সংবাদ

ভূমিসেবায় প্রযুক্তির ব্যবহার


প্রকাশ: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৩৩ এএম

ভূমিসেবায় প্রযুক্তির ব্যবহার

ভূমি অফিসে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে ‘ভূমি দৃষ্টি’ অ্যাপ চালু করা হয়েছে। মাঠপর্যায়ের ভূমিসেবা ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ও জবাবদিহি বাড়াতে প্রযুক্তির ব্যবহার নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে ইউনিয়ন থেকে জেলা পর্যন্ত বিস্তৃত ভূমি কার্যালয় নিয়মিত সরেজমিনে তদারকি করা কঠিন। এ ক্ষেত্রে অবস্থানভিত্তিক নজরদারি কার্যকর হতে পারে।

জিও ফেন্সিং প্রযুক্তির মাধ্যমে নির্ধারিত কর্মস্থলে অবস্থান করেই হাজিরা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সরকারি প্রয়োজনে বাইরে গেলে সাইট ভিজিটের কারণ জানানোর সুযোগও রাখা হয়েছে। এতে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে শৃঙ্খলা বাড়তে পারে। নাগরিকরাও নির্ধারিত সময়ে সেবা পাওয়ার সুযোগ পাবেন।

তবে অ্যাপ চালু করাই যথেষ্ট নয়। কেউ অফিসে উপস্থিত থেকেও নাগরিককে সেবা না দিলে সেই উপস্থিতির কোনো মূল্য নেই। ভূমিসেবায় হয়রানি, দীর্ঘসূত্রতা ও অনিয়ম বন্ধ করাই হতে হবে এই ব্যবস্থার মূল লক্ষ্য। শুধু হাজিরা নয়, সেবা দেওয়ার সময়, আবেদন নিষ্পত্তি এবং অভিযোগের বিষয়েও নজরদারি বাড়াতে হবে।

প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারির ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তাও গুরুত্বপূর্ণ। তথ্য কীভাবে সংরক্ষণ ও ব্যবহার করা হবে, তার সুস্পষ্ট নীতিমালা থাকা দরকার। একই সঙ্গে ভুল অবস্থান শনাক্ত হওয়া বা প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে কোনো কর্মকর্তা যেন অন্যায়ভাবে হয়রানির শিকার না হন, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে।

‘ভূমি দৃষ্টি’ এখন পাইলট পর্যায়ে রয়েছে। এই পর্যায়ের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে প্রযুক্তিগত ও প্রশাসনিক ত্রুটি দূর করা প্রয়োজন। আমরা চাই, নাগরিকরা দ্রুত ও হয়রানিমুক্ত ভূমিসেবা পাক।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬


ভূমিসেবায় প্রযুক্তির ব্যবহার

প্রকাশের তারিখ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

ভূমি অফিসে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে ‘ভূমি দৃষ্টি’ অ্যাপ চালু করা হয়েছে। মাঠপর্যায়ের ভূমিসেবা ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ও জবাবদিহি বাড়াতে প্রযুক্তির ব্যবহার নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে ইউনিয়ন থেকে জেলা পর্যন্ত বিস্তৃত ভূমি কার্যালয় নিয়মিত সরেজমিনে তদারকি করা কঠিন। এ ক্ষেত্রে অবস্থানভিত্তিক নজরদারি কার্যকর হতে পারে।

জিও ফেন্সিং প্রযুক্তির মাধ্যমে নির্ধারিত কর্মস্থলে অবস্থান করেই হাজিরা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সরকারি প্রয়োজনে বাইরে গেলে সাইট ভিজিটের কারণ জানানোর সুযোগও রাখা হয়েছে। এতে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে শৃঙ্খলা বাড়তে পারে। নাগরিকরাও নির্ধারিত সময়ে সেবা পাওয়ার সুযোগ পাবেন।

তবে অ্যাপ চালু করাই যথেষ্ট নয়। কেউ অফিসে উপস্থিত থেকেও নাগরিককে সেবা না দিলে সেই উপস্থিতির কোনো মূল্য নেই। ভূমিসেবায় হয়রানি, দীর্ঘসূত্রতা ও অনিয়ম বন্ধ করাই হতে হবে এই ব্যবস্থার মূল লক্ষ্য। শুধু হাজিরা নয়, সেবা দেওয়ার সময়, আবেদন নিষ্পত্তি এবং অভিযোগের বিষয়েও নজরদারি বাড়াতে হবে।

প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারির ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তাও গুরুত্বপূর্ণ। তথ্য কীভাবে সংরক্ষণ ও ব্যবহার করা হবে, তার সুস্পষ্ট নীতিমালা থাকা দরকার। একই সঙ্গে ভুল অবস্থান শনাক্ত হওয়া বা প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে কোনো কর্মকর্তা যেন অন্যায়ভাবে হয়রানির শিকার না হন, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে।

‘ভূমি দৃষ্টি’ এখন পাইলট পর্যায়ে রয়েছে। এই পর্যায়ের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে প্রযুক্তিগত ও প্রশাসনিক ত্রুটি দূর করা প্রয়োজন। আমরা চাই, নাগরিকরা দ্রুত ও হয়রানিমুক্ত ভূমিসেবা পাক।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত