হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার ১৮২টি বিদ্যালয়ে প্রধান ও সহকারী শিক্ষকের ১৬২টি পদ শূন্য। এর মধ্যে প্রধান শিক্ষকের ৫৫টি এবং সহকারী শিক্ষকের ১০৭টি পদ। এ কারণে অনেক বিদ্যালয়ে স্বাভাবিকভাবে পাঠদান চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। এ নিয়ে সংবাদ-এ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশুর শিক্ষার ভিত্তি তৈরি হয়। অথচ হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষকসংকটের কারণে সেই ভিত্তি দুর্বল হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
সবচেয়ে উদ্বেগজনক অবস্থা গজনাইপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। সেখানে আটটি পদের বিপরীতে শিক্ষক আছেন মাত্র দুজন। ১৩২ শিক্ষার্থী ও সাতটি শ্রেণির পাঠদান এই দুজন শিক্ষককেই সামলাতে হচ্ছে। বৈঠাখাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নয়টি পদের বিপরীতে শিক্ষক চারজন। ২৫০ শিক্ষার্থীর পাঠদান চলছে দুই শিফটে। রাধাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েও চারজন শিক্ষক দিয়ে ৩০৯ শিক্ষার্থীর পাঠদান চলছে দুই শিফটে। এ থেকে সংকটের গভীরতা বোঝা যায়।
একজন শিক্ষককে একাধিক শ্রেণির পাঠদান করতে হলে শিক্ষার্থীদের প্রতি প্রয়োজনীয় মনোযোগ দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। এতে শুধু পাঠদান ব্যাহত হয় না, শিক্ষার্থীদের শেখার ঘাটতিও তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে প্রাথমিক স্তরে নিয়মিত অনুশীলন, শিক্ষক-শিক্ষার্থীর যোগাযোগ ও ব্যক্তিগত নজরদারি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষক কম থাকলে এসব নিশ্চিত করা কঠিন।
শিক্ষকসংকটের তথ্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তবে শুধু তথ্য পাঠালেই সমস্যার সমাধান হবে না। শূন্য পদ দ্রুত পূরণের পাশাপাশি কোন বিদ্যালয়ে কতজন শিক্ষক প্রয়োজন, তা বিবেচনা করে পদায়ন করতে হবে। প্রয়োজন হলে সাময়িকভাবেও শিক্ষকসংকট মোকাবিলার ব্যবস্থা করা যেতে পারে।
গ্রামের বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা যেন শিক্ষকসংকটের কারণে পিছিয়ে না পড়ে, সেটি নিশ্চিত করা জরুরি। প্রাথমিক শিক্ষাকে কোনোভাবেই অবহেলা করা চলবে না। নবীগঞ্জের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষকের শূন্য পদগুলো দ্রুত পূরণ করতে হবে। সব বিদ্যালয়ে স্বাভাবিক ও মানসম্মত পাঠদানের পরিবেশ ফিরিয়ে আনা প্রয়োজন।

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার ১৮২টি বিদ্যালয়ে প্রধান ও সহকারী শিক্ষকের ১৬২টি পদ শূন্য। এর মধ্যে প্রধান শিক্ষকের ৫৫টি এবং সহকারী শিক্ষকের ১০৭টি পদ। এ কারণে অনেক বিদ্যালয়ে স্বাভাবিকভাবে পাঠদান চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। এ নিয়ে সংবাদ-এ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশুর শিক্ষার ভিত্তি তৈরি হয়। অথচ হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষকসংকটের কারণে সেই ভিত্তি দুর্বল হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
সবচেয়ে উদ্বেগজনক অবস্থা গজনাইপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। সেখানে আটটি পদের বিপরীতে শিক্ষক আছেন মাত্র দুজন। ১৩২ শিক্ষার্থী ও সাতটি শ্রেণির পাঠদান এই দুজন শিক্ষককেই সামলাতে হচ্ছে। বৈঠাখাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নয়টি পদের বিপরীতে শিক্ষক চারজন। ২৫০ শিক্ষার্থীর পাঠদান চলছে দুই শিফটে। রাধাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েও চারজন শিক্ষক দিয়ে ৩০৯ শিক্ষার্থীর পাঠদান চলছে দুই শিফটে। এ থেকে সংকটের গভীরতা বোঝা যায়।
একজন শিক্ষককে একাধিক শ্রেণির পাঠদান করতে হলে শিক্ষার্থীদের প্রতি প্রয়োজনীয় মনোযোগ দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। এতে শুধু পাঠদান ব্যাহত হয় না, শিক্ষার্থীদের শেখার ঘাটতিও তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে প্রাথমিক স্তরে নিয়মিত অনুশীলন, শিক্ষক-শিক্ষার্থীর যোগাযোগ ও ব্যক্তিগত নজরদারি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষক কম থাকলে এসব নিশ্চিত করা কঠিন।
শিক্ষকসংকটের তথ্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তবে শুধু তথ্য পাঠালেই সমস্যার সমাধান হবে না। শূন্য পদ দ্রুত পূরণের পাশাপাশি কোন বিদ্যালয়ে কতজন শিক্ষক প্রয়োজন, তা বিবেচনা করে পদায়ন করতে হবে। প্রয়োজন হলে সাময়িকভাবেও শিক্ষকসংকট মোকাবিলার ব্যবস্থা করা যেতে পারে।
গ্রামের বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা যেন শিক্ষকসংকটের কারণে পিছিয়ে না পড়ে, সেটি নিশ্চিত করা জরুরি। প্রাথমিক শিক্ষাকে কোনোভাবেই অবহেলা করা চলবে না। নবীগঞ্জের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষকের শূন্য পদগুলো দ্রুত পূরণ করতে হবে। সব বিদ্যালয়ে স্বাভাবিক ও মানসম্মত পাঠদানের পরিবেশ ফিরিয়ে আনা প্রয়োজন।

আপনার মতামত লিখুন