যশোরের ভবদহ অঞ্চলের দীর্ঘদিনের অভিশাপ ও মারাত্মক জলাবদ্ধতা নিরসনে সরকার অত্যন্ত বাস্তবমুখী ও টেকসই পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
তিনি বলেন, "ভবদহ শুধু নির্দিষ্ট একটি এলাকার সমস্যা
নয়; এটি পুরো দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকা, পরিবেশ এবং অর্থনীতির সঙ্গে
জড়িত একটি বড় সংকট। তাই এবার সরকার স্থানীয় জনগণের মতামতকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়ে
এই সংকটের স্থায়ী সমাধানের পথে এগোচ্ছে।"
শনিবার (১৬ মে) যশোর শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে বাংলাদেশ
পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) আয়োজিত ‘ভবদহ এলাকার নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন ও শিবসা-পশুর
নদী অববাহিকার পলি ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা’ শীর্ষক এক মতবিনিময় কর্মশালায় প্রধান অতিথির
বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অতীতে ভবদহ সমস্যা সমাধানে নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের সমালোচনা
করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “অতীতে নানা উদ্যোগ নেওয়া হলেও দীর্ঘমেয়াদি ও সুদূরপ্রসারী
পরিকল্পনার অভাবে এই সমস্যার পুরোপুরি সমাধান সম্ভব হয়নি। তবে এবার বিজ্ঞানভিত্তিক
সমীক্ষা, আধুনিক নদী ব্যবস্থাপনা এবং স্থানীয় মানুষের সরাসরি অংশগ্রহণের মাধ্যমে একটি
স্থায়ী ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, নদীকে বাঁচাতে হলে তার প্রাকৃতিক প্রবাহ
সচল রাখা জরুরি। এই জন্য পরিকল্পিতভাবে টিআরএম (জোয়ারভাটা আধার বা টাইডাল রিভার ম্যানেজমেন্ট)-সহ
প্রয়োজনীয় সব কার্যক্রম বাস্তবায়ন করতে হবে। একই সঙ্গে ওই অঞ্চলের কৃষি, পরিবেশ এবং
মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রার ভারসাম্য রক্ষার দিকেও বর্তমান সরকার বিশেষ গুরুত্ব
দিচ্ছে।
উক্ত কর্মশালায় ভবদহ ও বিল ডাকাতিয়া এলাকার স্থায়ী জলাবদ্ধতা
নিরসনে নদী খনন, পানি নিষ্কাশনের জন্য অতিরিক্ত শক্তিশালী পাম্প স্থাপন, নতুন সংযোগ
খাল নির্মাণ, স্লুইস গেট ও রেগুলেটর সংস্কার এবং টিআরএম কার্যক্রম পুনরায় চালুর বিষয়ে
বিভিন্ন কারিগরি প্রস্তাব তুলে ধরা হয়।
কর্মশালায় উপস্থিত বক্তা ও বিশেষজ্ঞরা আশা প্রকাশ করেন, স্থানীয়
জনগণের সক্রিয় সহযোগিতা এবং সঠিক তদারকির মাধ্যমে এই পরিকল্পনাগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন
করা গেলে ভবদহ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘ চার দশকের জলাবদ্ধতা সমস্যার একটি স্থায়ী ও টেকসই
সমাধান সম্ভব হবে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ মে ২০২৬
যশোরের ভবদহ অঞ্চলের দীর্ঘদিনের অভিশাপ ও মারাত্মক জলাবদ্ধতা নিরসনে সরকার অত্যন্ত বাস্তবমুখী ও টেকসই পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
তিনি বলেন, "ভবদহ শুধু নির্দিষ্ট একটি এলাকার সমস্যা
নয়; এটি পুরো দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকা, পরিবেশ এবং অর্থনীতির সঙ্গে
জড়িত একটি বড় সংকট। তাই এবার সরকার স্থানীয় জনগণের মতামতকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়ে
এই সংকটের স্থায়ী সমাধানের পথে এগোচ্ছে।"
শনিবার (১৬ মে) যশোর শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে বাংলাদেশ
পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) আয়োজিত ‘ভবদহ এলাকার নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন ও শিবসা-পশুর
নদী অববাহিকার পলি ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা’ শীর্ষক এক মতবিনিময় কর্মশালায় প্রধান অতিথির
বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অতীতে ভবদহ সমস্যা সমাধানে নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের সমালোচনা
করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “অতীতে নানা উদ্যোগ নেওয়া হলেও দীর্ঘমেয়াদি ও সুদূরপ্রসারী
পরিকল্পনার অভাবে এই সমস্যার পুরোপুরি সমাধান সম্ভব হয়নি। তবে এবার বিজ্ঞানভিত্তিক
সমীক্ষা, আধুনিক নদী ব্যবস্থাপনা এবং স্থানীয় মানুষের সরাসরি অংশগ্রহণের মাধ্যমে একটি
স্থায়ী ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, নদীকে বাঁচাতে হলে তার প্রাকৃতিক প্রবাহ
সচল রাখা জরুরি। এই জন্য পরিকল্পিতভাবে টিআরএম (জোয়ারভাটা আধার বা টাইডাল রিভার ম্যানেজমেন্ট)-সহ
প্রয়োজনীয় সব কার্যক্রম বাস্তবায়ন করতে হবে। একই সঙ্গে ওই অঞ্চলের কৃষি, পরিবেশ এবং
মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রার ভারসাম্য রক্ষার দিকেও বর্তমান সরকার বিশেষ গুরুত্ব
দিচ্ছে।
উক্ত কর্মশালায় ভবদহ ও বিল ডাকাতিয়া এলাকার স্থায়ী জলাবদ্ধতা
নিরসনে নদী খনন, পানি নিষ্কাশনের জন্য অতিরিক্ত শক্তিশালী পাম্প স্থাপন, নতুন সংযোগ
খাল নির্মাণ, স্লুইস গেট ও রেগুলেটর সংস্কার এবং টিআরএম কার্যক্রম পুনরায় চালুর বিষয়ে
বিভিন্ন কারিগরি প্রস্তাব তুলে ধরা হয়।
কর্মশালায় উপস্থিত বক্তা ও বিশেষজ্ঞরা আশা প্রকাশ করেন, স্থানীয়
জনগণের সক্রিয় সহযোগিতা এবং সঠিক তদারকির মাধ্যমে এই পরিকল্পনাগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন
করা গেলে ভবদহ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘ চার দশকের জলাবদ্ধতা সমস্যার একটি স্থায়ী ও টেকসই
সমাধান সম্ভব হবে।

আপনার মতামত লিখুন