গাজা উপত্যকায় ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের শীর্ষ কমান্ডার ইজ আল-দীন আল-হাজ্জাজকে বিমান হামলায় হত্যার দাবি করেছে ইসরায়েল। গত শুক্রবার (১৫ মে) চালানো এক বিশেষ অভিযানে তিনি প্রাণ হারান বলে দাবি করেছে তেল আবিব। তবে ইসরায়েলের এই দাবির বিষয়ে হামাসের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য বা প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।
শনিবার (১৬ মে) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি’র এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) দাবি, নিহত কমান্ডার ইজ আল-দীন আল-হাজ্জাজ ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরে ইসরায়েলে চালানো সামরিক অভিযানের অন্যতম প্রধান পরিকল্পনাকারী ছিলেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গাজা সিটির ‘আল-মুতাজ’ নামের একটি আবাসিক
ভবন লক্ষ্য করে প্রথমে দুই দিক থেকে একযোগে তিনটি শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে
ইসরায়েলি বাহিনী। ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে পুরো ভবনটিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি হয়।
তেল আবিবের দাবি, এই প্রথম হামলায় হাজ্জাজ গুরুতর আহত হন।
পরবর্তীতে আহত হাজ্জাজকে নিয়ে যখন একটি গাড়ি ওই এলাকা থেকে
দ্রুত পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল, তখন সেই গাড়িটিকে লক্ষ্য করে দ্বিতীয় দফায় ড্রোন
বা বিমান হামলা চালানো হয়। ইসরায়েলের দাবি, দ্বিতীয় এই হামলায় গাড়িতে থাকা হামাস কমান্ডারের
মৃত্যু নিশ্চিত হয়।
ফিলিস্তিনি উদ্ধারকারী ও স্থানীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে, ইসরায়েলি
বাহিনীর এই জোড়া হামলায় কমান্ডার হাজ্জাজ ছাড়াও অন্তত ৭ জন সাধারণ ফিলিস্তিনি নাগরিক
নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ। যুদ্ধবিরতি ও কূটনৈতিক আলোচনার মধ্যেই গাজায়
ইসরায়েলের এমন লক্ষ্যবস্তুভিত্তিক (টার্গেটেড) হামলায় ওই অঞ্চলে আবারও তীব্র উত্তেজনা
ছড়িয়ে পড়েছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ মে ২০২৬
গাজা উপত্যকায় ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের শীর্ষ কমান্ডার ইজ আল-দীন আল-হাজ্জাজকে বিমান হামলায় হত্যার দাবি করেছে ইসরায়েল। গত শুক্রবার (১৫ মে) চালানো এক বিশেষ অভিযানে তিনি প্রাণ হারান বলে দাবি করেছে তেল আবিব। তবে ইসরায়েলের এই দাবির বিষয়ে হামাসের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য বা প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।
শনিবার (১৬ মে) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি’র এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) দাবি, নিহত কমান্ডার ইজ আল-দীন আল-হাজ্জাজ ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরে ইসরায়েলে চালানো সামরিক অভিযানের অন্যতম প্রধান পরিকল্পনাকারী ছিলেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গাজা সিটির ‘আল-মুতাজ’ নামের একটি আবাসিক
ভবন লক্ষ্য করে প্রথমে দুই দিক থেকে একযোগে তিনটি শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে
ইসরায়েলি বাহিনী। ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে পুরো ভবনটিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি হয়।
তেল আবিবের দাবি, এই প্রথম হামলায় হাজ্জাজ গুরুতর আহত হন।
পরবর্তীতে আহত হাজ্জাজকে নিয়ে যখন একটি গাড়ি ওই এলাকা থেকে
দ্রুত পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল, তখন সেই গাড়িটিকে লক্ষ্য করে দ্বিতীয় দফায় ড্রোন
বা বিমান হামলা চালানো হয়। ইসরায়েলের দাবি, দ্বিতীয় এই হামলায় গাড়িতে থাকা হামাস কমান্ডারের
মৃত্যু নিশ্চিত হয়।
ফিলিস্তিনি উদ্ধারকারী ও স্থানীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে, ইসরায়েলি
বাহিনীর এই জোড়া হামলায় কমান্ডার হাজ্জাজ ছাড়াও অন্তত ৭ জন সাধারণ ফিলিস্তিনি নাগরিক
নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ। যুদ্ধবিরতি ও কূটনৈতিক আলোচনার মধ্যেই গাজায়
ইসরায়েলের এমন লক্ষ্যবস্তুভিত্তিক (টার্গেটেড) হামলায় ওই অঞ্চলে আবারও তীব্র উত্তেজনা
ছড়িয়ে পড়েছে।

আপনার মতামত লিখুন