প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন তারেক রহমান দেশ গড়ার নতুন লড়াইয়ে শামিল হওয়ার ডাক দিয়েছেন। তিনি বলেন, দেশ গড়ার শ্রমিক হতে নিজের নাম লেখান। আমি নিজে এবং আমার মন্ত্রিসভার সদস্যরাও শ্রমিক হিসেবে নাম লেখাতে চাই।
শুক্রবার
বিকেলে মহান মে দিবস
উপলক্ষে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল আয়োজিত এক
জনসভায় প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি দেশের প্রতিটি
মানুষকে দেশ পুনর্গঠনে ঐক্যবদ্ধ
হওয়ার এ আহ্বান জানান।
জুলাই
আন্দোলনে শহীদ ৭২ জন
শ্রমিকের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে
প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করেন, বিগত স্বৈরাচারী শাসনামলে
স্বাস্থ্য ও শিক্ষাসহ রাষ্ট্রের
প্রতিটি খাত ধ্বংস করা
হয়েছে এবং শ্রমিকদের ভাগ্য
নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হয়েছে।
২০২৪
সালে জনগণের শক্তির কাছে স্বৈরাচার বিদায়
নিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন,
এখন সময় এসেছে দেশ
গড়ার। বন্ধ হয়ে যাওয়া
কলকারখানাগুলো পর্যায়ক্রমে পুনরায় চালু করার প্রক্রিয়া
শুরু হয়েছে এবং এ বিষয়ে
দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে তিনি সংশ্লিষ্টদের
নির্দেশনা দিয়েছেন। এছাড়া দেশের ভেতরে ও বাইরে কর্মসংস্থানের
ব্যাপক সুযোগ সৃষ্টির প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
সাধারণ
মানুষের অধিকার নিশ্চিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত
করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শ্রমিক ও কৃষকরা ভালো
থাকলে তবেই বাংলাদেশ ভালো
থাকবে।
হকারদের
উচ্ছেদ প্রসঙ্গে তিনি জানান, যানজট
নিরসনে পদক্ষেপ নেওয়া হলেও তারা যেন
শান্তিপূর্ণভাবে ব্যবসা করতে পারেন, সেজন্য
সরকার ইতোমধ্যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
তিনি
আড়াই বছর আগে ঘোষিত
৩১ দফার কথা উল্লেখ
করে বলেন, সেখানে দেশের প্রতিটি মানুষের অধিকারের কথা বলা হয়েছে
এবং সরকার গঠনের পরপরই কৃষি ঋণ মওকুফ
ও কৃষক কার্ড বিতরণের
মতো প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে।
দেশের
উন্নয়ন ও ষড়যন্ত্র প্রসঙ্গে
তারেক রহমান বলেন, জিয়াউর রহমান যেভাবে প্রতিভাবানদের তুলে আনতেন, বর্তমান
সরকারও সেই ধারা অব্যাহত
রেখেছে। খাল খনন কর্মসূচির
মাধ্যমে সেচ ও পানির
অভাব দূর করা হবে।
তিনি
সতর্ক করে বলেন, যখনই
দেশ গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু
করে এবং ‘ইমার্জিং টাইগার’
হিসেবে পরিচিতি পায়, তখনই দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র শুরু হয়। ১২
তারিখের ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হওয়ার পর এখন বাংলাদেশকে
বন্ধুহীন করার চেষ্টা চলছে।
তবে বিশ্ববাসী দেখছে এটি একটি নির্বাচিত
গণতান্ত্রিক সরকার, তাই তারা এখানে
বিনিয়োগে আগ্রহী। ষড়যন্ত্রকারীদের হাত থেকে দেশকে
রক্ষা করতে সবাইকে সজাগ
ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।
শ্রমিক
দলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনের সভাপতিত্বে সমাবেশে দলের শীর্ষ নেতারাও
বক্তব্য দেন।

শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন তারেক রহমান দেশ গড়ার নতুন লড়াইয়ে শামিল হওয়ার ডাক দিয়েছেন। তিনি বলেন, দেশ গড়ার শ্রমিক হতে নিজের নাম লেখান। আমি নিজে এবং আমার মন্ত্রিসভার সদস্যরাও শ্রমিক হিসেবে নাম লেখাতে চাই।
শুক্রবার
বিকেলে মহান মে দিবস
উপলক্ষে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল আয়োজিত এক
জনসভায় প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি দেশের প্রতিটি
মানুষকে দেশ পুনর্গঠনে ঐক্যবদ্ধ
হওয়ার এ আহ্বান জানান।
জুলাই
আন্দোলনে শহীদ ৭২ জন
শ্রমিকের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে
প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করেন, বিগত স্বৈরাচারী শাসনামলে
স্বাস্থ্য ও শিক্ষাসহ রাষ্ট্রের
প্রতিটি খাত ধ্বংস করা
হয়েছে এবং শ্রমিকদের ভাগ্য
নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হয়েছে।
২০২৪
সালে জনগণের শক্তির কাছে স্বৈরাচার বিদায়
নিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন,
এখন সময় এসেছে দেশ
গড়ার। বন্ধ হয়ে যাওয়া
কলকারখানাগুলো পর্যায়ক্রমে পুনরায় চালু করার প্রক্রিয়া
শুরু হয়েছে এবং এ বিষয়ে
দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে তিনি সংশ্লিষ্টদের
নির্দেশনা দিয়েছেন। এছাড়া দেশের ভেতরে ও বাইরে কর্মসংস্থানের
ব্যাপক সুযোগ সৃষ্টির প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
সাধারণ
মানুষের অধিকার নিশ্চিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত
করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শ্রমিক ও কৃষকরা ভালো
থাকলে তবেই বাংলাদেশ ভালো
থাকবে।
হকারদের
উচ্ছেদ প্রসঙ্গে তিনি জানান, যানজট
নিরসনে পদক্ষেপ নেওয়া হলেও তারা যেন
শান্তিপূর্ণভাবে ব্যবসা করতে পারেন, সেজন্য
সরকার ইতোমধ্যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
তিনি
আড়াই বছর আগে ঘোষিত
৩১ দফার কথা উল্লেখ
করে বলেন, সেখানে দেশের প্রতিটি মানুষের অধিকারের কথা বলা হয়েছে
এবং সরকার গঠনের পরপরই কৃষি ঋণ মওকুফ
ও কৃষক কার্ড বিতরণের
মতো প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে।
দেশের
উন্নয়ন ও ষড়যন্ত্র প্রসঙ্গে
তারেক রহমান বলেন, জিয়াউর রহমান যেভাবে প্রতিভাবানদের তুলে আনতেন, বর্তমান
সরকারও সেই ধারা অব্যাহত
রেখেছে। খাল খনন কর্মসূচির
মাধ্যমে সেচ ও পানির
অভাব দূর করা হবে।
তিনি
সতর্ক করে বলেন, যখনই
দেশ গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু
করে এবং ‘ইমার্জিং টাইগার’
হিসেবে পরিচিতি পায়, তখনই দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র শুরু হয়। ১২
তারিখের ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হওয়ার পর এখন বাংলাদেশকে
বন্ধুহীন করার চেষ্টা চলছে।
তবে বিশ্ববাসী দেখছে এটি একটি নির্বাচিত
গণতান্ত্রিক সরকার, তাই তারা এখানে
বিনিয়োগে আগ্রহী। ষড়যন্ত্রকারীদের হাত থেকে দেশকে
রক্ষা করতে সবাইকে সজাগ
ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।
শ্রমিক
দলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনের সভাপতিত্বে সমাবেশে দলের শীর্ষ নেতারাও
বক্তব্য দেন।

আপনার মতামত লিখুন