বরেণ্য অভিনেতা আবুল হায়াতের অভিনয় ও নির্মাণশৈলী আবারও মুগ্ধ করেছে দর্শকদের। সম্প্রতি প্রকাশিত তার অভিনীত বিশেষ নাটক ‘যে বাঁধন যায়না ছেড়া’ দর্শকের মনে গভীর আবেগের সৃষ্টি করেছে। নাটকটিতে তার শক্তিশালী অভিনয় দর্শকদের নাড়া দেওয়ার পাশাপাশি আবেগাপ্লুত করেছে অনেককেই।
৮১ বছর বয়সেও সমানতালে
অভিনয়, চিত্রনাট্য রচনা এবং নাটক নির্মাণ করে চলেছেন আবুল হায়াত। এরই ধারাবাহিকতায়
আগামী ঈদে একটি টেলিভিশন চ্যানেলে প্রচারের জন্য নির্মাণ করেছেন বিশেষ নাটক ‘ভালোবেসেছিলাম’।
প্রখ্যাত লেখক রাবেয়া খাতুনের গল্প অবলম্বনে নির্মিত এই নাটকের চিত্রনাট্যও করেছেন
তিনি নিজেই। নাটকটিতে পেয়ার উদ্দিন চরিত্রে অভিনয় করেছেন রওনক হাসান এবং চুমকি চরিত্রে
দেখা যাবে জাকিয়া বারী মমকে। গল্পে পেয়ার উদ্দিন একজন ইঞ্জিনিয়ার এবং চুমকি একজন আর্কিটেক্ট।
তারা দু’জন ঘনিষ্ঠ বন্ধু হলেও কেউই একে অপরকে ভালোবাসার কথা প্রকাশ করে না।
এই সূক্ষ্ম সম্পর্কের
আবেগঘন গল্পই উঠে এসেছে নাটকে। রওনক হাসান জানান, অভিনয় জীবনের শুরুতে নাট্যদল নাগরিকের
সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সময় আবুল হায়াত তাকে শিখিয়েছিলেন—একজন অভিনেতাকে সবার আগে একজন ভালো
মানুষ হতে হয়। সেই শিক্ষা আজও তার জীবনে প্রভাব ফেলে। তিনি বলেন, আবুল হায়াতের মতো
একজন গুণী মানুষের লেখা ও নির্দেশনায় কাজ করা তার জন্য বড় প্রাপ্তি। নির্মাণের সময়
তিনি অত্যন্ত যতœ নিয়ে অভিনয় আদায় করে নেন, যা থেকে প্রতিনিয়ত শেখার সুযোগ হয়।
অন্যদিকে জাকিয়া
বারী মম বলেন, ছোটবেলা থেকেই আবুল হায়াতকে বাবার চরিত্রে দেখে বড় হয়েছেন তিনি। তার
মতে, দীর্ঘদিন বাবার চরিত্রে অভিনয় করেও তিনি প্রকৃত অর্থেই একজন নায়ক। সহশিল্পী হিসেবে
এবং নির্দেশকের ভূমিকায় তার সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা অত্যন্ত মূল্যবান বলেও উল্লেখ
করেন মম। তিনি আরও বলেন, এত অভিজ্ঞতা থাকা সত্ত্বেও আবুল হায়াতের কাজে কোনো আলস্য নেই;
বরং তিনি এখনও নিষ্ঠা, পরিশ্রম ও ভালোবাসা দিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন।
জাকিয়া বারী মমের
ভাষায়, বহু বছরের সাধনা, পরিশ্রম ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে আবুল হায়াত আজ শিল্পাঙ্গনের
এক বটবৃক্ষ হয়ে উঠেছেন, যার ছায়ায় নতুন প্রজন্ম অনুপ্রাণিত হচ্ছে। তার সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু
কামনাও করেন এই অভিনেত্রী। সব মিলিয়ে, আবুল হায়াতের নির্দেশনায় নির্মিত ‘ভালোবেসেছিলাম’
নাটকটি দর্শকদের জন্য হতে যাচ্ছে একটি আবেগঘন ও হৃদয়স্পর্শী উপহার।

রোববার, ১০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬
বরেণ্য অভিনেতা আবুল হায়াতের অভিনয় ও নির্মাণশৈলী আবারও মুগ্ধ করেছে দর্শকদের। সম্প্রতি প্রকাশিত তার অভিনীত বিশেষ নাটক ‘যে বাঁধন যায়না ছেড়া’ দর্শকের মনে গভীর আবেগের সৃষ্টি করেছে। নাটকটিতে তার শক্তিশালী অভিনয় দর্শকদের নাড়া দেওয়ার পাশাপাশি আবেগাপ্লুত করেছে অনেককেই।
৮১ বছর বয়সেও সমানতালে
অভিনয়, চিত্রনাট্য রচনা এবং নাটক নির্মাণ করে চলেছেন আবুল হায়াত। এরই ধারাবাহিকতায়
আগামী ঈদে একটি টেলিভিশন চ্যানেলে প্রচারের জন্য নির্মাণ করেছেন বিশেষ নাটক ‘ভালোবেসেছিলাম’।
প্রখ্যাত লেখক রাবেয়া খাতুনের গল্প অবলম্বনে নির্মিত এই নাটকের চিত্রনাট্যও করেছেন
তিনি নিজেই। নাটকটিতে পেয়ার উদ্দিন চরিত্রে অভিনয় করেছেন রওনক হাসান এবং চুমকি চরিত্রে
দেখা যাবে জাকিয়া বারী মমকে। গল্পে পেয়ার উদ্দিন একজন ইঞ্জিনিয়ার এবং চুমকি একজন আর্কিটেক্ট।
তারা দু’জন ঘনিষ্ঠ বন্ধু হলেও কেউই একে অপরকে ভালোবাসার কথা প্রকাশ করে না।
এই সূক্ষ্ম সম্পর্কের
আবেগঘন গল্পই উঠে এসেছে নাটকে। রওনক হাসান জানান, অভিনয় জীবনের শুরুতে নাট্যদল নাগরিকের
সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সময় আবুল হায়াত তাকে শিখিয়েছিলেন—একজন অভিনেতাকে সবার আগে একজন ভালো
মানুষ হতে হয়। সেই শিক্ষা আজও তার জীবনে প্রভাব ফেলে। তিনি বলেন, আবুল হায়াতের মতো
একজন গুণী মানুষের লেখা ও নির্দেশনায় কাজ করা তার জন্য বড় প্রাপ্তি। নির্মাণের সময়
তিনি অত্যন্ত যতœ নিয়ে অভিনয় আদায় করে নেন, যা থেকে প্রতিনিয়ত শেখার সুযোগ হয়।
অন্যদিকে জাকিয়া
বারী মম বলেন, ছোটবেলা থেকেই আবুল হায়াতকে বাবার চরিত্রে দেখে বড় হয়েছেন তিনি। তার
মতে, দীর্ঘদিন বাবার চরিত্রে অভিনয় করেও তিনি প্রকৃত অর্থেই একজন নায়ক। সহশিল্পী হিসেবে
এবং নির্দেশকের ভূমিকায় তার সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা অত্যন্ত মূল্যবান বলেও উল্লেখ
করেন মম। তিনি আরও বলেন, এত অভিজ্ঞতা থাকা সত্ত্বেও আবুল হায়াতের কাজে কোনো আলস্য নেই;
বরং তিনি এখনও নিষ্ঠা, পরিশ্রম ও ভালোবাসা দিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন।
জাকিয়া বারী মমের
ভাষায়, বহু বছরের সাধনা, পরিশ্রম ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে আবুল হায়াত আজ শিল্পাঙ্গনের
এক বটবৃক্ষ হয়ে উঠেছেন, যার ছায়ায় নতুন প্রজন্ম অনুপ্রাণিত হচ্ছে। তার সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু
কামনাও করেন এই অভিনেত্রী। সব মিলিয়ে, আবুল হায়াতের নির্দেশনায় নির্মিত ‘ভালোবেসেছিলাম’
নাটকটি দর্শকদের জন্য হতে যাচ্ছে একটি আবেগঘন ও হৃদয়স্পর্শী উপহার।

আপনার মতামত লিখুন