সংবাদ

কবে ফিরবে শ্রীমঙ্গল ডাকবাংলো পুকুরের হারানো রূপ?


সংগ্রাম দত্ত, শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার)
সংগ্রাম দত্ত, শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার)
প্রকাশ: ১৮ মে ২০২৬, ০৫:৩৩ পিএম

কবে ফিরবে শ্রীমঙ্গল ডাকবাংলো পুকুরের হারানো রূপ?
শ্রীমঙ্গল শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ময়লা-আবর্জনায় ভরা ঐতিহ্যবাহী ডাকবাংলো পুকুর। ছবি : সংবাদ

চা-বাগান, পাহাড় আর বনের মিতালি দেখতে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে প্রতিদিন ভিড় করেন অসংখ্য পর্যটক। কিন্তু পর্যটন নগরী হিসেবে পরিচিত এই শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী ‘ডাকবাংলো পুকুরটি’ এখন অযত্ন আর অবহেলার এক করুণ প্রতিচ্ছবি হয়ে দাঁড়িয়েছে। একসময়ের দর্শনীয় এই পুকুরটি এখন ময়লা-আবর্জনার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে।

উপজেলা পৌরসভার ঠিক উল্টো পাশে অবস্থিত এই পুকুরটি দীর্ঘকাল ধরে স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকদের প্রশান্তির জায়গা হিসেবে পরিচিত ছিল। বিকেলের অবসর কাটাতে বা নির্মল বাতাসের খোঁজে এখানে ভিড় করতেন নানা বয়সী মানুষ। কিন্তু বর্তমানে পুকুরের পানিতে ভাসছে পলিথিন, গৃহস্থালির বর্জ্য ও নানা ধরনের আবর্জনা। শ্যাওলা ধরা ময়লা পানি থেকে ছড়াচ্ছে উৎকট দুর্গন্ধ।

সরেজমিনে দেখা যায়, পুকুরের চারপাশে বসার স্থান ও সৌন্দর্যবর্ধনমূলক অবকাঠামোর অনেক অংশ ভেঙে পড়েছে। পুকুরের বাউন্ডারিতে কারুকার্যের মাধ্যমে দেশের সংস্কৃতি ও স্থানীয় ঐতিহ্যের নান্দনিক ছাপ ফুটিয়ে তোলা হলেও ভেতরের নোংরা পরিবেশ দর্শনার্থীদের হতাশ করছে। বিশেষ করে পর্যটন মৌসুমে বা ছুটির দিনে যখন পর্যটকের চাপ বাড়ে, তখন এই বেহাল দশা শহরের ভাবমূর্তিকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

সম্প্রতি স্থানীয় এক সংবাদকর্মী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পুকুরটির বর্তমান করুণ অবস্থার চিত্র তুলে ধরলে বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়। স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, দ্রুততম সময়ের মধ্যে পুকুরটি পরিষ্কার করে সংস্কার ও নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থা করা হোক। বর্জ্য ফেলা বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

পৌরবাসীর প্রত্যাশা, শ্রীমঙ্গলের ঐতিহ্য ও সৌন্দর্যের প্রতীক ডাকবাংলো পুকুরটি আবারও তার স্বচ্ছতা ও নান্দনিক রূপ ফিরে পাবে। এখন দেখার বিষয়, উপজেলা প্রশাসন ও পৌর কর্তৃপক্ষ এই ঐতিহ্য রক্ষায় কতটা দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ১৮ মে ২০২৬


কবে ফিরবে শ্রীমঙ্গল ডাকবাংলো পুকুরের হারানো রূপ?

প্রকাশের তারিখ : ১৮ মে ২০২৬

featured Image

চা-বাগান, পাহাড় আর বনের মিতালি দেখতে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে প্রতিদিন ভিড় করেন অসংখ্য পর্যটক। কিন্তু পর্যটন নগরী হিসেবে পরিচিত এই শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী ‘ডাকবাংলো পুকুরটি’ এখন অযত্ন আর অবহেলার এক করুণ প্রতিচ্ছবি হয়ে দাঁড়িয়েছে। একসময়ের দর্শনীয় এই পুকুরটি এখন ময়লা-আবর্জনার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে।

উপজেলা পৌরসভার ঠিক উল্টো পাশে অবস্থিত এই পুকুরটি দীর্ঘকাল ধরে স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকদের প্রশান্তির জায়গা হিসেবে পরিচিত ছিল। বিকেলের অবসর কাটাতে বা নির্মল বাতাসের খোঁজে এখানে ভিড় করতেন নানা বয়সী মানুষ। কিন্তু বর্তমানে পুকুরের পানিতে ভাসছে পলিথিন, গৃহস্থালির বর্জ্য ও নানা ধরনের আবর্জনা। শ্যাওলা ধরা ময়লা পানি থেকে ছড়াচ্ছে উৎকট দুর্গন্ধ।

সরেজমিনে দেখা যায়, পুকুরের চারপাশে বসার স্থান ও সৌন্দর্যবর্ধনমূলক অবকাঠামোর অনেক অংশ ভেঙে পড়েছে। পুকুরের বাউন্ডারিতে কারুকার্যের মাধ্যমে দেশের সংস্কৃতি ও স্থানীয় ঐতিহ্যের নান্দনিক ছাপ ফুটিয়ে তোলা হলেও ভেতরের নোংরা পরিবেশ দর্শনার্থীদের হতাশ করছে। বিশেষ করে পর্যটন মৌসুমে বা ছুটির দিনে যখন পর্যটকের চাপ বাড়ে, তখন এই বেহাল দশা শহরের ভাবমূর্তিকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

সম্প্রতি স্থানীয় এক সংবাদকর্মী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পুকুরটির বর্তমান করুণ অবস্থার চিত্র তুলে ধরলে বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়। স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, দ্রুততম সময়ের মধ্যে পুকুরটি পরিষ্কার করে সংস্কার ও নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থা করা হোক। বর্জ্য ফেলা বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

পৌরবাসীর প্রত্যাশা, শ্রীমঙ্গলের ঐতিহ্য ও সৌন্দর্যের প্রতীক ডাকবাংলো পুকুরটি আবারও তার স্বচ্ছতা ও নান্দনিক রূপ ফিরে পাবে। এখন দেখার বিষয়, উপজেলা প্রশাসন ও পৌর কর্তৃপক্ষ এই ঐতিহ্য রক্ষায় কতটা দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত