কুষ্টিয়ার দৌলতপুর ও সদর উপজেলায় পৃথক বজ্রপাতের ঘটনায় দুজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও তিনজন। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পৃথক সময়ে এ দুর্ঘটনাগুলো ঘটে।
নিহতরা হলেন দৌলতপুর উপজেলার রিফায়েতপুর ইউনিয়নের নারায়ণপুর গ্রামের আবদুর রাজ্জাকের ছেলে আরোজ আলী (২৮) এবং সদর উপজেলার আলামপুর ইউনিয়নের দহকুলা কারিগরপাড়া এলাকার মৃত মোসলেম উদ্দিনের ছেলে রওশন আলী (৫৫)।
আহত তিনজনকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ দুপুর দেড়টার দিকে দৌলতপুর উপজেলার নারায়ণপুর গ্রামে বাড়ির পাশে নদীর ধারে বসে ছিলেন আরোজ আলী। এ সময় আকস্মিক মেঘাচ্ছন্ন আকাশের সঙ্গে বৃষ্টি ও প্রচণ্ড বজ্রপাত হলে তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্ধার করে দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
অন্যদিকে, বেলা আড়াইটার দিকে সদর উপজেলার আলামপুর ইউনিয়নের দহকুলা এলাকায় মাঠে কাজ করার সময় আকস্মিক বজ্রপাতে রওশন আলীসহ চারজন গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাদের দ্রুত উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা রওশন আলীকে মৃত ঘোষণা করেন।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান ও কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জাকির হোসেন বজ্রপাতে পৃথক দুজন নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর ও সদর উপজেলায় পৃথক বজ্রপাতের ঘটনায় দুজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও তিনজন। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পৃথক সময়ে এ দুর্ঘটনাগুলো ঘটে।
নিহতরা হলেন দৌলতপুর উপজেলার রিফায়েতপুর ইউনিয়নের নারায়ণপুর গ্রামের আবদুর রাজ্জাকের ছেলে আরোজ আলী (২৮) এবং সদর উপজেলার আলামপুর ইউনিয়নের দহকুলা কারিগরপাড়া এলাকার মৃত মোসলেম উদ্দিনের ছেলে রওশন আলী (৫৫)।
আহত তিনজনকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ দুপুর দেড়টার দিকে দৌলতপুর উপজেলার নারায়ণপুর গ্রামে বাড়ির পাশে নদীর ধারে বসে ছিলেন আরোজ আলী। এ সময় আকস্মিক মেঘাচ্ছন্ন আকাশের সঙ্গে বৃষ্টি ও প্রচণ্ড বজ্রপাত হলে তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্ধার করে দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
অন্যদিকে, বেলা আড়াইটার দিকে সদর উপজেলার আলামপুর ইউনিয়নের দহকুলা এলাকায় মাঠে কাজ করার সময় আকস্মিক বজ্রপাতে রওশন আলীসহ চারজন গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাদের দ্রুত উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা রওশন আলীকে মৃত ঘোষণা করেন।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান ও কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জাকির হোসেন বজ্রপাতে পৃথক দুজন নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন