সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের নাম ব্যবহার করে ভারত থেকে গবাদিপশু বা গরু আমদানির একটি তথাকথিত অনুমতিপত্র প্রচার করা হচ্ছে।
বিষয়টি
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের
দৃষ্টিগোচর হয়েছে এবং এ নিয়ে
সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য
জরুরি সতর্কবার্তা প্রদান করা হয়েছে।
শনিবার
মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রেরিত
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত
করা হয়।
মৎস্য
ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রাথমিক যাচাই-বাছাইয়ে এটি স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান
হয়েছে যে প্রচারিত অনুমতিপত্রটি
সম্পূর্ণ ভুয়া, বিভ্রান্তিকর এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে প্রস্তুত করা
হয়েছে। এই ভুয়া নথির
সঙ্গে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কোনো ধরনের সরকারি
অনুমোদন, দাপ্তরিক নথি বা প্রচলিত
প্রক্রিয়ার কোনো সামঞ্জস্য পাওয়া
যায়নি।
অধিদপ্তরের
পক্ষ থেকে সাফ জানিয়ে
দেওয়া হয়েছে, এই অনুমতিপত্রটি তাদের
দপ্তর থেকে ইস্যু করা
হয়নি। এতে ব্যবহৃত তথ্য,
রেফারেন্স নম্বর ও স্বাক্ষরসমূহ যাচাইযোগ্য
নয় এবং এটি কোনোভাবেই
বৈধ সরকারি আমদানি অনুমোদন হিসেবে গণ্য হবে না।
মৎস্য
ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সাধারণ জনগণ, ব্যবসায়ী এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে
এ ধরনের অসত্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের
ওপর ভিত্তি করে কোনো প্রকার
আর্থিক লেনদেন বা সিদ্ধান্ত গ্রহণ
না করার জন্য বিশেষভাবে
আহ্বান জানিয়েছে। একইসাথে সঠিকতা যাচাই ছাড়া এ ধরনের
ভুয়া নথি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে
শেয়ার বা প্রচার করা
থেকে বিরত থাকার জন্য
সকলকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
মন্ত্রণালয়
আরও হুঁশিয়ারি দিয়েছে, যারা এ ধরনের
ভুয়া তথ্য ও নথি
তৈরি বা প্রচার করছে,
তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা
গ্রহণ করা হতে পারে।
যেকোনো
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য তথ্যের
জন্য শুধুমাত্র প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও সংশ্লিষ্ট সরকারি
সূত্রের ওপর নির্ভর করতে
বলা হয়েছে। আমদানির মতো সংবেদনশীল বিষয়ে
প্রতারণার হাত থেকে বাঁচতে
সবাইকে সচেতন থাকার পরামর্শ দিয়েছে মন্ত্রণালয়।

রোববার, ০৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের নাম ব্যবহার করে ভারত থেকে গবাদিপশু বা গরু আমদানির একটি তথাকথিত অনুমতিপত্র প্রচার করা হচ্ছে।
বিষয়টি
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের
দৃষ্টিগোচর হয়েছে এবং এ নিয়ে
সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য
জরুরি সতর্কবার্তা প্রদান করা হয়েছে।
শনিবার
মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রেরিত
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত
করা হয়।
মৎস্য
ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রাথমিক যাচাই-বাছাইয়ে এটি স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান
হয়েছে যে প্রচারিত অনুমতিপত্রটি
সম্পূর্ণ ভুয়া, বিভ্রান্তিকর এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে প্রস্তুত করা
হয়েছে। এই ভুয়া নথির
সঙ্গে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কোনো ধরনের সরকারি
অনুমোদন, দাপ্তরিক নথি বা প্রচলিত
প্রক্রিয়ার কোনো সামঞ্জস্য পাওয়া
যায়নি।
অধিদপ্তরের
পক্ষ থেকে সাফ জানিয়ে
দেওয়া হয়েছে, এই অনুমতিপত্রটি তাদের
দপ্তর থেকে ইস্যু করা
হয়নি। এতে ব্যবহৃত তথ্য,
রেফারেন্স নম্বর ও স্বাক্ষরসমূহ যাচাইযোগ্য
নয় এবং এটি কোনোভাবেই
বৈধ সরকারি আমদানি অনুমোদন হিসেবে গণ্য হবে না।
মৎস্য
ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সাধারণ জনগণ, ব্যবসায়ী এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে
এ ধরনের অসত্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের
ওপর ভিত্তি করে কোনো প্রকার
আর্থিক লেনদেন বা সিদ্ধান্ত গ্রহণ
না করার জন্য বিশেষভাবে
আহ্বান জানিয়েছে। একইসাথে সঠিকতা যাচাই ছাড়া এ ধরনের
ভুয়া নথি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে
শেয়ার বা প্রচার করা
থেকে বিরত থাকার জন্য
সকলকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
মন্ত্রণালয়
আরও হুঁশিয়ারি দিয়েছে, যারা এ ধরনের
ভুয়া তথ্য ও নথি
তৈরি বা প্রচার করছে,
তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা
গ্রহণ করা হতে পারে।
যেকোনো
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য তথ্যের
জন্য শুধুমাত্র প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও সংশ্লিষ্ট সরকারি
সূত্রের ওপর নির্ভর করতে
বলা হয়েছে। আমদানির মতো সংবেদনশীল বিষয়ে
প্রতারণার হাত থেকে বাঁচতে
সবাইকে সচেতন থাকার পরামর্শ দিয়েছে মন্ত্রণালয়।

আপনার মতামত লিখুন