সব আইনি বাধা পেরিয়ে অবশেষে কারামুক্তির চূড়ান্ত আলো দেখতে যাচ্ছে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের (নাসিক) সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী। সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় করা শেষ দুটি মামলায়ও তার জামিন বহাল রেখেছে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত।
রবিবার
(১৭ মে) চেম্বার বিচারপতি
মো. রেজাউল হকের আদালত এই
আদেশ প্রদান করে। এর ফলে
সাবেক এই মেয়রের বিরুদ্ধে
দায়ের হওয়া মোট ১২টি
মামলার সবকটিতেই জামিন বহাল রইল, যার
ফলে তার কারামুক্তিতে আর
কোনো আইনি বাধা নেই।
চেম্বার
আদালতে এই দুই মামলায়
জামিন পাওয়ার পর আইভীর আইনজীবী
মোতাহার হোসেন সাজু গণমাধ্যমকে তার
মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ‘তাকে
যেনো আর হয়রানি না
করা হয় সে বিষয়ে
আগেই রুল জারি করেছে
হাইকোর্ট।’
এর আগে গত ২৬
এপ্রিল হাইকোর্ট এক আদেশে জানতে
চেয়েছিল, শুধু হয়রানি ও
অপদস্থ করার উদ্দেশ্যে বারবার
এবং মিথ্যা প্রকৃতির মামলায় আবেদনকারীকে জড়ানোর কার্যক্রম কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত
ঘোষণা করা হবে না।
একই সঙ্গে সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া তাকে গ্রেপ্তার
না দেখাতে এবং হয়রানি না
করতে নির্দেশ দিয়েছিল আদালত।
গত ১০ মে বৈষম্যবিরোধী
আন্দোলনের ঘটনায় হত্যাসহ পৃথক ১০ মামলায়
আইভীকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল রেখেছিল প্রধান
বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ। গত
বছরের নভেম্বরে প্রথম দফায় ৫টি মামলায়
এবং পরবর্তীতে ১৮ নভেম্বর আরও
৫টি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো
হয়েছিল। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে
গত ৩০ এপ্রিল বাকি
থাকা শেষ দুই মামলায়
হাইকোর্ট তাকে জামিন দেয়,
যা আজ চেম্বার আদালতে
বহাল থাকে।
উল্লেখ্য,
আইভীর বিরুদ্ধে করা ১২টি মামলার
মধ্যে ৭টির এজাহারেই তার
নাম ছিল না। গত
বছরের ৯ মে ভোরে
নারায়ণগঞ্জ শহরের নিজ বাসা থেকে
তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এক
বছর পার হলেও তার
বিরুদ্ধে করা মামলাগুলোর তদন্ত
এখনো শেষ করতে পারেনি
পুলিশ।

সোমবার, ১৮ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ মে ২০২৬
সব আইনি বাধা পেরিয়ে অবশেষে কারামুক্তির চূড়ান্ত আলো দেখতে যাচ্ছে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের (নাসিক) সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী। সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় করা শেষ দুটি মামলায়ও তার জামিন বহাল রেখেছে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত।
রবিবার
(১৭ মে) চেম্বার বিচারপতি
মো. রেজাউল হকের আদালত এই
আদেশ প্রদান করে। এর ফলে
সাবেক এই মেয়রের বিরুদ্ধে
দায়ের হওয়া মোট ১২টি
মামলার সবকটিতেই জামিন বহাল রইল, যার
ফলে তার কারামুক্তিতে আর
কোনো আইনি বাধা নেই।
চেম্বার
আদালতে এই দুই মামলায়
জামিন পাওয়ার পর আইভীর আইনজীবী
মোতাহার হোসেন সাজু গণমাধ্যমকে তার
মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ‘তাকে
যেনো আর হয়রানি না
করা হয় সে বিষয়ে
আগেই রুল জারি করেছে
হাইকোর্ট।’
এর আগে গত ২৬
এপ্রিল হাইকোর্ট এক আদেশে জানতে
চেয়েছিল, শুধু হয়রানি ও
অপদস্থ করার উদ্দেশ্যে বারবার
এবং মিথ্যা প্রকৃতির মামলায় আবেদনকারীকে জড়ানোর কার্যক্রম কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত
ঘোষণা করা হবে না।
একই সঙ্গে সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া তাকে গ্রেপ্তার
না দেখাতে এবং হয়রানি না
করতে নির্দেশ দিয়েছিল আদালত।
গত ১০ মে বৈষম্যবিরোধী
আন্দোলনের ঘটনায় হত্যাসহ পৃথক ১০ মামলায়
আইভীকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল রেখেছিল প্রধান
বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ। গত
বছরের নভেম্বরে প্রথম দফায় ৫টি মামলায়
এবং পরবর্তীতে ১৮ নভেম্বর আরও
৫টি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো
হয়েছিল। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে
গত ৩০ এপ্রিল বাকি
থাকা শেষ দুই মামলায়
হাইকোর্ট তাকে জামিন দেয়,
যা আজ চেম্বার আদালতে
বহাল থাকে।
উল্লেখ্য,
আইভীর বিরুদ্ধে করা ১২টি মামলার
মধ্যে ৭টির এজাহারেই তার
নাম ছিল না। গত
বছরের ৯ মে ভোরে
নারায়ণগঞ্জ শহরের নিজ বাসা থেকে
তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এক
বছর পার হলেও তার
বিরুদ্ধে করা মামলাগুলোর তদন্ত
এখনো শেষ করতে পারেনি
পুলিশ।

আপনার মতামত লিখুন