সংবাদ

চল‌তি বছরসহ আগামী ৫ বছর যে লক্ষ্যমাত্রা নি‌লো সরকার


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ১১ মে ২০২৬, ০৮:৫০ পিএম

চল‌তি বছরসহ আগামী ৫ বছর যে লক্ষ্যমাত্রা নি‌লো সরকার

সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। এই কর্মযজ্ঞ সফল করতে গঠিত বিশেষ সেলের দ্বিতীয় সভা সোমবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় জানানো হয়, কর্মসূচির প্রথম ধাপে ২০২৬ সালের মধ্যেই ৫ কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা ও নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী এই কর্মসূচি সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকারমূলক কাজ। কর্মসূচি সফল করতে স্থানীয় সরকার বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয় এবং সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগসহ বিভিন্ন দপ্তরের বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম এই সেলের মাধ্যমে সরাসরি মনিটরিং বা পর্যবেক্ষণ করা হবে।’

সভায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, ‘২০২৬ সালের মধ্যে প্রথম ধাপে ৫ কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।’ তিনি মাটির ধরন অনুযায়ী উপযুক্ত প্রজাতির গাছ লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং টেকনিক্যাল কমিটির সুপারিশ বাস্তবায়নে বন অধিদপ্তরকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেছেন, ‘শুধু বৃক্ষরোপণ করলেই হবে না, একই সঙ্গে বন উজাড় রোধেও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বন অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী দেশব্যাপী বনজ, ফলজ ও ঔষধি গাছ রোপণ করা হবে।’

কর্মসূচি বাস্তবায়নে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা আবদুল মালেক। তিনি জানান, বৈঠকে চারা সংগ্রহ থেকে শুরু করে রোপণ পরবর্তী রক্ষণাবেক্ষণ পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়াটি একটি সমন্বিত ব্যবস্থার মাধ্যমে তদারকি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সভায় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. মোঃ সাইমুম পারভেজ, ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোঃ নুরুল ইসলাম এবং টেকনিক্যাল এক্সপার্ট জামাইল বশীর জেবি উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া ভূমি, কৃষি ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ বন অধিদপ্তরের প্রধান বন সংরক্ষক ও সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ১১ মে ২০২৬


চল‌তি বছরসহ আগামী ৫ বছর যে লক্ষ্যমাত্রা নি‌লো সরকার

প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬

featured Image

সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। এই কর্মযজ্ঞ সফল করতে গঠিত বিশেষ সেলের দ্বিতীয় সভা সোমবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় জানানো হয়, কর্মসূচির প্রথম ধাপে ২০২৬ সালের মধ্যেই ৫ কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা ও নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী এই কর্মসূচি সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকারমূলক কাজ। কর্মসূচি সফল করতে স্থানীয় সরকার বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয় এবং সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগসহ বিভিন্ন দপ্তরের বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম এই সেলের মাধ্যমে সরাসরি মনিটরিং বা পর্যবেক্ষণ করা হবে।’

সভায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, ‘২০২৬ সালের মধ্যে প্রথম ধাপে ৫ কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।’ তিনি মাটির ধরন অনুযায়ী উপযুক্ত প্রজাতির গাছ লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং টেকনিক্যাল কমিটির সুপারিশ বাস্তবায়নে বন অধিদপ্তরকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেছেন, ‘শুধু বৃক্ষরোপণ করলেই হবে না, একই সঙ্গে বন উজাড় রোধেও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বন অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী দেশব্যাপী বনজ, ফলজ ও ঔষধি গাছ রোপণ করা হবে।’

কর্মসূচি বাস্তবায়নে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা আবদুল মালেক। তিনি জানান, বৈঠকে চারা সংগ্রহ থেকে শুরু করে রোপণ পরবর্তী রক্ষণাবেক্ষণ পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়াটি একটি সমন্বিত ব্যবস্থার মাধ্যমে তদারকি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সভায় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. মোঃ সাইমুম পারভেজ, ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোঃ নুরুল ইসলাম এবং টেকনিক্যাল এক্সপার্ট জামাইল বশীর জেবি উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া ভূমি, কৃষি ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ বন অধিদপ্তরের প্রধান বন সংরক্ষক ও সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত