সংবাদ

স্ট্রোক: এক মিনিটের দেরিতে বদলে যেতে পারে একটি জীবন


নাজনীন নিতু
নাজনীন নিতু
প্রকাশ: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪৪ এএম

স্ট্রোক: এক মিনিটের দেরিতে বদলে যেতে পারে একটি জীবন

একজন মানুষ হয়তো এক মুহূর্ত আগেও স্বাভাবিকভাবে কথা বলছিলেন। হঠাৎ তার কথা জড়িয়ে গেল, মুখের এক পাশ বেঁকে গেল, একটি হাত দুর্বল হয়ে পড়ল কিংবা হাঁটতে গিয়ে ভারসাম্য হারালেন। এমন পরিবর্তন দেখে স্বজনরা অনেক সময় অপেক্ষা করেন—হয়তো কিছুক্ষণ পর ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু স্ট্রোকের ক্ষেত্রে এই অপেক্ষাই বড় ঝুঁকির কারণ হতে পারে। কারণ, প্রতিটি মুহূর্তের দেরিতে মস্তিষ্কের আরও বেশি কোষ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

২৯ অক্টোবর বিশ্ব স্ট্রোক দিবস। ২০২৬ সালের মূল বার্তা—“প্রতিটি মিনিটই গুরুত্বপূর্ণ”। দ্রুত লক্ষণ শনাক্ত করে চিকিৎসা নেওয়া জীবন বাঁচাতে এবং দীর্ঘমেয়াদি অক্ষমতা কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

বাংলাদেশেও স্ট্রোকের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্য। ২০২৫ সালের একটি বৃহৎ জনসংখ্যাভিত্তিক গবেষণায় দেশের সাত বিভাগের গ্রামীণ এলাকার ১৩ লাখ ৪১ হাজার ৫৮৯ জনের তথ্য বিশ্লেষণ করে প্রতি এক হাজারে ১.০৭ জনের স্ট্রোকের হার পাওয়া যায়। বয়স বাড়ার সঙ্গে স্ট্রোকের ঝুঁকিও বাড়ে। আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিসের উপস্থিতিও উল্লেখযোগ্য।

স্ট্রোক কী?

হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোক এক নয়। মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হলে অথবা কোনো রক্তনালি ফেটে রক্তক্ষরণ হলে স্ট্রোক হয়। রক্তের মাধ্যমে মস্তিষ্কের কোষে অক্সিজেন পৌঁছায়। রক্তনালি বন্ধ হয়ে গেলে বা ফেটে গেলে সংশ্লিষ্ট অংশের কোষ ক্ষতিগ্রস্ত হতে শুরু করে। স্ট্রোক প্রধানত দুই ধরনের—ইস্কেমিক ও হেমোরেজিক। প্রথমটি রক্তনালি বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে ঘটে। দ্বিতীয়টি ঘটে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের ফলে।

লক্ষণ চিনুন: বি. ই. ফাস্ট

স্ট্রোকের লক্ষণ দ্রুত শনাক্ত করতে ‘বি. ই. ফাস্ট’ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।

বি (ব্যালান্স): হঠাৎ ভারসাম্য হারানো।

ই (আইজ): হঠাৎ দৃষ্টির পরিবর্তন।

এফ (ফেস): মুখের এক পাশ বেঁকে যাওয়া।

এ (আর্ম): হাত বা পায়ে দুর্বলতা কিংবা অবশভাব দেখা দেওয়া।

এস (স্পিচ): কথা জড়িয়ে যাওয়া বা কথা বুঝতে সমস্যা হওয়া।

টি (টাইম): দ্রুত জরুরি চিকিৎসার ব্যবস্থা করা।

হঠাৎ তীব্র মাথাব্যথা, গিলতে সমস্যা, মাথা ঘোরা, বমি বা কোনো কোনো ক্ষেত্রে খিঁচুনিও দেখা দিতে পারে। এসব লক্ষণের যেকোনো একটি হঠাৎ দেখা দিলেও দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া জরুরি।

লক্ষণ কয়েক মিনিটের মধ্যে চলে গেলেও বিষয়টি অবহেলা করা যাবে না। এটি সাময়িক মস্তিষ্কীয় রক্তপ্রবাহের ঘাটতি বা ট্রানজিয়েন্ট ইস্কেমিক অ্যাটাক (টিআইএ) হতে পারে। এ অবস্থায় সাময়িকভাবে মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহ কমে যাওয়ায় স্ট্রোকের মতো লক্ষণ দেখা দেয়, যা পরে সেরে যেতে পারে। তবে এটি ভবিষ্যতে স্ট্রোক হওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কসংকেত।

কী করবেন?

লক্ষণ শুরু হওয়ার সময়টি মনে রাখুন এবং দ্রুত রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যান। গিলতে সমস্যা আছে কি না নিশ্চিত হওয়ার আগে খাবার, পানি বা মুখে খাওয়ার ওষুধ দেওয়া উচিত নয়। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যাসপিরিন দেওয়া থেকেও বিরত থাকতে হবে। কারণ, কিছু স্ট্রোক মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের কারণে হয়। এমন ক্ষেত্রে অ্যাসপিরিন ক্ষতি বাড়াতে পারে।

পুনর্বাসনে স্পিচ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজ থেরাপির ভূমিকা

হাসপাতালে চিকিৎসার পরও পুনর্বাসন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মস্তিষ্কের কোন অংশ কতটা আক্রান্ত হয়েছে, তার ওপর নির্ভর করে রোগীর বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

এ ক্ষেত্রে স্পিচ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজ থেরাপিস্টের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। স্ট্রোকের পর কথা বলা ও ভাষা বোঝার সমস্যা, কথা জড়িয়ে যাওয়া, চিন্তা ও যোগাযোগের সমস্যা, স্মৃতি ও মনোযোগের ঘাটতি, কণ্ঠস্বরের পরিবর্তন এবং খাবার বা তরল গিলতে অসুবিধা নিয়ে তারা কাজ করেন।

রোগীর কথা বলা, ভাষা বোঝা ও মনের ভাব প্রকাশ করা, যোগাযোগের সক্ষমতা এবং নিরাপদে গিলতে পারার ক্ষমতা মূল্যায়ন করে প্রয়োজন অনুযায়ী থেরাপির পরিকল্পনা করা হয়। পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের নিরাপদে খাবার খাওয়ানো, রোগীর সঙ্গে যোগাযোগের কার্যকর উপায় এবং দৈনন্দিন জীবনে যোগাযোগ সহজ করার কৌশল সম্পর্কেও পরামর্শ দেওয়া হয়।

প্রতিরোধও জরুরি

স্ট্রোক হওয়ার পর দ্রুত চিকিৎসার পাশাপাশি এটি প্রতিরোধেও গুরুত্ব দিতে হবে। নিয়মিত রক্তচাপ ও রক্তে শর্করা পরীক্ষা করা, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ গ্রহণ, ধূমপান এড়িয়ে চলা, লবণ ও অস্বাস্থ্যকর খাবার কম খাওয়া এবং নিয়মিত শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকা স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

পরিবারের প্রত্যেকের স্ট্রোকের প্রধান কয়েকটি লক্ষণ জানা থাকা উচিত। কারণ, রোগীর পাশে থাকা ব্যক্তিই প্রথম বুঝতে পারেন যে অস্বাভাবিক কিছু ঘটছে। তার দ্রুত সিদ্ধান্ত ও পদক্ষেপ রোগীর জীবন বাঁচাতে পারে এবং দীর্ঘমেয়াদি অক্ষমতার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে।

স্ট্রোকের ক্ষেত্রে সময় শুধু গুরুত্বপূর্ণ নয়; সময়মতো চিকিৎসা নেওয়াই জীবন বাঁচানো ও স্থায়ী অক্ষমতার ঝুঁকি কমানোর ক্ষেত্রে বড় পার্থক্য গড়ে দিতে পারে। তাই লক্ষণ চিনুন, দ্রুত ব্যবস্থা নিন এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করুন।

স্ট্রোকের ক্ষেত্রে প্রতিটি মিনিটই গুরুত্বপূর্ণ।

[লেখক: স্পিচ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজ থেরাপিস্ট, সেন্টার ফর দ্য রিহ্যাবিলিটেশন অব দ্য প্যারালাইজড (সিআরপি)]

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬


স্ট্রোক: এক মিনিটের দেরিতে বদলে যেতে পারে একটি জীবন

প্রকাশের তারিখ : ২৯ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

একজন মানুষ হয়তো এক মুহূর্ত আগেও স্বাভাবিকভাবে কথা বলছিলেন। হঠাৎ তার কথা জড়িয়ে গেল, মুখের এক পাশ বেঁকে গেল, একটি হাত দুর্বল হয়ে পড়ল কিংবা হাঁটতে গিয়ে ভারসাম্য হারালেন। এমন পরিবর্তন দেখে স্বজনরা অনেক সময় অপেক্ষা করেন—হয়তো কিছুক্ষণ পর ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু স্ট্রোকের ক্ষেত্রে এই অপেক্ষাই বড় ঝুঁকির কারণ হতে পারে। কারণ, প্রতিটি মুহূর্তের দেরিতে মস্তিষ্কের আরও বেশি কোষ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

২৯ অক্টোবর বিশ্ব স্ট্রোক দিবস। ২০২৬ সালের মূল বার্তা—“প্রতিটি মিনিটই গুরুত্বপূর্ণ”। দ্রুত লক্ষণ শনাক্ত করে চিকিৎসা নেওয়া জীবন বাঁচাতে এবং দীর্ঘমেয়াদি অক্ষমতা কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

বাংলাদেশেও স্ট্রোকের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্য। ২০২৫ সালের একটি বৃহৎ জনসংখ্যাভিত্তিক গবেষণায় দেশের সাত বিভাগের গ্রামীণ এলাকার ১৩ লাখ ৪১ হাজার ৫৮৯ জনের তথ্য বিশ্লেষণ করে প্রতি এক হাজারে ১.০৭ জনের স্ট্রোকের হার পাওয়া যায়। বয়স বাড়ার সঙ্গে স্ট্রোকের ঝুঁকিও বাড়ে। আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিসের উপস্থিতিও উল্লেখযোগ্য।

স্ট্রোক কী?

হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোক এক নয়। মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হলে অথবা কোনো রক্তনালি ফেটে রক্তক্ষরণ হলে স্ট্রোক হয়। রক্তের মাধ্যমে মস্তিষ্কের কোষে অক্সিজেন পৌঁছায়। রক্তনালি বন্ধ হয়ে গেলে বা ফেটে গেলে সংশ্লিষ্ট অংশের কোষ ক্ষতিগ্রস্ত হতে শুরু করে। স্ট্রোক প্রধানত দুই ধরনের—ইস্কেমিক ও হেমোরেজিক। প্রথমটি রক্তনালি বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে ঘটে। দ্বিতীয়টি ঘটে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের ফলে।

লক্ষণ চিনুন: বি. ই. ফাস্ট

স্ট্রোকের লক্ষণ দ্রুত শনাক্ত করতে ‘বি. ই. ফাস্ট’ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।

বি (ব্যালান্স): হঠাৎ ভারসাম্য হারানো।

ই (আইজ): হঠাৎ দৃষ্টির পরিবর্তন।

এফ (ফেস): মুখের এক পাশ বেঁকে যাওয়া।

এ (আর্ম): হাত বা পায়ে দুর্বলতা কিংবা অবশভাব দেখা দেওয়া।

এস (স্পিচ): কথা জড়িয়ে যাওয়া বা কথা বুঝতে সমস্যা হওয়া।

টি (টাইম): দ্রুত জরুরি চিকিৎসার ব্যবস্থা করা।

হঠাৎ তীব্র মাথাব্যথা, গিলতে সমস্যা, মাথা ঘোরা, বমি বা কোনো কোনো ক্ষেত্রে খিঁচুনিও দেখা দিতে পারে। এসব লক্ষণের যেকোনো একটি হঠাৎ দেখা দিলেও দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া জরুরি।

লক্ষণ কয়েক মিনিটের মধ্যে চলে গেলেও বিষয়টি অবহেলা করা যাবে না। এটি সাময়িক মস্তিষ্কীয় রক্তপ্রবাহের ঘাটতি বা ট্রানজিয়েন্ট ইস্কেমিক অ্যাটাক (টিআইএ) হতে পারে। এ অবস্থায় সাময়িকভাবে মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহ কমে যাওয়ায় স্ট্রোকের মতো লক্ষণ দেখা দেয়, যা পরে সেরে যেতে পারে। তবে এটি ভবিষ্যতে স্ট্রোক হওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কসংকেত।

কী করবেন?

লক্ষণ শুরু হওয়ার সময়টি মনে রাখুন এবং দ্রুত রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যান। গিলতে সমস্যা আছে কি না নিশ্চিত হওয়ার আগে খাবার, পানি বা মুখে খাওয়ার ওষুধ দেওয়া উচিত নয়। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যাসপিরিন দেওয়া থেকেও বিরত থাকতে হবে। কারণ, কিছু স্ট্রোক মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের কারণে হয়। এমন ক্ষেত্রে অ্যাসপিরিন ক্ষতি বাড়াতে পারে।

পুনর্বাসনে স্পিচ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজ থেরাপির ভূমিকা

হাসপাতালে চিকিৎসার পরও পুনর্বাসন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মস্তিষ্কের কোন অংশ কতটা আক্রান্ত হয়েছে, তার ওপর নির্ভর করে রোগীর বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

এ ক্ষেত্রে স্পিচ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজ থেরাপিস্টের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। স্ট্রোকের পর কথা বলা ও ভাষা বোঝার সমস্যা, কথা জড়িয়ে যাওয়া, চিন্তা ও যোগাযোগের সমস্যা, স্মৃতি ও মনোযোগের ঘাটতি, কণ্ঠস্বরের পরিবর্তন এবং খাবার বা তরল গিলতে অসুবিধা নিয়ে তারা কাজ করেন।

রোগীর কথা বলা, ভাষা বোঝা ও মনের ভাব প্রকাশ করা, যোগাযোগের সক্ষমতা এবং নিরাপদে গিলতে পারার ক্ষমতা মূল্যায়ন করে প্রয়োজন অনুযায়ী থেরাপির পরিকল্পনা করা হয়। পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের নিরাপদে খাবার খাওয়ানো, রোগীর সঙ্গে যোগাযোগের কার্যকর উপায় এবং দৈনন্দিন জীবনে যোগাযোগ সহজ করার কৌশল সম্পর্কেও পরামর্শ দেওয়া হয়।

প্রতিরোধও জরুরি

স্ট্রোক হওয়ার পর দ্রুত চিকিৎসার পাশাপাশি এটি প্রতিরোধেও গুরুত্ব দিতে হবে। নিয়মিত রক্তচাপ ও রক্তে শর্করা পরীক্ষা করা, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ গ্রহণ, ধূমপান এড়িয়ে চলা, লবণ ও অস্বাস্থ্যকর খাবার কম খাওয়া এবং নিয়মিত শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকা স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

পরিবারের প্রত্যেকের স্ট্রোকের প্রধান কয়েকটি লক্ষণ জানা থাকা উচিত। কারণ, রোগীর পাশে থাকা ব্যক্তিই প্রথম বুঝতে পারেন যে অস্বাভাবিক কিছু ঘটছে। তার দ্রুত সিদ্ধান্ত ও পদক্ষেপ রোগীর জীবন বাঁচাতে পারে এবং দীর্ঘমেয়াদি অক্ষমতার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে।

স্ট্রোকের ক্ষেত্রে সময় শুধু গুরুত্বপূর্ণ নয়; সময়মতো চিকিৎসা নেওয়াই জীবন বাঁচানো ও স্থায়ী অক্ষমতার ঝুঁকি কমানোর ক্ষেত্রে বড় পার্থক্য গড়ে দিতে পারে। তাই লক্ষণ চিনুন, দ্রুত ব্যবস্থা নিন এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করুন।

স্ট্রোকের ক্ষেত্রে প্রতিটি মিনিটই গুরুত্বপূর্ণ।

[লেখক: স্পিচ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজ থেরাপিস্ট, সেন্টার ফর দ্য রিহ্যাবিলিটেশন অব দ্য প্যারালাইজড (সিআরপি)]


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত