সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন নদ-নদীতে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) নামে অতিরিক্ত টোল আদায়ের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার লালপুর বাজারে শতাধিক ব্যবসায়ী ও শ্রমিকের উপস্থিতিতে এ কর্মসূচি পালিত হয়।
জামালগঞ্জ মিনি স্টোন ক্রাশার সমিতির সভাপতি হোসেন আহমদ লালের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আমিরুল হকের সঞ্চালনায় কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন পাথর ব্যবসায়ী জসিম উদ্দিন, লোকমান হোসেন, কবির হোসেন, নবী নূর ও বাংলাদেশ কার্গো বাল্কহেড সমিতির সভাপতি হাবিবুর রহমানসহ অনেকে।
প্রতিবাদ সভায় বক্তারা অভিযোগ করেন, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী মালামাল লোড-আনলোডের জন্য প্রতি ঘনফুটে নির্ধারিত ৫০ পয়সা হারে শুল্ক আদায়ের বিধান রয়েছে। কিন্তু জামালগঞ্জের বিভিন্ন ঘাটে বিআইডব্লিউটিএ-এর ইজারাদারেরা লোড ও আনলোডে ২ টাকা ৮০ পয়সা করে মোট ৫ টাকা ৬০ পয়সা শুল্ক আদায় করছেন, যা সম্পূর্ণ অবৈধ।
ব্যবসায়ীরা জানান, নির্ধারিত হারের চেয়ে দুই থেকে তিন গুণ বেশি টোল দেওয়ায় তাঁরা ক্রমাগত লোকসানের মুখে পড়ছেন এবং বাধ্য হয়ে অনেকে ব্যবসা বন্ধ করে দিচ্ছেন। এ অবস্থায় স্থানীয় হাজারো ব্যবসায়ী ও শ্রমিকের কর্মসংস্থান রক্ষায় নির্ধারিত হারে শুল্ক আদায় নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেন তারা।

সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন নদ-নদীতে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) নামে অতিরিক্ত টোল আদায়ের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার লালপুর বাজারে শতাধিক ব্যবসায়ী ও শ্রমিকের উপস্থিতিতে এ কর্মসূচি পালিত হয়।
জামালগঞ্জ মিনি স্টোন ক্রাশার সমিতির সভাপতি হোসেন আহমদ লালের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আমিরুল হকের সঞ্চালনায় কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন পাথর ব্যবসায়ী জসিম উদ্দিন, লোকমান হোসেন, কবির হোসেন, নবী নূর ও বাংলাদেশ কার্গো বাল্কহেড সমিতির সভাপতি হাবিবুর রহমানসহ অনেকে।
প্রতিবাদ সভায় বক্তারা অভিযোগ করেন, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী মালামাল লোড-আনলোডের জন্য প্রতি ঘনফুটে নির্ধারিত ৫০ পয়সা হারে শুল্ক আদায়ের বিধান রয়েছে। কিন্তু জামালগঞ্জের বিভিন্ন ঘাটে বিআইডব্লিউটিএ-এর ইজারাদারেরা লোড ও আনলোডে ২ টাকা ৮০ পয়সা করে মোট ৫ টাকা ৬০ পয়সা শুল্ক আদায় করছেন, যা সম্পূর্ণ অবৈধ।
ব্যবসায়ীরা জানান, নির্ধারিত হারের চেয়ে দুই থেকে তিন গুণ বেশি টোল দেওয়ায় তাঁরা ক্রমাগত লোকসানের মুখে পড়ছেন এবং বাধ্য হয়ে অনেকে ব্যবসা বন্ধ করে দিচ্ছেন। এ অবস্থায় স্থানীয় হাজারো ব্যবসায়ী ও শ্রমিকের কর্মসংস্থান রক্ষায় নির্ধারিত হারে শুল্ক আদায় নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন