রিকন্ডিশন্ড বৈদ্যুতিক গাড়ি (ইভি) আমদানির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে চট্টগ্রামে বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন গাড়ি আমদানিকারকেরা। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে নগরের লালখান বাজার এলাকায় গাড়ি আমদানিকারকদের সংগঠন ‘বাংলাদেশ রিকন্ডিশন্ড ভেহিক্যালস ট্র্যাকার্স অ্যান্ড ডিলারস অ্যাসোসিয়েশন’-এর (বারভিডা) ব্যানারে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
প্রতিবাদের অংশ হিসেবে আজ নগরের আগ্রাবাদসহ বিভিন্ন এলাকার সব গাড়ি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের শোরুম ও ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান দিনব্যাপী বন্ধ রাখা হয়। একই সঙ্গে কাস্টমস হাউস থেকে গাড়ি খালাস, শুল্ক-কর প্রদান এবং বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটিতে (বিআরটিএ) সব ধরনের মোটরযান রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রমও স্থগিত রাখেন ব্যবসায়ীরা।
গত ২৪ আগস্ট প্রকাশিত নতুন আমদানি নীতি আদেশে প্রথমবারের মতো ব্যবহৃত ও রিকন্ডিশন্ড বৈদ্যুতিক গাড়ি আমদানিতে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। এর প্রতিবাদেই কেন্দ্রীয় কর্মসূচির সঙ্গে সংহতি জানিয়ে চট্টগ্রামে এ আন্দোলন শুরু করেছেন ব্যবসায়ীরা।
বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন, সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞার পরিবর্তে পাঁচ বছর পর্যন্ত পুরোনো ইভি আমদানির সুযোগ দেওয়াটা হবে যুগোপযোগী। এ ক্ষেত্রে ব্যাটারির কার্যক্ষমতা বা ‘স্টেট অব হেলথ’ (এসওএইচ) ন্যূনতম ৭০ শতাংশ থাকা এবং প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও পরিবেশগত মানদণ্ড নিশ্চিত করার শর্ত যুক্ত করা যেতে পারে।
ব্যবসায়ীদের মতে, নতুন বৈদ্যুতিক গাড়ির দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। ফলে রিকন্ডিশন্ড ইভি আমদানির সুযোগ দিলে তা মধ্যবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আসবে। এ ছাড়া সরকারের রূপরেখা অনুযায়ী ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক পরিবহন খাতে ৩০ শতাংশ ইভি নিশ্চিতের লক্ষ্য অর্জনেও এ খাতকে সচল রাখা প্রয়োজন। নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া না হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন ব্যবসায়ীরা।
এর আগে গত বুধবার বারভিডার মহাসচিব রিয়াজ রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দেশব্যাপী শোরুম বন্ধ ও সব ধরনের সেবা স্থগিতের এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রিকন্ডিশন্ড বৈদ্যুতিক গাড়ি (ইভি) আমদানির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে চট্টগ্রামে বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন গাড়ি আমদানিকারকেরা। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে নগরের লালখান বাজার এলাকায় গাড়ি আমদানিকারকদের সংগঠন ‘বাংলাদেশ রিকন্ডিশন্ড ভেহিক্যালস ট্র্যাকার্স অ্যান্ড ডিলারস অ্যাসোসিয়েশন’-এর (বারভিডা) ব্যানারে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
প্রতিবাদের অংশ হিসেবে আজ নগরের আগ্রাবাদসহ বিভিন্ন এলাকার সব গাড়ি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের শোরুম ও ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান দিনব্যাপী বন্ধ রাখা হয়। একই সঙ্গে কাস্টমস হাউস থেকে গাড়ি খালাস, শুল্ক-কর প্রদান এবং বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটিতে (বিআরটিএ) সব ধরনের মোটরযান রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রমও স্থগিত রাখেন ব্যবসায়ীরা।
গত ২৪ আগস্ট প্রকাশিত নতুন আমদানি নীতি আদেশে প্রথমবারের মতো ব্যবহৃত ও রিকন্ডিশন্ড বৈদ্যুতিক গাড়ি আমদানিতে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। এর প্রতিবাদেই কেন্দ্রীয় কর্মসূচির সঙ্গে সংহতি জানিয়ে চট্টগ্রামে এ আন্দোলন শুরু করেছেন ব্যবসায়ীরা।
বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন, সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞার পরিবর্তে পাঁচ বছর পর্যন্ত পুরোনো ইভি আমদানির সুযোগ দেওয়াটা হবে যুগোপযোগী। এ ক্ষেত্রে ব্যাটারির কার্যক্ষমতা বা ‘স্টেট অব হেলথ’ (এসওএইচ) ন্যূনতম ৭০ শতাংশ থাকা এবং প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও পরিবেশগত মানদণ্ড নিশ্চিত করার শর্ত যুক্ত করা যেতে পারে।
ব্যবসায়ীদের মতে, নতুন বৈদ্যুতিক গাড়ির দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। ফলে রিকন্ডিশন্ড ইভি আমদানির সুযোগ দিলে তা মধ্যবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আসবে। এ ছাড়া সরকারের রূপরেখা অনুযায়ী ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক পরিবহন খাতে ৩০ শতাংশ ইভি নিশ্চিতের লক্ষ্য অর্জনেও এ খাতকে সচল রাখা প্রয়োজন। নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া না হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন ব্যবসায়ীরা।
এর আগে গত বুধবার বারভিডার মহাসচিব রিয়াজ রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দেশব্যাপী শোরুম বন্ধ ও সব ধরনের সেবা স্থগিতের এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন