কক্সবাজারের টেকনাফে পারিবারিক বিরোধের জেরে ছেলের ছুরিকাঘাতে আবুল কাসেম (৫৮) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এর আগে গতকাল শনিবার বিকেলে উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের হামজারছড়া এলাকায় ঘটনাটি ঘটে।
নিহত আবুল কাসেম এলাকায় 'লেডু মিস্ত্রি' নামে পরিচিত ছিলেন। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত ছেলে আত্মগোপনে রয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার বিকেলে পারিবারিক বিষয় নিয়ে আবুল কাসেমের সঙ্গে তাঁর ছেলের বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে ছেলে ক্ষিপ্ত হয়ে ঘর থেকে ধারালো ছুরি এনে বাবার বুক ও পেটে এলোপাতাড়ি আঘাত করেন। আবুল কাসেমের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে অভিযুক্ত ছেলে পালিয়ে যান।
পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে প্রথমে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ সকালে তার মৃত্যু হয়।
হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. আলী বলেন, ‘পারিবারিক সামান্য বিরোধ এভাবে মর্মান্তিক রূপ নেবে কেউ ভাবতে পারেনি। অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছি।’
টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান, সুরতহাল শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত ছেলেকে গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কক্সবাজারের টেকনাফে পারিবারিক বিরোধের জেরে ছেলের ছুরিকাঘাতে আবুল কাসেম (৫৮) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এর আগে গতকাল শনিবার বিকেলে উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের হামজারছড়া এলাকায় ঘটনাটি ঘটে।
নিহত আবুল কাসেম এলাকায় 'লেডু মিস্ত্রি' নামে পরিচিত ছিলেন। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত ছেলে আত্মগোপনে রয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার বিকেলে পারিবারিক বিষয় নিয়ে আবুল কাসেমের সঙ্গে তাঁর ছেলের বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে ছেলে ক্ষিপ্ত হয়ে ঘর থেকে ধারালো ছুরি এনে বাবার বুক ও পেটে এলোপাতাড়ি আঘাত করেন। আবুল কাসেমের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে অভিযুক্ত ছেলে পালিয়ে যান।
পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে প্রথমে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ সকালে তার মৃত্যু হয়।
হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. আলী বলেন, ‘পারিবারিক সামান্য বিরোধ এভাবে মর্মান্তিক রূপ নেবে কেউ ভাবতে পারেনি। অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছি।’
টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান, সুরতহাল শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত ছেলেকে গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

আপনার মতামত লিখুন