রাজধানীর নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে শুরু হয়েছে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের মহান মে দিবসের সমাবেশ। শুক্রবার দুপুর আড়াইটায় পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে এই সমাবেশের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।
সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন তারেক রহমানের।
দিবসটি উপলক্ষ্যে সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ব্যানার ও ফেস্টুন হাতে নয়াপল্টনে জড়ো হতে শুরু করেন সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
সমাবেশকে কেন্দ্র করে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে একটি বিশাল মঞ্চ নির্মাণ করা হয়েছে, যার ওপর বিছানো হয়েছে লাল কার্পেট। মঞ্চের দুই পাশে দলের প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, কারাবন্দী চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং বর্তমান চেয়ারপার্সন তারেক রহমানের বড় প্রতিকৃতি স্থাপন করা হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে নয়াপল্টন ও এর আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। পুলিশ ও অন্যান্য বাহিনীর পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট এলাকায় বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।
সমাবেশস্থলে আগতদের সতর্ক নজরদারির মধ্য দিয়ে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে প্রশাসন। বর্তমানে শ্রমিক নেতারা মঞ্চে একে একে বক্তব্য দিচ্ছেন এবং মূল আকর্ষণ হিসেবে চেয়ারপার্সনের ভাষণের অপেক্ষায় রয়েছেন উপস্থিত নেতা-কর্মীরা।

শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৬
রাজধানীর নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে শুরু হয়েছে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের মহান মে দিবসের সমাবেশ। শুক্রবার দুপুর আড়াইটায় পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে এই সমাবেশের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।
সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন তারেক রহমানের।
দিবসটি উপলক্ষ্যে সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ব্যানার ও ফেস্টুন হাতে নয়াপল্টনে জড়ো হতে শুরু করেন সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
সমাবেশকে কেন্দ্র করে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে একটি বিশাল মঞ্চ নির্মাণ করা হয়েছে, যার ওপর বিছানো হয়েছে লাল কার্পেট। মঞ্চের দুই পাশে দলের প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, কারাবন্দী চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং বর্তমান চেয়ারপার্সন তারেক রহমানের বড় প্রতিকৃতি স্থাপন করা হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে নয়াপল্টন ও এর আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। পুলিশ ও অন্যান্য বাহিনীর পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট এলাকায় বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।
সমাবেশস্থলে আগতদের সতর্ক নজরদারির মধ্য দিয়ে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে প্রশাসন। বর্তমানে শ্রমিক নেতারা মঞ্চে একে একে বক্তব্য দিচ্ছেন এবং মূল আকর্ষণ হিসেবে চেয়ারপার্সনের ভাষণের অপেক্ষায় রয়েছেন উপস্থিত নেতা-কর্মীরা।

আপনার মতামত লিখুন