তাঁর অনবদ্য গায়কী গানটিকে
অন্যরকম উচ্চতায় নিয়ে গেছে।’
তিনি আরও বলেন,
কথা, সুর ও কণ্ঠের সমন্বয়ে তৈরি গানটি শ্রোতাদের হৃদয়ে জায়গা করে নিতে পারলেই তাদের
সব প্রচেষ্টা সার্থক হবে।

আপনার মতামত লিখুন