হাম ও ডেঙ্গুতে মৃত্যু ও আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলছে। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) হাম ও ডেঙ্গুতে আরও ১০ জন মারা গেছেন। আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ৮৪৯ জন। এর মধ্যে হামে চার শিশুর মৃত্যু ও ১ হাজার ২৫৬ জন আক্রান্ত। আর ডেঙ্গুতে ছয়জনের মৃত্যু ও ১ হাজার ৫৯৩ জন আক্রান্ত। বাদ পড়া শিশুদের টিকার আওতায় আনতে আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু করা হবে। মহাখালী স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
সন্দেহজনক হামে আরও চার শিশু মারা গেছে। এর মধ্যে ঢাকায় দুইজন, চট্টগ্রামে একজন ও ময়মনসিংহে একজন শিশু মারা গেছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে রোববার পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে ৯৫৬ শিশু ও নিশ্চিত হামে ১০১ জনসহ মোট ১ হাজার ৫৭ শিশু মারা গেছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামে ১ হাজার ১৪৮ শিশু ও নিশ্চিত হামে ৮৮ শিশুসহ মোট ১ হাজার ২৫৬ শিশু আক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগে সন্দেহজনক হামে ৪৪৯ শিশু ও নিশ্চিত হামে ৬৪ শিশু আক্রান্ত। সিলেট বিভাগে সন্দেহজনক হামে ১৪৫ শিশু। চট্টগ্রাম বিভাগে সন্দেহজনক হামে ২৬৯ শিশু ও নিশ্চিত হামে ১৫ শিশু আক্রান্ত। ময়মনসিংহ বিভাগে সন্দেহজনক হামে ৫৪ শিশু। বরিশাল বিভাগে সন্দেহজনক হামে ১১৪ শিশু। খুলনা বিভাগে সন্দেহজনক হামে ৭০ শিশু। রংপুর বিভাগে সন্দেহজনক হামে ১৭ শিশু ও নিশ্চিত হামে ৯ শিশু আক্রান্ত হয়েছে।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে চলতি মাসের রোববার পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত ১ লাখ ৭৯ হাজার ৮১৪ শিশু ও নিশ্চিত হামে ২০ হাজার ৫৬২ শিশু আক্রান্তসহ মোট ২ লাখ ৩৭৬ শিশু আক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি ১ লাখ ৫৮ হাজার ৫৮৯ শিশু। চিকিৎসা শেষে ছাড়পত্র নিয়ে বাসায় ফিরেছে ১ লাখ ৫২ হাজার ২২৫ শিশু। অন্যরা এখনো হাসপাতাল, স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও বাসাবাড়িতে চিকিৎসাধীন।
এদিকে, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, দেশে বর্তমানে হামে আক্রান্ত শিশুদের প্রায় সবাই টিকাবিহীন। বাদ পড়া শিশুদের টিকার আওতায় আনতে সরকার আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু করবে। ‘ইনটেনসিফাইড এমআর ক্যাচ-আপ ভ্যাকসিনেশন’ নামের এ কর্মসূচি চলবে আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত। রোববার সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান তিনি।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) এসএম জিয়া উদ্দিন হায়দার, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব এ.এন.এম. বজলুর রশিদ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস উপস্থিত ছিলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এই কর্মসূচির আওতায় ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী যেসব শিশু চলমান হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইনে টিকা পায়নি বা বাদ পড়েছে, তাদের খুঁজে বের করে টিকা দেওয়া হবে। পাশাপাশি এ সময় ৬ মাস বয়সে পৌঁছানো এবং টিকা গ্রহণে উপযুক্ত নতুন শিশুদেরও কর্মসূচির আওতায় আনা হবে।
বর্তমানে হাম আক্রান্ত শিশুদের ক্ষেত্রে অপুষ্টি ও অন্যান্য জটিলতার কারণে নিউমোনিয়াসহ গুরুতর শারীরিক জটিলতা দেখা দিচ্ছে। টিকা নেওয়ার পর শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হতে সাধারণত তিন থেকে চার সপ্তাহ সময় লাগে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ডেঙ্গুতে আরও ছয়জন মারা গেছে। এর মধ্যে বরিশালে একজন, চট্টগ্রামে দুজন, ঢাকায় একজন ও খুলনায় দুজন। তাদের মধ্যে নারী পাঁচজন ও পুরুষ একজন। এ নিয়ে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে রোববার পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মোট ১৮৪ জন মারা গেছে।
এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ১ হাজার ৫৯৩ জন আক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে বরিশালে ১৫৪ জন, চট্টগ্রামে ১৬৭ জন, ঢাকা বিভাগে ৩৮৪ জন, ঢাকা উত্তরে ১৭১ জন, ঢাকা দক্ষিণে ১৩২ জন, খুলনায় ২৯২ জন, ময়মনসিংহে ৮২ জন, রাজশাহীতে ১৩৭ জন, রংপুরে ৬৫ জন ও সিলেটে ৯ জন আক্রান্ত হয়েছে।
বয়সভিত্তিক হিসাবে আক্রান্তদের মধ্যে ৫ বছর বয়সী ৬৬ জন, ৬ থেকে ১০ বছর বয়সী ৭০ জন, ১১ থেকে ১৫ বছর বয়সী ৯১ জন, ১৬ থেকে ২০ বছর বয়সী ২০১ জন, ২১ থেকে ২৫ বছর বয়সী ২৫৩ জন, ২৬ থেকে ৩০ বছর বয়সী ২৪১ জন এবং ৮০ বছরের বেশি বয়সী তিনজন। এভাবে ৫ বছরের শিশু থেকে ৮০ বছরের বৃদ্ধও ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হচ্ছেন। ডেঙ্গুতে চলতি মাসের গত ২০ দিনে ৮৭ জন মারা গেছে।
চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে রোববার পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মোট আক্রান্ত ৬১ হাজার ৯৭২ জন। এখনো দেশের হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে ভর্তি আছে ৪ হাজার ১৩৩ জন। অন্যরা চিকিৎসা শেষে বাসায় ফিরেছেন। মহাখালী স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নির্দেশ
ডেঙ্গু ও হাম পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, উভয় রোগের চিকিৎসায় সরকারের সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে। স্যালাইনের কোনো ঘাটতি নেই। জরুরি পরিস্থিতিতে ডেঙ্গু রোগীদের সেবা দিতে মোবাইল হাসপাতাল ও সেনাবাহিনীও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
ডেঙ্গুর অধিকাংশ চিকিৎসা উপজেলা পর্যায়ে দেওয়া সম্ভব। কিন্তু অনেক রোগী সরাসরি টারশিয়ারি পর্যায়ের হাসপাতালে চলে আসায় এসব হাসপাতালে অতিরিক্ত চাপ তৈরি হচ্ছে।
উল্লেখ্য, বিশেষ এই টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য বাংলাদেশ সরকারের বিশেষ ব্যবস্থাপনায় এবং ইউনিসেফের সহযোগিতায় গত ১০ সেপ্টেম্বর প্রায় ৪৩ লাখ ডোজ এমআর টিকা দেশে এসেছে। বর্তমানে দেশে মোট ৫৮ লাখ ডোজ টিকা মজুদ রয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।

রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
হাম ও ডেঙ্গুতে মৃত্যু ও আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলছে। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) হাম ও ডেঙ্গুতে আরও ১০ জন মারা গেছেন। আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ৮৪৯ জন। এর মধ্যে হামে চার শিশুর মৃত্যু ও ১ হাজার ২৫৬ জন আক্রান্ত। আর ডেঙ্গুতে ছয়জনের মৃত্যু ও ১ হাজার ৫৯৩ জন আক্রান্ত। বাদ পড়া শিশুদের টিকার আওতায় আনতে আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু করা হবে। মহাখালী স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
সন্দেহজনক হামে আরও চার শিশু মারা গেছে। এর মধ্যে ঢাকায় দুইজন, চট্টগ্রামে একজন ও ময়মনসিংহে একজন শিশু মারা গেছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে রোববার পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে ৯৫৬ শিশু ও নিশ্চিত হামে ১০১ জনসহ মোট ১ হাজার ৫৭ শিশু মারা গেছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামে ১ হাজার ১৪৮ শিশু ও নিশ্চিত হামে ৮৮ শিশুসহ মোট ১ হাজার ২৫৬ শিশু আক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগে সন্দেহজনক হামে ৪৪৯ শিশু ও নিশ্চিত হামে ৬৪ শিশু আক্রান্ত। সিলেট বিভাগে সন্দেহজনক হামে ১৪৫ শিশু। চট্টগ্রাম বিভাগে সন্দেহজনক হামে ২৬৯ শিশু ও নিশ্চিত হামে ১৫ শিশু আক্রান্ত। ময়মনসিংহ বিভাগে সন্দেহজনক হামে ৫৪ শিশু। বরিশাল বিভাগে সন্দেহজনক হামে ১১৪ শিশু। খুলনা বিভাগে সন্দেহজনক হামে ৭০ শিশু। রংপুর বিভাগে সন্দেহজনক হামে ১৭ শিশু ও নিশ্চিত হামে ৯ শিশু আক্রান্ত হয়েছে।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে চলতি মাসের রোববার পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত ১ লাখ ৭৯ হাজার ৮১৪ শিশু ও নিশ্চিত হামে ২০ হাজার ৫৬২ শিশু আক্রান্তসহ মোট ২ লাখ ৩৭৬ শিশু আক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি ১ লাখ ৫৮ হাজার ৫৮৯ শিশু। চিকিৎসা শেষে ছাড়পত্র নিয়ে বাসায় ফিরেছে ১ লাখ ৫২ হাজার ২২৫ শিশু। অন্যরা এখনো হাসপাতাল, স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও বাসাবাড়িতে চিকিৎসাধীন।
এদিকে, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, দেশে বর্তমানে হামে আক্রান্ত শিশুদের প্রায় সবাই টিকাবিহীন। বাদ পড়া শিশুদের টিকার আওতায় আনতে সরকার আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু করবে। ‘ইনটেনসিফাইড এমআর ক্যাচ-আপ ভ্যাকসিনেশন’ নামের এ কর্মসূচি চলবে আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত। রোববার সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান তিনি।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) এসএম জিয়া উদ্দিন হায়দার, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব এ.এন.এম. বজলুর রশিদ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস উপস্থিত ছিলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এই কর্মসূচির আওতায় ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী যেসব শিশু চলমান হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইনে টিকা পায়নি বা বাদ পড়েছে, তাদের খুঁজে বের করে টিকা দেওয়া হবে। পাশাপাশি এ সময় ৬ মাস বয়সে পৌঁছানো এবং টিকা গ্রহণে উপযুক্ত নতুন শিশুদেরও কর্মসূচির আওতায় আনা হবে।
বর্তমানে হাম আক্রান্ত শিশুদের ক্ষেত্রে অপুষ্টি ও অন্যান্য জটিলতার কারণে নিউমোনিয়াসহ গুরুতর শারীরিক জটিলতা দেখা দিচ্ছে। টিকা নেওয়ার পর শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হতে সাধারণত তিন থেকে চার সপ্তাহ সময় লাগে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ডেঙ্গুতে আরও ছয়জন মারা গেছে। এর মধ্যে বরিশালে একজন, চট্টগ্রামে দুজন, ঢাকায় একজন ও খুলনায় দুজন। তাদের মধ্যে নারী পাঁচজন ও পুরুষ একজন। এ নিয়ে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে রোববার পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মোট ১৮৪ জন মারা গেছে।
এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ১ হাজার ৫৯৩ জন আক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে বরিশালে ১৫৪ জন, চট্টগ্রামে ১৬৭ জন, ঢাকা বিভাগে ৩৮৪ জন, ঢাকা উত্তরে ১৭১ জন, ঢাকা দক্ষিণে ১৩২ জন, খুলনায় ২৯২ জন, ময়মনসিংহে ৮২ জন, রাজশাহীতে ১৩৭ জন, রংপুরে ৬৫ জন ও সিলেটে ৯ জন আক্রান্ত হয়েছে।
বয়সভিত্তিক হিসাবে আক্রান্তদের মধ্যে ৫ বছর বয়সী ৬৬ জন, ৬ থেকে ১০ বছর বয়সী ৭০ জন, ১১ থেকে ১৫ বছর বয়সী ৯১ জন, ১৬ থেকে ২০ বছর বয়সী ২০১ জন, ২১ থেকে ২৫ বছর বয়সী ২৫৩ জন, ২৬ থেকে ৩০ বছর বয়সী ২৪১ জন এবং ৮০ বছরের বেশি বয়সী তিনজন। এভাবে ৫ বছরের শিশু থেকে ৮০ বছরের বৃদ্ধও ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হচ্ছেন। ডেঙ্গুতে চলতি মাসের গত ২০ দিনে ৮৭ জন মারা গেছে।
চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে রোববার পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মোট আক্রান্ত ৬১ হাজার ৯৭২ জন। এখনো দেশের হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে ভর্তি আছে ৪ হাজার ১৩৩ জন। অন্যরা চিকিৎসা শেষে বাসায় ফিরেছেন। মহাখালী স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নির্দেশ
ডেঙ্গু ও হাম পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, উভয় রোগের চিকিৎসায় সরকারের সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে। স্যালাইনের কোনো ঘাটতি নেই। জরুরি পরিস্থিতিতে ডেঙ্গু রোগীদের সেবা দিতে মোবাইল হাসপাতাল ও সেনাবাহিনীও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
ডেঙ্গুর অধিকাংশ চিকিৎসা উপজেলা পর্যায়ে দেওয়া সম্ভব। কিন্তু অনেক রোগী সরাসরি টারশিয়ারি পর্যায়ের হাসপাতালে চলে আসায় এসব হাসপাতালে অতিরিক্ত চাপ তৈরি হচ্ছে।
উল্লেখ্য, বিশেষ এই টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য বাংলাদেশ সরকারের বিশেষ ব্যবস্থাপনায় এবং ইউনিসেফের সহযোগিতায় গত ১০ সেপ্টেম্বর প্রায় ৪৩ লাখ ডোজ এমআর টিকা দেশে এসেছে। বর্তমানে দেশে মোট ৫৮ লাখ ডোজ টিকা মজুদ রয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।

আপনার মতামত লিখুন