অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, বাজারে নতুন নকশা ও সিরিজের কিছু জাল নোট পাওয়া গেলেও তার পরিমাণ অতি নগণ্য এবং সেগুলো অত্যন্ত নিম্নমানের।
মঙ্গলবার
সংসদ অধিবেশনে চাঁদপুর-২ আসনের সংসদ
সদস্য ড. মোহাম্মদ জালাল
উদ্দিনের জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ নোটিশের প্রেক্ষিতে দেওয়া বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী এই তথ্য নিশ্চিত
করেন।
তিনি
উল্লেখ করেন, সাধারণত যেকোনো নতুন নকশার নোট
বাজারে এলে জনসাধারণের কাছে
তা পুরোপুরি গ্রহণযোগ্যতা পেতে কিছুটা সময়ের
প্রয়োজন হয়।
নতুন
নোটের মান ও আইনি
প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করতে গিয়ে অর্থমন্ত্রী
জানান, স্থাপত্য শীর্ষ নতুন নকশা ও
বৈশিষ্ট্যের নোটসমূহের ডিজাইন বাংলাদেশের স্বনামধন্য চিত্রশিল্পীদের অন্তর্ভুক্ত করে গঠিত। বাংলাদেশ
ব্যাংক মুদ্রা ও নোট ডিজাইন
অ্যাডভাইজরি কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতেই এই নতুন নোটের
নকশা করা হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী
সংসদকে আশ্বস্ত করে বলেন, বাংলাদেশ
ব্যাংক অর্ডার ১৯৭২ এর ধারা
২৭ অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক পর্ষদ ও সরকারের যথাযথ
অনুমোদন নিয়েই এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন
হয়েছে। ফলে নকশা বা
আইনি কোনো বিষয়েই কোনো
ধরনের ত্রুটির সুযোগ নেই।
নোটের
কারিগরি দিক সম্পর্কে তিনি
আরও বলেন, আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্র আহ্বানের মাধ্যমে কমিটির সুপারিশ নকশার অরিজিনেশন ওয়ার্কস ও বিভিন্ন ধরনের
প্লেট আন্তর্জাতিক বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে প্রস্তুত করা হয়েছে। নতুন
নকশা ও বৈশিষ্ট্যের নোটের
নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য পূর্বের সিরিজের তুলনায় অনেক বাড়ানো হয়েছে।
নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্যের এই উন্নতির বিষয়টি
সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে যথাসময়ে জনগণকে অবহিত করা হয়েছে এবং
এটি বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইটেও প্রদর্শিত রয়েছে।
বাজারের
মুদ্রা প্রবাহের ভারসাম্য রক্ষায় সরকারের পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে
অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রতি অর্থবছরে নোটস ইন সার্কুলেশনের
সঙ্গে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির
হার সমন্বয় করা হয়। বাজার
থেকে অপ্রচলনযোগ্য বা ছেঁড়া-ফাটা
নোট অপসারণের হার বিবেচনায় নিয়ে
দ্য সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশন বাংলাদেশ লিমিটেডকে নতুন নোট মুদ্রণের
কার্যাদেশ দেওয়া হয়ে থাকে। জাল
নোট নিয়ে আতঙ্কিত না
হওয়ার জন্য তিনি দেশবাসীকে
পরামর্শ দেন।

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, বাজারে নতুন নকশা ও সিরিজের কিছু জাল নোট পাওয়া গেলেও তার পরিমাণ অতি নগণ্য এবং সেগুলো অত্যন্ত নিম্নমানের।
মঙ্গলবার
সংসদ অধিবেশনে চাঁদপুর-২ আসনের সংসদ
সদস্য ড. মোহাম্মদ জালাল
উদ্দিনের জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ নোটিশের প্রেক্ষিতে দেওয়া বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী এই তথ্য নিশ্চিত
করেন।
তিনি
উল্লেখ করেন, সাধারণত যেকোনো নতুন নকশার নোট
বাজারে এলে জনসাধারণের কাছে
তা পুরোপুরি গ্রহণযোগ্যতা পেতে কিছুটা সময়ের
প্রয়োজন হয়।
নতুন
নোটের মান ও আইনি
প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করতে গিয়ে অর্থমন্ত্রী
জানান, স্থাপত্য শীর্ষ নতুন নকশা ও
বৈশিষ্ট্যের নোটসমূহের ডিজাইন বাংলাদেশের স্বনামধন্য চিত্রশিল্পীদের অন্তর্ভুক্ত করে গঠিত। বাংলাদেশ
ব্যাংক মুদ্রা ও নোট ডিজাইন
অ্যাডভাইজরি কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতেই এই নতুন নোটের
নকশা করা হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী
সংসদকে আশ্বস্ত করে বলেন, বাংলাদেশ
ব্যাংক অর্ডার ১৯৭২ এর ধারা
২৭ অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক পর্ষদ ও সরকারের যথাযথ
অনুমোদন নিয়েই এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন
হয়েছে। ফলে নকশা বা
আইনি কোনো বিষয়েই কোনো
ধরনের ত্রুটির সুযোগ নেই।
নোটের
কারিগরি দিক সম্পর্কে তিনি
আরও বলেন, আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্র আহ্বানের মাধ্যমে কমিটির সুপারিশ নকশার অরিজিনেশন ওয়ার্কস ও বিভিন্ন ধরনের
প্লেট আন্তর্জাতিক বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে প্রস্তুত করা হয়েছে। নতুন
নকশা ও বৈশিষ্ট্যের নোটের
নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য পূর্বের সিরিজের তুলনায় অনেক বাড়ানো হয়েছে।
নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্যের এই উন্নতির বিষয়টি
সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে যথাসময়ে জনগণকে অবহিত করা হয়েছে এবং
এটি বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইটেও প্রদর্শিত রয়েছে।
বাজারের
মুদ্রা প্রবাহের ভারসাম্য রক্ষায় সরকারের পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে
অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রতি অর্থবছরে নোটস ইন সার্কুলেশনের
সঙ্গে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির
হার সমন্বয় করা হয়। বাজার
থেকে অপ্রচলনযোগ্য বা ছেঁড়া-ফাটা
নোট অপসারণের হার বিবেচনায় নিয়ে
দ্য সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশন বাংলাদেশ লিমিটেডকে নতুন নোট মুদ্রণের
কার্যাদেশ দেওয়া হয়ে থাকে। জাল
নোট নিয়ে আতঙ্কিত না
হওয়ার জন্য তিনি দেশবাসীকে
পরামর্শ দেন।

আপনার মতামত লিখুন