নিজের গাওয়া নতুন গান এবং ভিন্নধর্মী উপস্থাপনার কারণে আবারও আলোচনায় এসেছেন গায়ক ও সংগীত পরিচালক প্রীতম হাসান। তার সদ্য প্রকাশিত গান ‘সেকেন্ড নায়ক’ মুক্তির পরপরই দর্শক-শ্রোতাদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
প্রকাশের কয়েক ঘণ্টার
মধ্যেই গানটি অনলাইনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসে। গানটির মিউজিক ভিডিওতে রয়েছে
ব্যতিক্রমী গল্প এবং সিনেমাটিক নির্মাণশৈলী, যা এটিকে দ্রুতই আলাদা পরিচিতি দিয়েছে।
ভিডিওর গল্প ও কথায় প্রীতমের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করেছেন নুহাশ। এই সহযোগিতার ফলে গানটি
শুধু প্রেমের গল্পে সীমাবদ্ধ না থেকে এক বহুমাত্রিক অনুভূতির ক্যানভাসে পরিণত হয়েছে।
মিউজিক ভিডিওর কেন্দ্রে
রয়েছে এক ‘অদৃশ্য প্রেমিক’-এর গল্প, যিনি নিঃশব্দে ভালোবাসেন কিন্তু কোনো প্রত্যাশা
করেন না। প্রীতমের চরিত্রটি এমন একজন মানুষের প্রতীক, যে প্রিয় মানুষের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ
না হলেও বারবার নতুন রূপে নিজেকে হাজির করে। ‘সেকেন্ড নায়ক’ ধারণাটি বাস্তব জীবনের
এক মানসিক অবস্থাকেও তুলে ধরে—যেখানে ভালোবাসা থাকে, কিন্তু অধিকার থাকে না। গানের
কথায় সেই ব্যথা স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে। যেমন—“এই মেয়ে, তোমাকে ভালোবেসে ফুল কিনে দিলে,
সে ফুল দিয়ে দাও আরেক ছেলের হাতে, কিছু যায় আসে না আমার তাতে!” এই স্বীকারোক্তির মধ্যেই
লুকিয়ে আছে এক নীরব আত্মসমর্পণ। অনেক দর্শক-শ্রোতা এখানেই নিজেদের খুঁজে পাচ্ছেন বলে
মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। ভিডিওটির নির্মাণে বাংলা সিনেমার বিভিন্ন যুগের প্রতি শ্রদ্ধা
জানানো হয়েছে। মহানায়ক উত্তম কুমারের চলচ্চিত্রের দৃশ্য থেকে শুরু করে আধুনিক গ্রামীণ
প্রেক্ষাপট সবকিছুর সমন্বয় ঘটানো হয়েছে। ফলে ভিডিওটি একদিকে যেমন নস্টালজিক, অন্যদিকে
তেমনি আধুনিক ও পরীক্ষাধর্মী।
মিউজিক ভিডিওতে
প্রীতম হাসানকে দেখা গেছে একাধিক চরিত্রে—কখনও সিএনজি চালক, কখনও মাঝি, ট্রাকচালক,
এমনকি পাইলট হিসেবেও। প্রতিটি চরিত্র যেন আলাদা আলাদা অসম্পূর্ণ গল্পের অংশ, যা শেষে
এক অভিন্ন অনুভূতিতে মিলিত হয়। ভিডিওর চিত্রায়ণ, রঙ ব্যবস্থাপনা এবং শিল্প নির্দেশনার
দিক থেকেও এটি সমসাময়িক মিউজিক ভিডিওগুলোর তুলনায় বেশি পরিশীলিত বলে মনে করা হচ্ছে।
আলো-ছায়ার ব্যবহার, ফ্রেমিং এবং লোকেশন নির্বাচন—সবকিছুতেই স্পষ্ট সিনেমাটিক ভাবনা
কাজ করেছে।
ভিডিওতে আরও অভিনয় করেছেন মালাইকা চৌধুরী। তার চরিত্র সংলাপনির্ভর না হলেও অভিব্যক্তির মাধ্যমে গল্পের আবেগকে আরও শক্তিশালী করেছেন তিনি। ভিডিওর শেষাংশে একটি বিশেষ চমক রাখা হয়েছে, যেখানে একটি নোটের মাধ্যমে ‘খোকা দুই শূন্য’ নামের নতুন প্রকল্পের ইঙ্গিত দেন প্রীতম হাসান। এটি তার আগের জনপ্রিয় কাজের সিক্যুয়েল হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে ‘সেকেন্ড নায়ক’ শুধু একটি গান নয়, বরং ধারাবাহিক গল্পভিত্তিক নতুন ধরনের মিউজিক ভিডিও জগত তৈরির ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সংগীত ও নির্মাণশৈলীর দিক থেকে এই কাজটি তাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়েছে বলেও মত বিশ্লেষকদের।

সোমবার, ১১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬
নিজের গাওয়া নতুন গান এবং ভিন্নধর্মী উপস্থাপনার কারণে আবারও আলোচনায় এসেছেন গায়ক ও সংগীত পরিচালক প্রীতম হাসান। তার সদ্য প্রকাশিত গান ‘সেকেন্ড নায়ক’ মুক্তির পরপরই দর্শক-শ্রোতাদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
প্রকাশের কয়েক ঘণ্টার
মধ্যেই গানটি অনলাইনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসে। গানটির মিউজিক ভিডিওতে রয়েছে
ব্যতিক্রমী গল্প এবং সিনেমাটিক নির্মাণশৈলী, যা এটিকে দ্রুতই আলাদা পরিচিতি দিয়েছে।
ভিডিওর গল্প ও কথায় প্রীতমের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করেছেন নুহাশ। এই সহযোগিতার ফলে গানটি
শুধু প্রেমের গল্পে সীমাবদ্ধ না থেকে এক বহুমাত্রিক অনুভূতির ক্যানভাসে পরিণত হয়েছে।
মিউজিক ভিডিওর কেন্দ্রে
রয়েছে এক ‘অদৃশ্য প্রেমিক’-এর গল্প, যিনি নিঃশব্দে ভালোবাসেন কিন্তু কোনো প্রত্যাশা
করেন না। প্রীতমের চরিত্রটি এমন একজন মানুষের প্রতীক, যে প্রিয় মানুষের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ
না হলেও বারবার নতুন রূপে নিজেকে হাজির করে। ‘সেকেন্ড নায়ক’ ধারণাটি বাস্তব জীবনের
এক মানসিক অবস্থাকেও তুলে ধরে—যেখানে ভালোবাসা থাকে, কিন্তু অধিকার থাকে না। গানের
কথায় সেই ব্যথা স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে। যেমন—“এই মেয়ে, তোমাকে ভালোবেসে ফুল কিনে দিলে,
সে ফুল দিয়ে দাও আরেক ছেলের হাতে, কিছু যায় আসে না আমার তাতে!” এই স্বীকারোক্তির মধ্যেই
লুকিয়ে আছে এক নীরব আত্মসমর্পণ। অনেক দর্শক-শ্রোতা এখানেই নিজেদের খুঁজে পাচ্ছেন বলে
মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। ভিডিওটির নির্মাণে বাংলা সিনেমার বিভিন্ন যুগের প্রতি শ্রদ্ধা
জানানো হয়েছে। মহানায়ক উত্তম কুমারের চলচ্চিত্রের দৃশ্য থেকে শুরু করে আধুনিক গ্রামীণ
প্রেক্ষাপট সবকিছুর সমন্বয় ঘটানো হয়েছে। ফলে ভিডিওটি একদিকে যেমন নস্টালজিক, অন্যদিকে
তেমনি আধুনিক ও পরীক্ষাধর্মী।
মিউজিক ভিডিওতে
প্রীতম হাসানকে দেখা গেছে একাধিক চরিত্রে—কখনও সিএনজি চালক, কখনও মাঝি, ট্রাকচালক,
এমনকি পাইলট হিসেবেও। প্রতিটি চরিত্র যেন আলাদা আলাদা অসম্পূর্ণ গল্পের অংশ, যা শেষে
এক অভিন্ন অনুভূতিতে মিলিত হয়। ভিডিওর চিত্রায়ণ, রঙ ব্যবস্থাপনা এবং শিল্প নির্দেশনার
দিক থেকেও এটি সমসাময়িক মিউজিক ভিডিওগুলোর তুলনায় বেশি পরিশীলিত বলে মনে করা হচ্ছে।
আলো-ছায়ার ব্যবহার, ফ্রেমিং এবং লোকেশন নির্বাচন—সবকিছুতেই স্পষ্ট সিনেমাটিক ভাবনা
কাজ করেছে।
ভিডিওতে আরও অভিনয় করেছেন মালাইকা চৌধুরী। তার চরিত্র সংলাপনির্ভর না হলেও অভিব্যক্তির মাধ্যমে গল্পের আবেগকে আরও শক্তিশালী করেছেন তিনি। ভিডিওর শেষাংশে একটি বিশেষ চমক রাখা হয়েছে, যেখানে একটি নোটের মাধ্যমে ‘খোকা দুই শূন্য’ নামের নতুন প্রকল্পের ইঙ্গিত দেন প্রীতম হাসান। এটি তার আগের জনপ্রিয় কাজের সিক্যুয়েল হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে ‘সেকেন্ড নায়ক’ শুধু একটি গান নয়, বরং ধারাবাহিক গল্পভিত্তিক নতুন ধরনের মিউজিক ভিডিও জগত তৈরির ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সংগীত ও নির্মাণশৈলীর দিক থেকে এই কাজটি তাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়েছে বলেও মত বিশ্লেষকদের।

আপনার মতামত লিখুন