এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠানে গিয়ে আর বাড়ি ফিরছিল না এক কিশোরী। রাত পর্যন্ত না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। শেষ পর্যন্ত স্কুল ভবনের তৃতীয় তলার একটি কক্ষ থেকে অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক পরীক্ষায় ধর্ষণের আলামত পাওয়ার কথা জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা। তবে এ ঘটনায় থানায় কোনো অভিযোগ দায়ের হয়নি।
ঘটনাটি ঘটেছে কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার ছত্রগাছা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে। ভুক্তভোগী কিশোরী মির্জানগর গ্রামের বাসিন্দা হলেও বাবা-মায়ের বিচ্ছেদের পর থেকে নানাবাড়ি ছত্রগাছা গ্রামে থাকছে।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকালে বিদ্যালয়ের এসএসসি ২০২৬ ব্যাচের বিদায় অনুষ্ঠানে অংশ নেয় ছাত্রীটি। অনুষ্ঠান শেষেও সে বাড়ি ফেরেনি। পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। অনেক খোঁজাখুঁজির পর রাত আটটার দিকে বিদ্যালয়ের পিয়ন হামিদুলের কাছে জানতে চান তারা।
তিনি প্রথমে বিদ্যালয়ে কেউ নেই বলে জানান। চাবি দিতে অস্বীকৃতি জানান। এতে সন্দেহ হলে স্থানীয়রা জোর করে বিদ্যালয়ে প্রবেশ করে কিশোরীকে খোঁজাখুঁজি শুরু করে। পরে বিদ্যালয়ের তৃতীয় তলার একটি কক্ষ থেকে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারের পর প্রথমে তাকে মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে ও কিশোরী হাসপাতালের গাইনি বিভাগে চিকিৎসাধীন।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. হোসেন ইমাম বলেন, “প্রয়োজনীয় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে প্রাথমিকভাবে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে।”
ভুক্তভোগী কিশোরীর মা বলেন, “অনুষ্ঠান শেষে মেয়ে শ্রেণিকক্ষে ব্যাগ আনতে গিয়েছিল। ওখান থেকে তৃতীয় তলায় গিয়েছিল। এরপর কী ঘটেছে, কিছু বলতে পারছে না।”জ্ঞান ফেরার পর জানায়, “সিঁড়ির কাছে বসেছিলাম। এরপর কিছুই মনে নেই।”
মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম বলেন, “খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ এপ্রিল ২০২৬
এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠানে গিয়ে আর বাড়ি ফিরছিল না এক কিশোরী। রাত পর্যন্ত না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। শেষ পর্যন্ত স্কুল ভবনের তৃতীয় তলার একটি কক্ষ থেকে অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক পরীক্ষায় ধর্ষণের আলামত পাওয়ার কথা জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা। তবে এ ঘটনায় থানায় কোনো অভিযোগ দায়ের হয়নি।
ঘটনাটি ঘটেছে কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার ছত্রগাছা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে। ভুক্তভোগী কিশোরী মির্জানগর গ্রামের বাসিন্দা হলেও বাবা-মায়ের বিচ্ছেদের পর থেকে নানাবাড়ি ছত্রগাছা গ্রামে থাকছে।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকালে বিদ্যালয়ের এসএসসি ২০২৬ ব্যাচের বিদায় অনুষ্ঠানে অংশ নেয় ছাত্রীটি। অনুষ্ঠান শেষেও সে বাড়ি ফেরেনি। পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। অনেক খোঁজাখুঁজির পর রাত আটটার দিকে বিদ্যালয়ের পিয়ন হামিদুলের কাছে জানতে চান তারা।
তিনি প্রথমে বিদ্যালয়ে কেউ নেই বলে জানান। চাবি দিতে অস্বীকৃতি জানান। এতে সন্দেহ হলে স্থানীয়রা জোর করে বিদ্যালয়ে প্রবেশ করে কিশোরীকে খোঁজাখুঁজি শুরু করে। পরে বিদ্যালয়ের তৃতীয় তলার একটি কক্ষ থেকে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারের পর প্রথমে তাকে মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে ও কিশোরী হাসপাতালের গাইনি বিভাগে চিকিৎসাধীন।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. হোসেন ইমাম বলেন, “প্রয়োজনীয় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে প্রাথমিকভাবে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে।”
ভুক্তভোগী কিশোরীর মা বলেন, “অনুষ্ঠান শেষে মেয়ে শ্রেণিকক্ষে ব্যাগ আনতে গিয়েছিল। ওখান থেকে তৃতীয় তলায় গিয়েছিল। এরপর কী ঘটেছে, কিছু বলতে পারছে না।”জ্ঞান ফেরার পর জানায়, “সিঁড়ির কাছে বসেছিলাম। এরপর কিছুই মনে নেই।”
মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম বলেন, “খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

আপনার মতামত লিখুন