গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ায় আবার ইউরিয়া সার উৎপাদনে ফিরছে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড (সিইউএফএল)। কারখানাটিতে সারের প্রধান কাঁচামাল অ্যামোনিয়া উৎপাদন ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।
কারখানা সূত্রে জানা যায়, গত ৯ সেপ্টেম্বর থেকে অ্যামোনিয়া প্ল্যান্টে উৎপাদন শুরু হয়। তবে দীর্ঘ ছয় মাস বন্ধ থাকায় ইউরিয়া প্ল্যান্টে কিছু মেকানিক্যাল ও প্রযুক্তিগত ত্রুটি দেখা দিয়েছে। বর্তমানে কারখানার প্রকৌশলীরা লিকেজ মেরামত ও যন্ত্রাংশের মরিচা পরিষ্কারের কাজ করছেন। এসব কাজ শেষ হলেই পূর্ণাঙ্গ ইউরিয়া সার উৎপাদন শুরু হবে।
সিইউএফএল সূত্রে আরও জানা যায়, প্রায় এক সপ্তাহ ধরে কারখানায় চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস মিলছে। বর্তমানে প্রতিদিন ৪০ মিলিয়ন ঘনফুটের বেশি গ্যাস দেওয়া হচ্ছে। প্রয়োজন অনুসারে এই সরবরাহ আরও বাড়ানো সম্ভব বলে নিশ্চিত করেছে কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (কেজিডিসিএল)।
কারখানার এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, দীর্ঘ দিন বন্ধ থাকলে পাইপলাইনে লিকেজ তৈরি হয় এবং সংবেদনশীল যন্ত্রাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এখন সেসব মেরামত করা হচ্ছে। পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে কারখানায় প্রতিদিন ১ হাজার টন ইউরিয়া উৎপাদিত হবে।
সার্বিক বিষয়ে সিইউএফএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিজানুর রহমান বলেন, ‘প্রয়োজনীয় গ্যাস সরবরাহ পাওয়ায় দীর্ঘ ছয় মাস বন্ধ থাকা কারখানাটি পুরোপুরি সচল করতে জোরকদমে কাজ চলছে। ত্রুটিগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত ইউরিয়া উৎপাদনে যাওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।’

রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ায় আবার ইউরিয়া সার উৎপাদনে ফিরছে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড (সিইউএফএল)। কারখানাটিতে সারের প্রধান কাঁচামাল অ্যামোনিয়া উৎপাদন ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।
কারখানা সূত্রে জানা যায়, গত ৯ সেপ্টেম্বর থেকে অ্যামোনিয়া প্ল্যান্টে উৎপাদন শুরু হয়। তবে দীর্ঘ ছয় মাস বন্ধ থাকায় ইউরিয়া প্ল্যান্টে কিছু মেকানিক্যাল ও প্রযুক্তিগত ত্রুটি দেখা দিয়েছে। বর্তমানে কারখানার প্রকৌশলীরা লিকেজ মেরামত ও যন্ত্রাংশের মরিচা পরিষ্কারের কাজ করছেন। এসব কাজ শেষ হলেই পূর্ণাঙ্গ ইউরিয়া সার উৎপাদন শুরু হবে।
সিইউএফএল সূত্রে আরও জানা যায়, প্রায় এক সপ্তাহ ধরে কারখানায় চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস মিলছে। বর্তমানে প্রতিদিন ৪০ মিলিয়ন ঘনফুটের বেশি গ্যাস দেওয়া হচ্ছে। প্রয়োজন অনুসারে এই সরবরাহ আরও বাড়ানো সম্ভব বলে নিশ্চিত করেছে কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (কেজিডিসিএল)।
কারখানার এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, দীর্ঘ দিন বন্ধ থাকলে পাইপলাইনে লিকেজ তৈরি হয় এবং সংবেদনশীল যন্ত্রাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এখন সেসব মেরামত করা হচ্ছে। পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে কারখানায় প্রতিদিন ১ হাজার টন ইউরিয়া উৎপাদিত হবে।
সার্বিক বিষয়ে সিইউএফএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিজানুর রহমান বলেন, ‘প্রয়োজনীয় গ্যাস সরবরাহ পাওয়ায় দীর্ঘ ছয় মাস বন্ধ থাকা কারখানাটি পুরোপুরি সচল করতে জোরকদমে কাজ চলছে। ত্রুটিগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত ইউরিয়া উৎপাদনে যাওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।’

আপনার মতামত লিখুন