হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ চোরাই মালামাল ও ৫৫টি মোবাইল ফোনসহ অজ্ঞান পার্টির মূলহোতাকে গ্রেপ্তার করেছে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)।
শনিবার
বিমানবন্দরে এক ব্যক্তি অজ্ঞান
পার্টির খপ্পরে পড়ার পর তাজুল
ইসলাম নামের এই চক্রের প্রধানকে
আটক করা হয়। রবিবার
এ তথ্য নিশ্চিত করে
এপিবিএন জানায়, গ্রেপ্তার তাজুল ইসলামের বয়স ৪৮ বছর।
এপিবিএনের
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আরাফাত হোসেন
নামের এক তরুণ তার
খালাতো ভাইকে বিদায় জানাতে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আসেন। বিদায় পর্ব শেষে বহির্গমন
এলাকায় অবস্থানকালে আরাফাতকে কফি পানের প্রস্তাব
দেন তাজুল। সরল বিশ্বাসে কফি
পান করার পরপরই আরাফাত
অজ্ঞান হয়ে পড়েন। তাৎক্ষণিক
অভিযান চালিয়ে এপিবিএন সদস্যরা তাজুলকে আটক করেন এবং
তার দেহ ও ব্যাগ
তল্লাশি করে ভুক্তভোগী আরাফাতের
দুটি মোবাইল ও নগদ অর্থ
উদ্ধার করেন। এ সময় তার
ব্যাগ থেকে ১৫টি চেতনানাশক
ট্যাবলেটও উদ্ধার করা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে
তাজুল জানান, তারা বাস বা
রেলস্টেশনে গিয়ে নিশানা করা
ব্যক্তিদের সঙ্গে কথাবার্তার মাধ্যমে ঘনিষ্ঠতা তৈরি করেন। পরে
চা, কফি বা কোমল
পানীয়র সঙ্গে চেতনানাশক ওষুধ মিশিয়ে তাদের
অজ্ঞান করে মালামাল হাতিয়ে
নেন। মাঝে মাঝে শারীরিকভাবে
অক্ষম বা অসুস্থ ব্যক্তির
অভিনয়ও করেন তারা, যাতে
ভুক্তভোগী সন্দেহ না করে।
আটক
তাজুলকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এপিবিএন জানতে
পারে, তিনি আরও চার-পাঁচজনের সমন্বয়ে একটি চক্র গড়ে
তুলেছেন এবং চুরিকৃত মালামাল
মিরপুরের দারুসসালাম এলাকার একটি আবাসিক হোটেলের
কক্ষে সংরক্ষণ করতেন।
এর ভিত্তিতে বিমানবন্দর ১৩ এপিবিএনের সহকারী
পুলিশ সুপার ফাউজুল কবীর মঈনের নেতৃত্বে
একটি দল দারুসসালামের ‘হোটেল
রয়েল’-এ অভিযান চালায়।
সেখান থেকে ৫৫টি বিভিন্ন
মডেলের মোবাইল ফোন, ১০টি ইয়ারবাড,
১৫টি হাতঘড়ি, চেতনানাশক ট্যাবলেট ও পুরিয়া, নগদ
২ লাখ ২৩ হাজার
টাকা এবং বিদেশি মুদ্রা
উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী আরাফাত হোসেন বাদী হয়ে বিমানবন্দর
থানায় একটি মামলা দায়ের
করেছেন। পুরো চক্রটিকে নিয়ন্ত্রণে
কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বিমানবন্দর এপিবিএনের
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপারেশনস্) অনিতা রানী সূত্রধর বলেন,
‘বিমানবন্দর এলাকায় অজ্ঞান পার্টি প্রতিরোধ ও অন্যান্য অপরাধ
দমনে আমাদের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।’

সোমবার, ১৮ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ মে ২০২৬
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ চোরাই মালামাল ও ৫৫টি মোবাইল ফোনসহ অজ্ঞান পার্টির মূলহোতাকে গ্রেপ্তার করেছে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)।
শনিবার
বিমানবন্দরে এক ব্যক্তি অজ্ঞান
পার্টির খপ্পরে পড়ার পর তাজুল
ইসলাম নামের এই চক্রের প্রধানকে
আটক করা হয়। রবিবার
এ তথ্য নিশ্চিত করে
এপিবিএন জানায়, গ্রেপ্তার তাজুল ইসলামের বয়স ৪৮ বছর।
এপিবিএনের
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আরাফাত হোসেন
নামের এক তরুণ তার
খালাতো ভাইকে বিদায় জানাতে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আসেন। বিদায় পর্ব শেষে বহির্গমন
এলাকায় অবস্থানকালে আরাফাতকে কফি পানের প্রস্তাব
দেন তাজুল। সরল বিশ্বাসে কফি
পান করার পরপরই আরাফাত
অজ্ঞান হয়ে পড়েন। তাৎক্ষণিক
অভিযান চালিয়ে এপিবিএন সদস্যরা তাজুলকে আটক করেন এবং
তার দেহ ও ব্যাগ
তল্লাশি করে ভুক্তভোগী আরাফাতের
দুটি মোবাইল ও নগদ অর্থ
উদ্ধার করেন। এ সময় তার
ব্যাগ থেকে ১৫টি চেতনানাশক
ট্যাবলেটও উদ্ধার করা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে
তাজুল জানান, তারা বাস বা
রেলস্টেশনে গিয়ে নিশানা করা
ব্যক্তিদের সঙ্গে কথাবার্তার মাধ্যমে ঘনিষ্ঠতা তৈরি করেন। পরে
চা, কফি বা কোমল
পানীয়র সঙ্গে চেতনানাশক ওষুধ মিশিয়ে তাদের
অজ্ঞান করে মালামাল হাতিয়ে
নেন। মাঝে মাঝে শারীরিকভাবে
অক্ষম বা অসুস্থ ব্যক্তির
অভিনয়ও করেন তারা, যাতে
ভুক্তভোগী সন্দেহ না করে।
আটক
তাজুলকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এপিবিএন জানতে
পারে, তিনি আরও চার-পাঁচজনের সমন্বয়ে একটি চক্র গড়ে
তুলেছেন এবং চুরিকৃত মালামাল
মিরপুরের দারুসসালাম এলাকার একটি আবাসিক হোটেলের
কক্ষে সংরক্ষণ করতেন।
এর ভিত্তিতে বিমানবন্দর ১৩ এপিবিএনের সহকারী
পুলিশ সুপার ফাউজুল কবীর মঈনের নেতৃত্বে
একটি দল দারুসসালামের ‘হোটেল
রয়েল’-এ অভিযান চালায়।
সেখান থেকে ৫৫টি বিভিন্ন
মডেলের মোবাইল ফোন, ১০টি ইয়ারবাড,
১৫টি হাতঘড়ি, চেতনানাশক ট্যাবলেট ও পুরিয়া, নগদ
২ লাখ ২৩ হাজার
টাকা এবং বিদেশি মুদ্রা
উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী আরাফাত হোসেন বাদী হয়ে বিমানবন্দর
থানায় একটি মামলা দায়ের
করেছেন। পুরো চক্রটিকে নিয়ন্ত্রণে
কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বিমানবন্দর এপিবিএনের
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপারেশনস্) অনিতা রানী সূত্রধর বলেন,
‘বিমানবন্দর এলাকায় অজ্ঞান পার্টি প্রতিরোধ ও অন্যান্য অপরাধ
দমনে আমাদের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।’

আপনার মতামত লিখুন