জুলাই আন্দোলনে রংপুরে পুলিশের গুলিতে নিহত বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যা মামলার প্রধান আসামি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য (ভিসি) হাসিবুর রশিদকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল
ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রবিবার দুপুরে এই আদেশ দেন।
প্যানেলের অপর দুই সদস্য হলেন: বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ এবং বিচারক নূর মোহাম্মদ
শাহরিয়ার কবীর। এর আগে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে দুপুর ১২টা ২৪ মিনিটে তাকে ট্রাইব্যুনালে
হাজির করা হয়।
শনিবার রাতে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের সলিমুল্লাহ রোডের একটি বাসা
থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি সেখানে দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে ছিলেন। স্থানীয় ছাত্রদলের
নেতাকর্মীরা তাকে ওই বাসায় আটকে রেখে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ গিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।
গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের
পর থেকেই তিনি পলাতক ছিলেন। গত ৯ এপ্রিল আবু সাঈদ হত্যায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের
মামলায় ট্রাইব্যুনাল-২ মামলার প্রধান আসামি হাসিবুর রশিদসহ ২৮ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে
সাজা দেন। ওই রায়ে সাবেক এই ভিসিকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
রবিবার আদালতে প্রসিকিউশনের পক্ষে চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম
সাবেক ভিসি হাসিবুর রশিদকে সাজা পরোয়ানা মূলে কারাগারে পাঠানোর আবেদন জানান।
ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রসিকিউটর
ফারুক আহাম্মদ বলেন, “গত ৯ এপ্রিল শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেন ট্রাইব্যুনাল-২।
এ মামলায় ১০ বছরের সাজা পেয়েছেন বেরোবির তৎকালীন ভিসি হাসিবুর রশিদ। তবে দীর্ঘদিন আত্মগোপনে
ছিলেন তিনি। গ্রেপ্তারের পর তাকে আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। আমরা সাজা পরোয়ানামূলে
কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানোর আবেদন করি। ট্রাইব্যুনাল তা মঞ্জুর করে হাসিবুর রশিদকে
কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।”
সাবেক ভিসির উচ্চ আদালতে আপিলের সুযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রসিকিউটর
ফারুক বলেন, রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি এখনও প্রকাশ হয়নি। তাই রায় পাওয়া সাপেক্ষে উচ্চ
আদালতে আপিল করতে পারবেন হাসিবুর রশিদ। অর্থাৎ পূর্ণাঙ্গ রায় পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে
তিনি এটি করতে পারবেন। তবে উচ্চ আদালতেও তার এ সাজা বহাল থাকবে বলে আমরা আশা করছি।

সোমবার, ১৮ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ মে ২০২৬
জুলাই আন্দোলনে রংপুরে পুলিশের গুলিতে নিহত বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যা মামলার প্রধান আসামি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য (ভিসি) হাসিবুর রশিদকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল
ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রবিবার দুপুরে এই আদেশ দেন।
প্যানেলের অপর দুই সদস্য হলেন: বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ এবং বিচারক নূর মোহাম্মদ
শাহরিয়ার কবীর। এর আগে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে দুপুর ১২টা ২৪ মিনিটে তাকে ট্রাইব্যুনালে
হাজির করা হয়।
শনিবার রাতে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের সলিমুল্লাহ রোডের একটি বাসা
থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি সেখানে দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে ছিলেন। স্থানীয় ছাত্রদলের
নেতাকর্মীরা তাকে ওই বাসায় আটকে রেখে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ গিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।
গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের
পর থেকেই তিনি পলাতক ছিলেন। গত ৯ এপ্রিল আবু সাঈদ হত্যায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের
মামলায় ট্রাইব্যুনাল-২ মামলার প্রধান আসামি হাসিবুর রশিদসহ ২৮ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে
সাজা দেন। ওই রায়ে সাবেক এই ভিসিকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
রবিবার আদালতে প্রসিকিউশনের পক্ষে চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম
সাবেক ভিসি হাসিবুর রশিদকে সাজা পরোয়ানা মূলে কারাগারে পাঠানোর আবেদন জানান।
ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রসিকিউটর
ফারুক আহাম্মদ বলেন, “গত ৯ এপ্রিল শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেন ট্রাইব্যুনাল-২।
এ মামলায় ১০ বছরের সাজা পেয়েছেন বেরোবির তৎকালীন ভিসি হাসিবুর রশিদ। তবে দীর্ঘদিন আত্মগোপনে
ছিলেন তিনি। গ্রেপ্তারের পর তাকে আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। আমরা সাজা পরোয়ানামূলে
কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানোর আবেদন করি। ট্রাইব্যুনাল তা মঞ্জুর করে হাসিবুর রশিদকে
কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।”
সাবেক ভিসির উচ্চ আদালতে আপিলের সুযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রসিকিউটর
ফারুক বলেন, রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি এখনও প্রকাশ হয়নি। তাই রায় পাওয়া সাপেক্ষে উচ্চ
আদালতে আপিল করতে পারবেন হাসিবুর রশিদ। অর্থাৎ পূর্ণাঙ্গ রায় পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে
তিনি এটি করতে পারবেন। তবে উচ্চ আদালতেও তার এ সাজা বহাল থাকবে বলে আমরা আশা করছি।

আপনার মতামত লিখুন