সংবাদ

ক্লাস শুরুর আগে হুড়মুড় করে ভেঙে পড়ল স্কুলের ছাদ


প্রতিনিধি, সাতক্ষীরা
প্রতিনিধি, সাতক্ষীরা
প্রকাশ: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৯ পিএম

ক্লাস শুরুর আগে হুড়মুড় করে ভেঙে পড়ল স্কুলের ছাদ
ছবি : সংবাদ

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কুলতিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির কক্ষের ছাদের একটি বড় অংশ ধসে পড়েছে। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার সময় শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীরা না থাকায় অলৌকিকভাবে বড় ধরনের কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে এই ঘটনার পর বিদ্যালয়ের জরাজীর্ণ ভবনে পাঠদানরত কোমলমতি শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে চরম শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, ১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত সদর উপজেলার ফিংড়ী এলাকার এই বিদ্যালয় ভবনটি দীর্ঘদিন ধরেই জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। ছাদের বিভিন্ন অংশের প্লাস্টার ও কংক্রিট অনেক আগে থেকেই খসে পড়ছিল। বুধবার সকালে হঠাৎ করেই পঞ্চম শ্রেণির কক্ষের ছাদের একটি বড় অংশ ভেঙে পড়ে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হুমায়ূন কবির সংবাদকে বলেন, ‘বিদ্যালয় ভবনের ছাদের প্রায় ৬৭ শতাংশ প্লাস্টার ও কংক্রিট ভেঙে পড়েছে। ছাদ ধসে পড়ার সময় শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষে থাকলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি ঘটতে পারত। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে পাঠদান কার্যক্রম চালিয়ে যেতে দ্রুত এখানে নতুন ভবন নির্মাণ করা প্রয়োজন।’

এদিকে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, প্রধান শিক্ষকের কাছ থেকে দুর্ঘটনার লিখিত আবেদন পাওয়ার পর বুধবারই বিষয়টি জরুরি ভিত্তিতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) বরাবর পাঠানো হয়েছে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রুহুল আমীন বলেন, কুলতিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাদ ভেঙে পড়ার বিষয়টি প্রধান শিক্ষক আমাদের জানিয়েছেন। নতুন ভবন নির্মাণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে আবেদনটি ইতিমধ্যে ঢাকা অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর থেকে বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা জরাজীর্ণ ভবনটি দ্রুত পরিত্যক্ত ঘোষণা করে নতুন ভবন নির্মাণের জোরালো দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬


ক্লাস শুরুর আগে হুড়মুড় করে ভেঙে পড়ল স্কুলের ছাদ

প্রকাশের তারিখ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কুলতিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির কক্ষের ছাদের একটি বড় অংশ ধসে পড়েছে। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার সময় শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীরা না থাকায় অলৌকিকভাবে বড় ধরনের কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে এই ঘটনার পর বিদ্যালয়ের জরাজীর্ণ ভবনে পাঠদানরত কোমলমতি শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে চরম শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, ১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত সদর উপজেলার ফিংড়ী এলাকার এই বিদ্যালয় ভবনটি দীর্ঘদিন ধরেই জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। ছাদের বিভিন্ন অংশের প্লাস্টার ও কংক্রিট অনেক আগে থেকেই খসে পড়ছিল। বুধবার সকালে হঠাৎ করেই পঞ্চম শ্রেণির কক্ষের ছাদের একটি বড় অংশ ভেঙে পড়ে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হুমায়ূন কবির সংবাদকে বলেন, ‘বিদ্যালয় ভবনের ছাদের প্রায় ৬৭ শতাংশ প্লাস্টার ও কংক্রিট ভেঙে পড়েছে। ছাদ ধসে পড়ার সময় শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষে থাকলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি ঘটতে পারত। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে পাঠদান কার্যক্রম চালিয়ে যেতে দ্রুত এখানে নতুন ভবন নির্মাণ করা প্রয়োজন।’

এদিকে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, প্রধান শিক্ষকের কাছ থেকে দুর্ঘটনার লিখিত আবেদন পাওয়ার পর বুধবারই বিষয়টি জরুরি ভিত্তিতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) বরাবর পাঠানো হয়েছে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রুহুল আমীন বলেন, কুলতিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাদ ভেঙে পড়ার বিষয়টি প্রধান শিক্ষক আমাদের জানিয়েছেন। নতুন ভবন নির্মাণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে আবেদনটি ইতিমধ্যে ঢাকা অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর থেকে বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা জরাজীর্ণ ভবনটি দ্রুত পরিত্যক্ত ঘোষণা করে নতুন ভবন নির্মাণের জোরালো দাবি জানিয়েছেন।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত