বাংলাদেশের সঙ্গীতাঙ্গনে এই প্রজন্মের জনপ্রিয় গায়ক ইমরান মাহমুদুলের গায়ক হিসেবে পথচলার ১৮ বছর পূর্ণ হয়েছে। ২০০৮ সালের ৩১ আগস্ট ‘চ্যানেল আই সেরাকণ্ঠ’ প্রতিযোগিতায় ফার্স্ট রানারআপ হওয়ার মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সংগীতাঙ্গনে যাত্রা শুরু করেন তিনি। এরপর কেটে গেছে দেড় যুগ। এই দীর্ঘ সময়ে গায়ক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পাশাপাশি সুরকার ও সংগীত পরিচালক হিসেবেও নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন ইমরান।
ক্যারিয়ারের শুরুর
দিকে অ্যালবামে গান প্রকাশের মধ্য দিয়ে শ্রোতাদের কাছে পরিচিতি পান তিনি। পরবর্তীতে
ইউটিউবনির্ভর সংগীতের যুগে একের পর এক আধুনিক গান ও সিনেমার গানে কণ্ঠ দিয়ে জনপ্রিয়তা
আরও বাড়ান। বিশেষ করে দ্বৈত গানে দিলশাদ নাহার কনা ও কোনালের সঙ্গে ইমরানের জুটি শ্রোতাদের
মধ্যে বেশ সাড়া ফেলেছে। এ ছাড়া এই প্রজন্মের অনেক গায়িকার সঙ্গেও গান করেছেন তিনি।
ইমরানের সঙ্গে দ্বৈত
গান করার স্বপ্ন দেখেন অনেক নতুন শিল্পী। এরই মধ্যে বেশ কয়েকজন নবীন শিল্পীকে সেই সুযোগও
দিয়েছেন তিনি। ভবিষ্যতেও নতুনদের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ রয়েছে বলে জানিয়েছেন এই শিল্পী।
জাতীয় চলচ্চিত্র
পুরস্কারপ্রাপ্ত ইমরান মাহমুদুল বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে সঙ্গীত সফরে রয়েছেন। দেশটির
বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে একের পর এক শো নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি।
সঙ্গীতজীবনের ১৮
বছর পূর্তি প্রসঙ্গে ইমরান মাহমুদুল বলেন, ‘ঠিক ১৮ বছর আগে চ্যানেল আই সেরাকণ্ঠ প্রতিযোগিতায়
ফার্স্ট রানারআপ হয়ে মিডিয়ায় আমার আনুষ্ঠানিক পথচলা শুরু হয়েছিল। সেদিনের সেই ছোট্ট
স্বপ্নটা আজ ১৮ বছরের এক বিশাল যাত্রা। এই ১৮ বছরে পেয়েছি অসংখ্য গান, মঞ্চ, সাফল্য,
ব্যর্থতা, ভালোবাসা, অভিমান আর হাজারো স্মৃতি। কিন্তু সবচেয়ে বড় পাওয়া শ্রোতা-দর্শকের
ভালোবাসা।’
তিনি আরও বলেন,
‘আমি জানি না এই দীর্ঘ সময়ে কতটা ভালো গান আপনাদের দিতে পেরেছি। তবে প্রতিটা গান, প্রতিটা
সুর, প্রতিটা মঞ্চ আমি সবসময় হৃদয় দিয়ে করেছি। যারা আমার গান শুনেছেন, গেয়েছেন, শেয়ার
করেছেন, ভালোবেসেছেন, পাশে থেকেছেন, এমনকি সমালোচনা করেছেন—আপনাদের প্রত্যেকের প্রতি
আমার কৃতজ্ঞতা।’
ইমরানের ভাষায়,
১৮ বছর তার পথচলার শেষ নয়, বরং নতুন একটি অধ্যায়ের শুরু। যতদিন কণ্ঠে গান থাকবে, ততদিন
গান করে যেতে চান তিনি। পাশাপাশি শ্রোতা-দর্শকের ভালোবাসা নিয়েই সামনে এগিয়ে যাওয়ার
প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন এই গায়ক।

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বাংলাদেশের সঙ্গীতাঙ্গনে এই প্রজন্মের জনপ্রিয় গায়ক ইমরান মাহমুদুলের গায়ক হিসেবে পথচলার ১৮ বছর পূর্ণ হয়েছে। ২০০৮ সালের ৩১ আগস্ট ‘চ্যানেল আই সেরাকণ্ঠ’ প্রতিযোগিতায় ফার্স্ট রানারআপ হওয়ার মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সংগীতাঙ্গনে যাত্রা শুরু করেন তিনি। এরপর কেটে গেছে দেড় যুগ। এই দীর্ঘ সময়ে গায়ক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পাশাপাশি সুরকার ও সংগীত পরিচালক হিসেবেও নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন ইমরান।
ক্যারিয়ারের শুরুর
দিকে অ্যালবামে গান প্রকাশের মধ্য দিয়ে শ্রোতাদের কাছে পরিচিতি পান তিনি। পরবর্তীতে
ইউটিউবনির্ভর সংগীতের যুগে একের পর এক আধুনিক গান ও সিনেমার গানে কণ্ঠ দিয়ে জনপ্রিয়তা
আরও বাড়ান। বিশেষ করে দ্বৈত গানে দিলশাদ নাহার কনা ও কোনালের সঙ্গে ইমরানের জুটি শ্রোতাদের
মধ্যে বেশ সাড়া ফেলেছে। এ ছাড়া এই প্রজন্মের অনেক গায়িকার সঙ্গেও গান করেছেন তিনি।
ইমরানের সঙ্গে দ্বৈত
গান করার স্বপ্ন দেখেন অনেক নতুন শিল্পী। এরই মধ্যে বেশ কয়েকজন নবীন শিল্পীকে সেই সুযোগও
দিয়েছেন তিনি। ভবিষ্যতেও নতুনদের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ রয়েছে বলে জানিয়েছেন এই শিল্পী।
জাতীয় চলচ্চিত্র
পুরস্কারপ্রাপ্ত ইমরান মাহমুদুল বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে সঙ্গীত সফরে রয়েছেন। দেশটির
বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে একের পর এক শো নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি।
সঙ্গীতজীবনের ১৮
বছর পূর্তি প্রসঙ্গে ইমরান মাহমুদুল বলেন, ‘ঠিক ১৮ বছর আগে চ্যানেল আই সেরাকণ্ঠ প্রতিযোগিতায়
ফার্স্ট রানারআপ হয়ে মিডিয়ায় আমার আনুষ্ঠানিক পথচলা শুরু হয়েছিল। সেদিনের সেই ছোট্ট
স্বপ্নটা আজ ১৮ বছরের এক বিশাল যাত্রা। এই ১৮ বছরে পেয়েছি অসংখ্য গান, মঞ্চ, সাফল্য,
ব্যর্থতা, ভালোবাসা, অভিমান আর হাজারো স্মৃতি। কিন্তু সবচেয়ে বড় পাওয়া শ্রোতা-দর্শকের
ভালোবাসা।’
তিনি আরও বলেন,
‘আমি জানি না এই দীর্ঘ সময়ে কতটা ভালো গান আপনাদের দিতে পেরেছি। তবে প্রতিটা গান, প্রতিটা
সুর, প্রতিটা মঞ্চ আমি সবসময় হৃদয় দিয়ে করেছি। যারা আমার গান শুনেছেন, গেয়েছেন, শেয়ার
করেছেন, ভালোবেসেছেন, পাশে থেকেছেন, এমনকি সমালোচনা করেছেন—আপনাদের প্রত্যেকের প্রতি
আমার কৃতজ্ঞতা।’
ইমরানের ভাষায়,
১৮ বছর তার পথচলার শেষ নয়, বরং নতুন একটি অধ্যায়ের শুরু। যতদিন কণ্ঠে গান থাকবে, ততদিন
গান করে যেতে চান তিনি। পাশাপাশি শ্রোতা-দর্শকের ভালোবাসা নিয়েই সামনে এগিয়ে যাওয়ার
প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন এই গায়ক।

আপনার মতামত লিখুন