সংবাদ

সুচিকিৎসায় এক সপ্তাহের মধ্যে হাম সংকট নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব: বিশেষজ্ঞ মহলের দাবি


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৬ মে ২০২৬, ০১:৪৮ পিএম

সুচিকিৎসায় এক সপ্তাহের মধ্যে হাম সংকট নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব: বিশেষজ্ঞ মহলের দাবি

হামের বিস্তার ও জটিলতা কমাতে না পারলে, কেবল আইসিইউর (ICU) সংখ্যা বৃদ্ধি করেও এই সংকট মোকাবিলা করা সম্ভব হবে না। তবে মাঠপর্যায়ে রোগের বিস্তার রোধ এবং আক্রান্তদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করা গেলে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব এমনটাই জানিয়েছেন বিশিষ্ট জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. মোস্তাক আহমেদ।

শনিবার (১৬ মে) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) আয়োজিত 'হামে শিশু মৃত্যু: জনস্বাস্থ্য সংকট ও উত্তরণের পথ' শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

সংবাদ সম্মেলনে ডা. মোস্তাক আহমেদ অভিযোগ করে বলেন, বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের অবহেলার কারণেই এই সংকট আজকের এই পর্যায়ে পৌঁছেছে। তবে বর্তমান সময়ে আক্রান্ত শিশুদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত না করা, হাসপাতালে অপর্যাপ্ত আইসিইউ বেড এবং চিকিৎসা ব্যবস্থাকে সাধারণ মানুষের জন্য সহজলভ্য করতে না পারার দায় বর্তমান সরকারও এড়াতে পারে না।

উক্ত সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. লেলিন চৌধুরী। রোগ প্রতিরোধের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করে সরকারকে দ্রুত কার্যকর কর্মসূচি গ্রহণের পরামর্শ দেন তিনি। ডা. লেলিন বলেন, “অত্যন্ত ছোঁয়াচে এই রোগটি প্রতিরোধে এবং শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে 'ভিটামিন এ' ক্যাপসুল বেশ কার্যকর ভূমিকা পালন করে।”

সংবাদ সম্মেলন থেকে উত্থাপিত প্রধান দাবিগুলো:

ভিটামিন এ ক্যাপসুল: ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের নিয়মিত বিরতিতে সরকারি উদ্যোগে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর ব্যবস্থা করতে হবে।

জবাবদিহিতা: হামের প্রকোপ রোধে যাদের গাফিলতি রয়েছে, তাদের চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনতে হবে।

টিকা উৎপাদন: ভবিষ্যতে এমন সংকট এড়াতে দেশের ভেতরেই হামের টিকা উৎপাদনে সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে।

হাসপাতাল সচল করা: দেশের ছয়টি বিভাগে নির্মাণাধীন বা নির্ধারিত শিশু হাসপাতালগুলো দ্রুত পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করতে হবে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সরকারের টিকাদান কর্মসূচির পাশাপাশি প্রতিটি ঘরে ঘরে হামের বিষয়ে সচেতনতা তৈরি এবং দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা গেলে এই জনস্বাস্থ্য সংকট থেকে দ্রুত মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

 

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬


সুচিকিৎসায় এক সপ্তাহের মধ্যে হাম সংকট নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব: বিশেষজ্ঞ মহলের দাবি

প্রকাশের তারিখ : ১৬ মে ২০২৬

featured Image

হামের বিস্তার ও জটিলতা কমাতে না পারলে, কেবল আইসিইউর (ICU) সংখ্যা বৃদ্ধি করেও এই সংকট মোকাবিলা করা সম্ভব হবে না। তবে মাঠপর্যায়ে রোগের বিস্তার রোধ এবং আক্রান্তদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করা গেলে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব এমনটাই জানিয়েছেন বিশিষ্ট জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. মোস্তাক আহমেদ।

শনিবার (১৬ মে) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) আয়োজিত 'হামে শিশু মৃত্যু: জনস্বাস্থ্য সংকট ও উত্তরণের পথ' শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

সংবাদ সম্মেলনে ডা. মোস্তাক আহমেদ অভিযোগ করে বলেন, বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের অবহেলার কারণেই এই সংকট আজকের এই পর্যায়ে পৌঁছেছে। তবে বর্তমান সময়ে আক্রান্ত শিশুদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত না করা, হাসপাতালে অপর্যাপ্ত আইসিইউ বেড এবং চিকিৎসা ব্যবস্থাকে সাধারণ মানুষের জন্য সহজলভ্য করতে না পারার দায় বর্তমান সরকারও এড়াতে পারে না।

উক্ত সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. লেলিন চৌধুরী। রোগ প্রতিরোধের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করে সরকারকে দ্রুত কার্যকর কর্মসূচি গ্রহণের পরামর্শ দেন তিনি। ডা. লেলিন বলেন, “অত্যন্ত ছোঁয়াচে এই রোগটি প্রতিরোধে এবং শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে 'ভিটামিন এ' ক্যাপসুল বেশ কার্যকর ভূমিকা পালন করে।”

সংবাদ সম্মেলন থেকে উত্থাপিত প্রধান দাবিগুলো:

ভিটামিন এ ক্যাপসুল: ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের নিয়মিত বিরতিতে সরকারি উদ্যোগে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর ব্যবস্থা করতে হবে।

জবাবদিহিতা: হামের প্রকোপ রোধে যাদের গাফিলতি রয়েছে, তাদের চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনতে হবে।

টিকা উৎপাদন: ভবিষ্যতে এমন সংকট এড়াতে দেশের ভেতরেই হামের টিকা উৎপাদনে সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে।

হাসপাতাল সচল করা: দেশের ছয়টি বিভাগে নির্মাণাধীন বা নির্ধারিত শিশু হাসপাতালগুলো দ্রুত পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করতে হবে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সরকারের টিকাদান কর্মসূচির পাশাপাশি প্রতিটি ঘরে ঘরে হামের বিষয়ে সচেতনতা তৈরি এবং দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা গেলে এই জনস্বাস্থ্য সংকট থেকে দ্রুত মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

 


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত