রাজধানীর আদাবরে বাড়ি দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে রামদা, চাপাতি ও পিস্তলসহ ১৫-২০ জনের একটি দল শ্যামলী হাউজিংয়ের আটতলা বাড়িটিতে হামলা চালায়।
ভুক্তভোগীদের দাবি, দুর্বৃত্তরা প্রথমে টাকা দাবি করে। টাকা না পেয়ে বাড়ির মূল ফটকে এলোপাতাড়ি কোপানো শুরু করে। জানালার কাচ ভাঙচুর করে ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়ে পালিয়ে যায়।
বাড়িটির মালিক আমিনুর রহমান একজন ব্যবসায়ী। তার ভাতিজা মনির হোসেন জানান, সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ১৫-২০ জন লোক বাড়িটির সামনে আসেন। কিছুক্ষণ পর্যবেক্ষণ করে চারজন মূল ফটকের সামনে এগিয়ে আসেন।
তাদের মধ্যে দুজনের হাতে চাপাতি ও একজনের হাতে রামদা ছিল। ফটক থেকে একটু দূরে পিস্তল হাতে একজন দাঁড়িয়ে ছিলেন, যিনি হামলার নির্দেশনা দিচ্ছিলেন।
মনির হোসেন বলেন, ‘প্রথমে তারা বাড়ির মূল ফটক খুলতে এবং সবাইকে বেরিয়ে যেতে বলেন। বের না হওয়ায় বাইরে থেকে বলতে থাকেন, “টাকা দে! বাড়িতে থাকিস, টাকা দিস না। বের হ।” এই কথা বলতে বলতে চাপাতি ও রামদা দিয়ে গেটে এলোপাতাড়ি কোপানো শুরু করে।
সিসিটিভি ক্যামেরা ও জানালার কাচ ভাঙচুর করে। ইটের টুকরা দিয়ে দুইতলার আরও দুটি জানালার কাচ ভেঙে ফেলে। বাড়ির ভেতরে ঢুকতে না পেরে পাঁচ মিনিটের মধ্যে ভাঙচুর করে পালিয়ে যায়।’
মনির হোসেনের অভিযোগ, ভাঙচুর চলাকালে তিনি জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ পুলিশকে খবর দেন। অথচ পুলিশ প্রায় তিন ঘণ্টা পরে পৌনে ১০টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ ঠিক সময়ে এলে দুর্বৃত্তদের ধরা সম্ভব হতো বলে তিনি মনে করেন।
এ ঘটনায় আদাবর থানায় একটি অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। তবে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না, তারা জানেন না।
মনির হোসেন বলেন, ‘আমরা ভয়ের মধ্যে আছি। ভয়ে বাসা থেকে বের হতে পারছি না। আবার কখন কী হয়, বুঝতে পারছি না। এভাবে তো চলা যায় না। আমাদের সাহায্য করুন।’
আদাবর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল ইসলাম বলেন, ঘটনার পর পুলিশ বাড়িটি পরিদর্শন করেছে এবং তদন্ত করে দেখছে। কোনো অগ্রগতি আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, খোঁজ নিয়ে দেখবেন।
মনির হোসেন দাবি করেন, ২০২৪ সালের ১৭ আগস্ট খোরশেদ আলম নামে এক ব্যক্তি বাড়িটি দখল করে নেন। পরে আদাবর থানায় অভিযোগ দেওয়ার পরও সুরাহা হয়নি। একপর্যায়ে আদালতে মামলা করলে আদালত আদাবর থানাকে তদন্তের নির্দেশ দেন। পরবর্তী সময়ে পিবিআই তদন্ত করে।
গত ১২ মার্চ বাড়িটি দখল ফেরত পান তারা। পিবিআই প্রায় চার মাস তদন্ত করে একটি অভিযোগপত্র দিলেও তাতে কী আছে, তারা জানেন না। এর মধ্যে আবার হামলা চালানো হলো। এখন তারা কী করবেন, কার কাছে সাহায্য চাইবেন, বুঝতে পারছেন না।

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রাজধানীর আদাবরে বাড়ি দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে রামদা, চাপাতি ও পিস্তলসহ ১৫-২০ জনের একটি দল শ্যামলী হাউজিংয়ের আটতলা বাড়িটিতে হামলা চালায়।
ভুক্তভোগীদের দাবি, দুর্বৃত্তরা প্রথমে টাকা দাবি করে। টাকা না পেয়ে বাড়ির মূল ফটকে এলোপাতাড়ি কোপানো শুরু করে। জানালার কাচ ভাঙচুর করে ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়ে পালিয়ে যায়।
বাড়িটির মালিক আমিনুর রহমান একজন ব্যবসায়ী। তার ভাতিজা মনির হোসেন জানান, সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ১৫-২০ জন লোক বাড়িটির সামনে আসেন। কিছুক্ষণ পর্যবেক্ষণ করে চারজন মূল ফটকের সামনে এগিয়ে আসেন।
তাদের মধ্যে দুজনের হাতে চাপাতি ও একজনের হাতে রামদা ছিল। ফটক থেকে একটু দূরে পিস্তল হাতে একজন দাঁড়িয়ে ছিলেন, যিনি হামলার নির্দেশনা দিচ্ছিলেন।
মনির হোসেন বলেন, ‘প্রথমে তারা বাড়ির মূল ফটক খুলতে এবং সবাইকে বেরিয়ে যেতে বলেন। বের না হওয়ায় বাইরে থেকে বলতে থাকেন, “টাকা দে! বাড়িতে থাকিস, টাকা দিস না। বের হ।” এই কথা বলতে বলতে চাপাতি ও রামদা দিয়ে গেটে এলোপাতাড়ি কোপানো শুরু করে।
সিসিটিভি ক্যামেরা ও জানালার কাচ ভাঙচুর করে। ইটের টুকরা দিয়ে দুইতলার আরও দুটি জানালার কাচ ভেঙে ফেলে। বাড়ির ভেতরে ঢুকতে না পেরে পাঁচ মিনিটের মধ্যে ভাঙচুর করে পালিয়ে যায়।’
মনির হোসেনের অভিযোগ, ভাঙচুর চলাকালে তিনি জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ পুলিশকে খবর দেন। অথচ পুলিশ প্রায় তিন ঘণ্টা পরে পৌনে ১০টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ ঠিক সময়ে এলে দুর্বৃত্তদের ধরা সম্ভব হতো বলে তিনি মনে করেন।
এ ঘটনায় আদাবর থানায় একটি অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। তবে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না, তারা জানেন না।
মনির হোসেন বলেন, ‘আমরা ভয়ের মধ্যে আছি। ভয়ে বাসা থেকে বের হতে পারছি না। আবার কখন কী হয়, বুঝতে পারছি না। এভাবে তো চলা যায় না। আমাদের সাহায্য করুন।’
আদাবর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল ইসলাম বলেন, ঘটনার পর পুলিশ বাড়িটি পরিদর্শন করেছে এবং তদন্ত করে দেখছে। কোনো অগ্রগতি আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, খোঁজ নিয়ে দেখবেন।
মনির হোসেন দাবি করেন, ২০২৪ সালের ১৭ আগস্ট খোরশেদ আলম নামে এক ব্যক্তি বাড়িটি দখল করে নেন। পরে আদাবর থানায় অভিযোগ দেওয়ার পরও সুরাহা হয়নি। একপর্যায়ে আদালতে মামলা করলে আদালত আদাবর থানাকে তদন্তের নির্দেশ দেন। পরবর্তী সময়ে পিবিআই তদন্ত করে।
গত ১২ মার্চ বাড়িটি দখল ফেরত পান তারা। পিবিআই প্রায় চার মাস তদন্ত করে একটি অভিযোগপত্র দিলেও তাতে কী আছে, তারা জানেন না। এর মধ্যে আবার হামলা চালানো হলো। এখন তারা কী করবেন, কার কাছে সাহায্য চাইবেন, বুঝতে পারছেন না।

আপনার মতামত লিখুন