পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার শেহাংগল কমিউনিটি ক্লিনিকের জমি দখল করে সুপারি ও চাম্বল গাছ লাগানোর অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত মো. স্বপন খান সমুদয়কাঠি ইউনিয়ন জামায়াতের ওয়ার্ড পর্যায়ের সহযোগী সদস্য। তার বিরুদ্ধে ক্লিনিকের মেহগিনি গাছ কেটে বিক্রিরও অভিযোগ রয়েছে।
সোমবার (১৮ মে) দুপুরে শেহাংগল কমিউনিটি ক্লিনিকে সরেজমিনে দেখা যায়, ক্লিনিকের পাঁচ শতাংশ জমি ঘিরে শতাধিক সুপারি ও চাম্বল গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে। ক্লিনিকের পাশ থেকে কয়েকটি বড় মেহগিনি গাছ কেটে নেওয়ার চিহ্নও সেখানে দৃশ্যমান। স্থানীয়দের দাবি, গাছগুলো কেটে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করা হয়েছে।
ক্লিনিকের কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি) শিল্পী রানী দাস বলেন, ‘স্বপন খান জোরপূর্বক এসব গাছ লাগিয়েছেন। তাকে বারবার নিষেধ করলেও তিনি শোনেননি। এর আগেও তিনি কয়েকটি মেহগিনি গাছ কেটে নিয়েছেন। প্রত্যন্ত এলাকায় একা কাজ করায় ভয়ভীতির কারণে বিষয়টি আগে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাইনি।’
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে স্বপন খান দাবি করেন, জমিটি তার পূর্বপুরুষদের ছিল। তবে গাছ লাগানোর বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে অশোভন আচরণ করেন।
সমুদয়কাঠি ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি মো. আবু হানিফ বলেন, ‘স্বপন খান নির্বাচনকালীন আমাদের একটি ওয়ার্ডের সহযোগী সদস্য ছিলেন। ক্লিনিকের জমি দখলের বিষয়টি যদি সত্য হয়, তবে তা অত্যন্ত নিন্দনীয়।’
নেছারাবাদ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘জমি দখল করে গাছ লাগানোর বিষয়টি আমার জানা ছিল না। আমি সরেজমিনে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেব।’
আপনার মতামত লিখুন