সংবাদ

বাউল ও লালন শিল্পীদের নিরাপত্তায় ডিসিদের কঠোর হওয়ার নির্দেশ সংস্কৃতি মন্ত্রীর


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ৫ মে ২০২৬, ০৮:২০ এএম

বাউল ও লালন শিল্পীদের নিরাপত্তায় ডিসিদের কঠোর হওয়ার নির্দেশ সংস্কৃতি মন্ত্রীর

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের আদর্শ স্মরণ করে সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেছেন, একটি উদার ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সাংস্কৃতিক বলয় তৈরি করাই বিএনপি সরকারের প্রধান উদ্দেশ্য। এ লক্ষ্যে বাউল ও লালন শিল্পীদের নিরাপত্তা প্রদান এবং জেলা পর্যায়ে দেশীয় ঐতিহ্যের পরিপন্থি অপসংস্কৃতি রোধে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) কঠোর হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন মন্ত্রী।

সোমবার (৪ মে) ঢাকার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত জেলা প্রশাসক সম্মেলনে ‘সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত’ বিশেষ অধিবেশন হয়।  উন্নত সমাজ বিনির্মাণ ও মেধাভিত্তিক জাতি গঠনে তৃণমূল পর্যায়ে সাংস্কৃতিক কার্যক্রম বেগবান করতে ডিসিদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন সরকারের নীতিনির্ধারকরা।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।

সংস্কৃতি মন্ত্রী বলেন, একটি ‘সংস্কৃতিমনস্ক মেধাবী জাতি’ গঠনই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য। দেশের ৫৬৪টি প্রত্নস্থল ও ২১টি জাদুঘরের সুরক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রতিটি উপজেলায় আধুনিক সাংস্কৃতিক অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে।

তিনি আরো বলেন, সাধারণ মানুষ যাতে সরাসরি শিল্পচর্চায় সম্পৃক্ত হতে পারে সেজন্য কাজ করছে সরকার।

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম তার বক্তব্যে মনস্তাত্ত্বিক পরিবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, অবকাঠামোগত উন্নয়নের চেয়েও মানুষের চিন্তা-চেতনা ও আচার-ব্যবহারের ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটানো একটি কঠিন বুদ্ধিবৃত্তিক কাজ। 

তিনি আরো বলেন, বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের লক্ষ্য হলো বাংলাদেশের সংস্কৃতিকে একটি উচ্চতর মাত্রায় উন্নীত করা। তিনি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটগুলোকে আরো কার্যকর করার জন্য জেলা প্রশাসকদের সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান।

মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জেলা প্রশাসকদের উদ্দেশ্যে বলেন, বর্তমান সরকার দীর্ঘ সময় পর গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত হওয়ায় জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষায় অত্যন্ত দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

তিনি বলেন, সরকারের জনকল্যাণমুখী উদ্যোগসমূহ তৃণমূল পর্যায়ে সফলভাবে বাস্তবায়নের মূল কারিগর হলেন জেলা প্রশাসকগণ। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে প্রশাসনকে আরো স্বচ্ছ ও গতিশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়ে অধিবেশনের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম (রিতা), প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ও বিভাগীয় কমিশনাররা সভায় অংশ নেন।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬


বাউল ও লালন শিল্পীদের নিরাপত্তায় ডিসিদের কঠোর হওয়ার নির্দেশ সংস্কৃতি মন্ত্রীর

প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬

featured Image

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের আদর্শ স্মরণ করে সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেছেন, একটি উদার ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সাংস্কৃতিক বলয় তৈরি করাই বিএনপি সরকারের প্রধান উদ্দেশ্য। এ লক্ষ্যে বাউল ও লালন শিল্পীদের নিরাপত্তা প্রদান এবং জেলা পর্যায়ে দেশীয় ঐতিহ্যের পরিপন্থি অপসংস্কৃতি রোধে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) কঠোর হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন মন্ত্রী।

সোমবার (৪ মে) ঢাকার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত জেলা প্রশাসক সম্মেলনে ‘সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত’ বিশেষ অধিবেশন হয়।  উন্নত সমাজ বিনির্মাণ ও মেধাভিত্তিক জাতি গঠনে তৃণমূল পর্যায়ে সাংস্কৃতিক কার্যক্রম বেগবান করতে ডিসিদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন সরকারের নীতিনির্ধারকরা।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।

সংস্কৃতি মন্ত্রী বলেন, একটি ‘সংস্কৃতিমনস্ক মেধাবী জাতি’ গঠনই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য। দেশের ৫৬৪টি প্রত্নস্থল ও ২১টি জাদুঘরের সুরক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রতিটি উপজেলায় আধুনিক সাংস্কৃতিক অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে।

তিনি আরো বলেন, সাধারণ মানুষ যাতে সরাসরি শিল্পচর্চায় সম্পৃক্ত হতে পারে সেজন্য কাজ করছে সরকার।

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম তার বক্তব্যে মনস্তাত্ত্বিক পরিবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, অবকাঠামোগত উন্নয়নের চেয়েও মানুষের চিন্তা-চেতনা ও আচার-ব্যবহারের ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটানো একটি কঠিন বুদ্ধিবৃত্তিক কাজ। 

তিনি আরো বলেন, বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের লক্ষ্য হলো বাংলাদেশের সংস্কৃতিকে একটি উচ্চতর মাত্রায় উন্নীত করা। তিনি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটগুলোকে আরো কার্যকর করার জন্য জেলা প্রশাসকদের সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান।

মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জেলা প্রশাসকদের উদ্দেশ্যে বলেন, বর্তমান সরকার দীর্ঘ সময় পর গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত হওয়ায় জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষায় অত্যন্ত দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

তিনি বলেন, সরকারের জনকল্যাণমুখী উদ্যোগসমূহ তৃণমূল পর্যায়ে সফলভাবে বাস্তবায়নের মূল কারিগর হলেন জেলা প্রশাসকগণ। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে প্রশাসনকে আরো স্বচ্ছ ও গতিশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়ে অধিবেশনের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম (রিতা), প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ও বিভাগীয় কমিশনাররা সভায় অংশ নেন।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত