সংবাদ

মাহমুদুল হত্যা

সাবেক ডিজিএফআই পরিচালক আফজালের চতুর্থ দফায় রিমান্ডে


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ২ মে ২০২৬, ১১:২১ পিএম

সাবেক ডিজিএফআই পরিচালক আফজালের চতুর্থ দফায় রিমান্ডে

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে মাহমুদুল হাসান হত্যা মামলায় প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক পরিচালক অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল আফজাল নাছেরকে ফের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। এই নিয়ে একই মামলায় টানা চতুর্থ দফায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি পেল তদন্তকারী কর্মকর্তা।

শনিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান শুনানি শেষে দিনের এই রিমান্ডের আদেশ দেন। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই শামীম হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে গত ২৩, ২৭ ২৯ এপ্রিল ভিন্ন ভিন্ন মেয়াদে তাকে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০০৬ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত ডিজিএফআইয়ের গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন ছিলেন আফজাল নাছের। গত ২৯ মার্চ গভীর রাতে মিরপুর ডিওএইচএসের একটি বাসা থেকে তাকে আটক করে গোয়েন্দা পুলিশ। পরবর্তীতে তাকে জুলাই আন্দোলনে দেলোয়ার হোসেন হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে রিমান্ডে নেওয়া হয়। এরপর একে একে বিএনপি কর্মী মকবুল হত্যা এবং মাহমুদুল হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। দফায় দফায় রিমান্ড শেষে গতকাল তাকে পুনরায় আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন উত্তরা পূর্ব থানার এসআই মোহাম্মদ আশরাফুল আলম।

শুনানি চলাকালে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মুহাম্মদ শামছুদ্দোহা সুমন বলেন, ‘রাষ্ট্রপক্ষ থেকে আমরা রিমান্ড মঞ্জুরের পক্ষে জোরালো শুনানি করি। ঘটনার মূল রহস্য উদ্ঘাটন নেপথ্যের কারিগরদের চিহ্নিত করতে আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়। অন্যদিকে আসামিপক্ষ থেকে রিমান্ডের বিরোধিতা করে জামিন চাওয়া হলেও আদালত উভয়পক্ষের শুনানি শেষে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২০২৪ সালের আগস্ট উত্তরার আজমপুর এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মিছিলে অংশ নিয়েছিলেন মাহমুদুল হাসান। বিকেল ৪টার দিকে আজমপুর ফুট ওভার ব্রিজের নিচে পৌঁছালে আওয়ামী লীগ এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এবং তৎকালীন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা বেআইনিভাবে অস্ত্রসস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আন্দোলনকারীদের ওপর নির্বিচারে গুলিবর্ষণ করে। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে মাহমুদুল হাসান মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এই ঘটনায় গত ২৬ সেপ্টেম্বর উত্তরা পূর্ব থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছিল, যার সূত্র ধরেই বর্তমানে আফজাল নাছেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ০৩ মে ২০২৬


সাবেক ডিজিএফআই পরিচালক আফজালের চতুর্থ দফায় রিমান্ডে

প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬

featured Image

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে মাহমুদুল হাসান হত্যা মামলায় প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক পরিচালক অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল আফজাল নাছেরকে ফের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। এই নিয়ে একই মামলায় টানা চতুর্থ দফায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি পেল তদন্তকারী কর্মকর্তা।

শনিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান শুনানি শেষে দিনের এই রিমান্ডের আদেশ দেন। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই শামীম হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে গত ২৩, ২৭ ২৯ এপ্রিল ভিন্ন ভিন্ন মেয়াদে তাকে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০০৬ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত ডিজিএফআইয়ের গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন ছিলেন আফজাল নাছের। গত ২৯ মার্চ গভীর রাতে মিরপুর ডিওএইচএসের একটি বাসা থেকে তাকে আটক করে গোয়েন্দা পুলিশ। পরবর্তীতে তাকে জুলাই আন্দোলনে দেলোয়ার হোসেন হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে রিমান্ডে নেওয়া হয়। এরপর একে একে বিএনপি কর্মী মকবুল হত্যা এবং মাহমুদুল হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। দফায় দফায় রিমান্ড শেষে গতকাল তাকে পুনরায় আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন উত্তরা পূর্ব থানার এসআই মোহাম্মদ আশরাফুল আলম।

শুনানি চলাকালে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মুহাম্মদ শামছুদ্দোহা সুমন বলেন, ‘রাষ্ট্রপক্ষ থেকে আমরা রিমান্ড মঞ্জুরের পক্ষে জোরালো শুনানি করি। ঘটনার মূল রহস্য উদ্ঘাটন নেপথ্যের কারিগরদের চিহ্নিত করতে আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়। অন্যদিকে আসামিপক্ষ থেকে রিমান্ডের বিরোধিতা করে জামিন চাওয়া হলেও আদালত উভয়পক্ষের শুনানি শেষে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২০২৪ সালের আগস্ট উত্তরার আজমপুর এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মিছিলে অংশ নিয়েছিলেন মাহমুদুল হাসান। বিকেল ৪টার দিকে আজমপুর ফুট ওভার ব্রিজের নিচে পৌঁছালে আওয়ামী লীগ এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এবং তৎকালীন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা বেআইনিভাবে অস্ত্রসস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আন্দোলনকারীদের ওপর নির্বিচারে গুলিবর্ষণ করে। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে মাহমুদুল হাসান মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এই ঘটনায় গত ২৬ সেপ্টেম্বর উত্তরা পূর্ব থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছিল, যার সূত্র ধরেই বর্তমানে আফজাল নাছেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত