যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পরিকল্পিত দ্বিতীয় দফার যুদ্ধবিরতি আলোচনা সফল হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ হয়ে আসায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম আবারও লাফিয়ে বাড়ছে। গত সপ্তাহের কূটনৈতিক অচলাবস্থার জেরে রোববার (২৬ এপ্রিল) তেলের দাম ২ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা।
আন্তর্জাতিক বাজার বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, অপরিশোধিত তেলের
আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের দাম বর্তমানে ব্যারেল প্রতি ১০৬.৯৯
ডলারে গিয়ে ঠেকেছে। মাঝে দাম কিছুটা কমার আভাস পাওয়া গেলেও মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান
সামরিক উত্তেজনা এবং হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচলে অনিশ্চয়তা বাজারকে ফের অস্থির করে
তুলেছে।
বিশ্বের মোট জ্বালানি তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের ৫ ভাগের ১
ভাগ পরিবাহিত হয় পারস্য উপসাগরের গুরুত্বপূর্ণ এই রুট দিয়ে। মেরিটাইম ইন্টেলিজেন্স
প্ল্যাটফর্ম ‘উইন্ডওয়ার্ড’-এর তথ্য অনুযায়ী:
সংকট নিরসনে কূটনৈতিক তৎপরতা চললেও তা আলোর মুখ দেখছে না।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার বিশেষ প্রতিনিধিদের পাকিস্তান সফর বাতিল করেছেন।
অন্যদিকে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি কোনো সরাসরি বৈঠক ছাড়াই ইসলামাবাদ
ত্যাগ করেছেন। আরাগচি বর্তমানে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে
অংশ নিতে মস্কো পৌঁছেছেন।
উল্লেখ্য, ট্রাম্প দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করলেও স্থায়ী
শান্তি চুক্তির শর্তাবলী নিয়ে এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট ঐক্যমত তৈরি হয়নি।
তেলের বাজারে অস্থিরতা থাকলেও সোমবার সকালে এশিয়ার শেয়ার
বাজারগুলোতে ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে। জাপানের ‘নিক্কেই ২২৫’ সূচক ০.৯ শতাংশ
এবং দক্ষিণ কোরিয়ার ‘কসপি’ ১.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের এই অচলাবস্থা
দীর্ঘস্থায়ী হলে তেলের দাম অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যেতে পারে। এর ফলে বাংলাদেশসহ
আমদানিনির্ভর দেশগুলোর অর্থনীতিতে বড় ধরনের মূল্যস্ফীতির চাপ সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে।

সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পরিকল্পিত দ্বিতীয় দফার যুদ্ধবিরতি আলোচনা সফল হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ হয়ে আসায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম আবারও লাফিয়ে বাড়ছে। গত সপ্তাহের কূটনৈতিক অচলাবস্থার জেরে রোববার (২৬ এপ্রিল) তেলের দাম ২ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা।
আন্তর্জাতিক বাজার বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, অপরিশোধিত তেলের
আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের দাম বর্তমানে ব্যারেল প্রতি ১০৬.৯৯
ডলারে গিয়ে ঠেকেছে। মাঝে দাম কিছুটা কমার আভাস পাওয়া গেলেও মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান
সামরিক উত্তেজনা এবং হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচলে অনিশ্চয়তা বাজারকে ফের অস্থির করে
তুলেছে।
বিশ্বের মোট জ্বালানি তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের ৫ ভাগের ১
ভাগ পরিবাহিত হয় পারস্য উপসাগরের গুরুত্বপূর্ণ এই রুট দিয়ে। মেরিটাইম ইন্টেলিজেন্স
প্ল্যাটফর্ম ‘উইন্ডওয়ার্ড’-এর তথ্য অনুযায়ী:
সংকট নিরসনে কূটনৈতিক তৎপরতা চললেও তা আলোর মুখ দেখছে না।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার বিশেষ প্রতিনিধিদের পাকিস্তান সফর বাতিল করেছেন।
অন্যদিকে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি কোনো সরাসরি বৈঠক ছাড়াই ইসলামাবাদ
ত্যাগ করেছেন। আরাগচি বর্তমানে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে
অংশ নিতে মস্কো পৌঁছেছেন।
উল্লেখ্য, ট্রাম্প দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করলেও স্থায়ী
শান্তি চুক্তির শর্তাবলী নিয়ে এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট ঐক্যমত তৈরি হয়নি।
তেলের বাজারে অস্থিরতা থাকলেও সোমবার সকালে এশিয়ার শেয়ার
বাজারগুলোতে ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে। জাপানের ‘নিক্কেই ২২৫’ সূচক ০.৯ শতাংশ
এবং দক্ষিণ কোরিয়ার ‘কসপি’ ১.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের এই অচলাবস্থা
দীর্ঘস্থায়ী হলে তেলের দাম অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যেতে পারে। এর ফলে বাংলাদেশসহ
আমদানিনির্ভর দেশগুলোর অর্থনীতিতে বড় ধরনের মূল্যস্ফীতির চাপ সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন