গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গীর কেরানীর টেক বস্তিতে মাদকবিরোধী অভিযান চালানোর সময় পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ চারটি সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করেছে। এ ঘটনায় চার পুলিশ সদস্যসহ অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে এক দম্পতিসহ সাতজনকে আটক করা হয়েছে।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) রাত পৌনে ১০টার দিকে টঙ্গীর আমতলী কেরানীর টেক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) একটি যৌথ দল ওই এলাকায় অভিযানে যায়। মাদক মামলার আসামি রুনা আক্তারের বাসার সামনে পৌঁছালে মাদক কারবারিরা চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করেন। একপর্যায়ে তারা লোক জড়ো করে পুলিশের ওপর অতর্কিত হামলা চালান। মাদক কারবারিরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ককটেল নিক্ষেপ করেন এবং পুলিশকে ঘিরে ফেলে।
হামলায় কনস্টেবল আরিফুল ইসলাম ও রাকিবুল ইসলামসহ চার পুলিশ সদস্য আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ও জানমাল রক্ষায় পুলিশ চারটি সাউন্ড গ্রেনেডের বিস্ফোরণ ঘটায়। পরে ধাওয়া দিয়ে সাতজনকে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে স্থানীয় যুবদল কর্মী শাহীন আহমেদ ও তার স্ত্রী রয়েছেন। তবে মূল অভিযুক্ত রুনা আক্তার পালিয়ে গেছেন।
অভিযান শেষে রাত সাড়ে ১২টায় টঙ্গী পূর্ব থানায় সংবাদ সম্মেলনে জিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মো. বেলায়েত হোসেন বলেন, মাদক উদ্ধারে গিয়ে পুলিশ হামলার শিকার হয়েছে। আহত পুলিশ সদস্যদের উদ্ধার করে শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা করার প্রক্রিয়া চলছে।
আপনার মতামত লিখুন