সংবাদ

ওবায়দুল কাদের-আরাফাতসহ ৭ নেতার মামলার যুক্তিতর্ক পেছালো


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৭ মে ২০২৬, ১০:২৭ পিএম

ওবায়দুল কাদের-আরাফাতসহ ৭ নেতার মামলার যুক্তিতর্ক পেছালো

জুলাই আন্দোলনে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়া আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন পিছিয়ে আগামী ১৪ জুন ধার্য করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

রবিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল- এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ প্রসিকিউশনের সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে নতুন এই দিন ঠিক করেন। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন: বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

আদালতে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম। তিনি মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য প্রস্তুতি নিতে সময়ের আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করে।

শুনানিকালে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ, আবদুস সাত্তার পালোয়ান, মঈনুল করিম এবং আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত বা স্টেট ডিফেন্স আইনজীবীরা ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন।

ওবায়দুল কাদের মোহাম্মদ আলী আরাফাত ছাড়াও মামলার অন্য আসামিরা হলেন: আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দিন নাছিম, যুবলীগ সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনান।

এর আগে গত ২৭ এপ্রিল এই মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। ওইদিন ২৬তম শেষ সাক্ষী হিসেবে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আহমেদ নাসের উদ্দিন মোহাম্মদকে জেরা করেন আসামিদের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী লোকমান হাওলাদার ইশরাত জাহান। গত ১৯ এপ্রিল এই কর্মকর্তার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছিল। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে ১৭ মে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন নির্ধারিত থাকলেও প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তা পিছিয়ে যায়।

প্রসিকিউশনের আনুষ্ঠানিক অভিযোগে বলা হয়েছে, জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনে আসামিরা সমন্বিতভাবে নির্দেশনা, প্ররোচনা উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন। নেতাকর্মীদের রাজপথে নামিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলা, সহিংসতার পরিকল্পনা, সশস্ত্র হামলা, কঠোর দমন-পীড়ন এবং গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখার অভিযোগও আনা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। এসব কর্মকাণ্ডের ফলে দেশজুড়ে হত্যা, হত্যাচেষ্টা ব্যাপক সহিংসতা সংঘটিত হয়েছে, যা মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে শাস্তিযোগ্য। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর এই আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেয় ট্রাইব্যুনাল এবং চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ১৮ মে ২০২৬


ওবায়দুল কাদের-আরাফাতসহ ৭ নেতার মামলার যুক্তিতর্ক পেছালো

প্রকাশের তারিখ : ১৭ মে ২০২৬

featured Image

জুলাই আন্দোলনে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়া আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন পিছিয়ে আগামী ১৪ জুন ধার্য করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

রবিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল- এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ প্রসিকিউশনের সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে নতুন এই দিন ঠিক করেন। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন: বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

আদালতে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম। তিনি মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য প্রস্তুতি নিতে সময়ের আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করে।

শুনানিকালে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ, আবদুস সাত্তার পালোয়ান, মঈনুল করিম এবং আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত বা স্টেট ডিফেন্স আইনজীবীরা ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন।

ওবায়দুল কাদের মোহাম্মদ আলী আরাফাত ছাড়াও মামলার অন্য আসামিরা হলেন: আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দিন নাছিম, যুবলীগ সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনান।

এর আগে গত ২৭ এপ্রিল এই মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। ওইদিন ২৬তম শেষ সাক্ষী হিসেবে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আহমেদ নাসের উদ্দিন মোহাম্মদকে জেরা করেন আসামিদের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী লোকমান হাওলাদার ইশরাত জাহান। গত ১৯ এপ্রিল এই কর্মকর্তার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছিল। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে ১৭ মে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন নির্ধারিত থাকলেও প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তা পিছিয়ে যায়।

প্রসিকিউশনের আনুষ্ঠানিক অভিযোগে বলা হয়েছে, জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনে আসামিরা সমন্বিতভাবে নির্দেশনা, প্ররোচনা উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন। নেতাকর্মীদের রাজপথে নামিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলা, সহিংসতার পরিকল্পনা, সশস্ত্র হামলা, কঠোর দমন-পীড়ন এবং গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখার অভিযোগও আনা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। এসব কর্মকাণ্ডের ফলে দেশজুড়ে হত্যা, হত্যাচেষ্টা ব্যাপক সহিংসতা সংঘটিত হয়েছে, যা মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে শাস্তিযোগ্য। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর এই আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেয় ট্রাইব্যুনাল এবং চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত