বর্ণবৈষম্য অবসানে ২৫ বছর আগে বিশ্ব যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তা পূরণে এখনও অনেক পথ বাকি বলে মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত আইরিন খান।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘে ডারবান ঘোষণা ও কর্মপরিকল্পনার (ডিডিপিএ) ২৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এই মন্তব্য করেন।
রাষ্ট্রদূত আইরিন খান বলেন, ২৫ বছর আগে ডারবান ঘোষণা ও কর্মপরিকল্পনায় একটি সুস্পষ্ট অঙ্গীকার করা হয়েছিল–জাতি, বর্ণ, বংশপরিচয় কিংবা জাতিগত পরিচয়ের কারণে বিশ্বে কেউ বৈষম্যের শিকার হবে না। তবে দুঃখজনক হলেও সত্যি, সেই অঙ্গীকারের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন থেকে বিশ্ব আজও অনেক দূরে অবস্থান করছে। এ সময় তিনি ডিডিপিএর নীতিগুলোর কার্যকর বাস্তবায়নে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
ঐতিহাসিক অসাম্য তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, দাসপ্রথা, ঔপনিবেশিক শাসন ও অতীতের বিভিন্ন অবিচার থেকে সৃষ্টি হওয়া কাঠামোগত বৈষম্য মোকাবিলায় শিক্ষা, ন্যায়বিচার, সামগ্রিক উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করা জরুরি। একই সঙ্গে অভিবাসী, শরণার্থী, জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠী, সংখ্যালঘু, নারী, শিশু এবং পিছিয়ে পড়া ঝুঁকির মুখে থাকা মানুষের মৌলিক অধিকার সুরক্ষায় সমন্বিত উদ্যোগের ওপর জোর দেন তিনি।
নতুন প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রসঙ্গে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান বলেন, প্রযুক্তিকে ঘৃণা ছড়ানো কিংবা সহিংসতায় উসকানি দেওয়ার কাজে ব্যবহার না করে টেকসই উন্নয়নের হাতিয়ার করা উচিত। প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিকাশের ক্ষেত্রে যাতে মৌলিক মানবাধিকার, সমতা ও বৈষম্যহীনতার নীতি অক্ষুণ্ণ থাকে, তা নিশ্চিত করতে হবে।
অনলাইন ও অফলাইন–উভয় মাধ্যমেই সব মানুষের বৈচিত্র্য, আত্মমর্যাদা ও অধিকার সমুন্নত থাকবে এমন একটি সাম্যভিত্তিক বিশ্ব গড়ায় বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে তিনি উল্লেখ করেন।

মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বর্ণবৈষম্য অবসানে ২৫ বছর আগে বিশ্ব যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তা পূরণে এখনও অনেক পথ বাকি বলে মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত আইরিন খান।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘে ডারবান ঘোষণা ও কর্মপরিকল্পনার (ডিডিপিএ) ২৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এই মন্তব্য করেন।
রাষ্ট্রদূত আইরিন খান বলেন, ২৫ বছর আগে ডারবান ঘোষণা ও কর্মপরিকল্পনায় একটি সুস্পষ্ট অঙ্গীকার করা হয়েছিল–জাতি, বর্ণ, বংশপরিচয় কিংবা জাতিগত পরিচয়ের কারণে বিশ্বে কেউ বৈষম্যের শিকার হবে না। তবে দুঃখজনক হলেও সত্যি, সেই অঙ্গীকারের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন থেকে বিশ্ব আজও অনেক দূরে অবস্থান করছে। এ সময় তিনি ডিডিপিএর নীতিগুলোর কার্যকর বাস্তবায়নে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
ঐতিহাসিক অসাম্য তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, দাসপ্রথা, ঔপনিবেশিক শাসন ও অতীতের বিভিন্ন অবিচার থেকে সৃষ্টি হওয়া কাঠামোগত বৈষম্য মোকাবিলায় শিক্ষা, ন্যায়বিচার, সামগ্রিক উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করা জরুরি। একই সঙ্গে অভিবাসী, শরণার্থী, জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠী, সংখ্যালঘু, নারী, শিশু এবং পিছিয়ে পড়া ঝুঁকির মুখে থাকা মানুষের মৌলিক অধিকার সুরক্ষায় সমন্বিত উদ্যোগের ওপর জোর দেন তিনি।
নতুন প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রসঙ্গে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান বলেন, প্রযুক্তিকে ঘৃণা ছড়ানো কিংবা সহিংসতায় উসকানি দেওয়ার কাজে ব্যবহার না করে টেকসই উন্নয়নের হাতিয়ার করা উচিত। প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিকাশের ক্ষেত্রে যাতে মৌলিক মানবাধিকার, সমতা ও বৈষম্যহীনতার নীতি অক্ষুণ্ণ থাকে, তা নিশ্চিত করতে হবে।
অনলাইন ও অফলাইন–উভয় মাধ্যমেই সব মানুষের বৈচিত্র্য, আত্মমর্যাদা ও অধিকার সমুন্নত থাকবে এমন একটি সাম্যভিত্তিক বিশ্ব গড়ায় বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আপনার মতামত লিখুন