সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে আসামি হিসেবে সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া গ্রেপ্তার না দেখাতে এবং কোনো ধরনের হয়রানি না করতে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সাথে শুধু অপদস্থ করার উদ্দেশ্যে বারবার মিথ্যা মামলায় জড়ানোর কার্যক্রম কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়েছে।
বিচারপতি
রাজিক-আল-জলিল এবং
বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে
গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রবিবার এই আদেশ দেন।
এর আগে সাবেক প্রধান
বিচারপতির ছেলে আইনজীবী আশিক
উল হক গত ১৩
মে গ্রেপ্তার দেখানোর প্রক্রিয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে এই রিট
আবেদনটি দায়ের করেছিলেন। আদালতে খায়রুল হকের পক্ষে শুনানিতে
অংশ নেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী
কামরুল হক সিদ্দিকী, মোতাহার
হোসেন সাজু, মোস্তাফিজুর রহমান খান, সাঈদ আহমেদ
রাজা এবং আইনজীবী মোনায়েম
নবী শাহীন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জামিলা মমতাজ।
আদালতের
জারি রুলে জানতে চাওয়া
হয়েছে, শুধু হয়রানি ও
অপদস্থ করার উদ্দেশ্যে বারবার
এবং মিথ্যা প্রকৃতির মামলায় আবেদনকারীকে জড়ানোর কার্যক্রম এবং যাত্রাবাড়ী ও
আদাবর থানার মামলায় গত ৩০ মার্চ
তাকে গ্রেপ্তার দেখানো কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত
ঘোষণা করা হবে না।
একই সাথে যথাযথ আইনি
প্রক্রিয়া অনুসরণ ছাড়া তাকে নতুন
করে গ্রেপ্তার না করতে কেন
নির্দেশ দেওয়া হবে না, রুলে
বিবাদীদের তাও স্পষ্ট করতে
বলা হয়েছে। রিট মামলায় স্বরাষ্ট্রসচিব,
আইনসচিব, আইজিপিসহ সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বিবাদী করা হয়েছে।
গত বছরের ২৪ জুলাই ধানমন্ডির
বাসা থেকে সাবেক প্রধান
বিচারপতি খায়রুল হককে গ্রেপ্তার করা
হয়। জুলাই আন্দোলনের সময় যাত্রাবাড়ীতে যুবদল
কর্মী আবদুল কাইয়ুম হত্যাসহ পৃথক পাঁচ মামলায়
সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগেও তার
জামিন বহাল থাকে। কিন্তু
পাঁচ মামলায় জামিন পাওয়ার পর গত ৩০
মার্চ নতুন করে যাত্রাবাড়ী
ও আদাবর থানার দুটি পৃথক হত্যা
মামলায় তাকে আবারও গ্রেপ্তার
দেখানো হয়। পরবর্তীতে গত
১২ মে ওই দুই
মামলায় হাইকোর্ট থেকে অন্তর্বর্তী জামিন
পান তিনি।

সোমবার, ১৮ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ মে ২০২৬
সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে আসামি হিসেবে সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া গ্রেপ্তার না দেখাতে এবং কোনো ধরনের হয়রানি না করতে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সাথে শুধু অপদস্থ করার উদ্দেশ্যে বারবার মিথ্যা মামলায় জড়ানোর কার্যক্রম কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়েছে।
বিচারপতি
রাজিক-আল-জলিল এবং
বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে
গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রবিবার এই আদেশ দেন।
এর আগে সাবেক প্রধান
বিচারপতির ছেলে আইনজীবী আশিক
উল হক গত ১৩
মে গ্রেপ্তার দেখানোর প্রক্রিয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে এই রিট
আবেদনটি দায়ের করেছিলেন। আদালতে খায়রুল হকের পক্ষে শুনানিতে
অংশ নেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী
কামরুল হক সিদ্দিকী, মোতাহার
হোসেন সাজু, মোস্তাফিজুর রহমান খান, সাঈদ আহমেদ
রাজা এবং আইনজীবী মোনায়েম
নবী শাহীন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জামিলা মমতাজ।
আদালতের
জারি রুলে জানতে চাওয়া
হয়েছে, শুধু হয়রানি ও
অপদস্থ করার উদ্দেশ্যে বারবার
এবং মিথ্যা প্রকৃতির মামলায় আবেদনকারীকে জড়ানোর কার্যক্রম এবং যাত্রাবাড়ী ও
আদাবর থানার মামলায় গত ৩০ মার্চ
তাকে গ্রেপ্তার দেখানো কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত
ঘোষণা করা হবে না।
একই সাথে যথাযথ আইনি
প্রক্রিয়া অনুসরণ ছাড়া তাকে নতুন
করে গ্রেপ্তার না করতে কেন
নির্দেশ দেওয়া হবে না, রুলে
বিবাদীদের তাও স্পষ্ট করতে
বলা হয়েছে। রিট মামলায় স্বরাষ্ট্রসচিব,
আইনসচিব, আইজিপিসহ সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বিবাদী করা হয়েছে।
গত বছরের ২৪ জুলাই ধানমন্ডির
বাসা থেকে সাবেক প্রধান
বিচারপতি খায়রুল হককে গ্রেপ্তার করা
হয়। জুলাই আন্দোলনের সময় যাত্রাবাড়ীতে যুবদল
কর্মী আবদুল কাইয়ুম হত্যাসহ পৃথক পাঁচ মামলায়
সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগেও তার
জামিন বহাল থাকে। কিন্তু
পাঁচ মামলায় জামিন পাওয়ার পর গত ৩০
মার্চ নতুন করে যাত্রাবাড়ী
ও আদাবর থানার দুটি পৃথক হত্যা
মামলায় তাকে আবারও গ্রেপ্তার
দেখানো হয়। পরবর্তীতে গত
১২ মে ওই দুই
মামলায় হাইকোর্ট থেকে অন্তর্বর্তী জামিন
পান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন