আগামী ২১ মে থেকে ২ জুন পর্যন্ত দেশের সব সিএনজি ফিলিং স্টেশন ২৪ ঘণ্টা (সার্বক্ষণিক) খোলা রাখার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। কোরবানি ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে সিএনজি স্টেশনগুলোর নিয়মিত গ্যাস রেশনিং বা সাময়িক বন্ধের নিয়ম শিথিল করে এই বিশেষ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যানকে এই সংক্রান্ত চিঠি দিয়ে নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে।
পেট্রোবাংলাকে দেওয়া মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে বলা হয়েছে, আগামী ২১ মে থেকে ২ জুন পর্যন্ত মোট ১৩ দিন দেশের সকল সিএনজি ফিলিং স্টেশন দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে। অর্থাৎ, ঈদুল আজহার আগের ৭ দিন এবং ঈদের পরের ৫ দিন মহাসড়ক ও দেশের অভ্যন্তরের কোথাও কোনো সিএনজি স্টেশনে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে না। সাধারণ সময়ে প্রতিদিন সন্ধ্যায় যে নির্দিষ্ট কয়েক ঘণ্টা সিএনজি স্টেশনে গ্যাস দেওয়া বন্ধ থাকে, ঈদের এই ১৩ দিন সেই নিয়ম কার্যকর হবে না।
সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে মহাসড়কে দূরপাল্লার বাস, প্রাইভেটকার ও অন্যান্য সিএনজি চালিত যানবাহনের জ্বালানি সংগ্রহ অনেক সহজ হবে এবং ফিলিং স্টেশনগুলোতে অতিরিক্ত গাড়ির দীর্ঘ লাইন বা যানজট কমবে বলে আশা করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা।

সোমবার, ১৮ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ মে ২০২৬
আগামী ২১ মে থেকে ২ জুন পর্যন্ত দেশের সব সিএনজি ফিলিং স্টেশন ২৪ ঘণ্টা (সার্বক্ষণিক) খোলা রাখার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। কোরবানি ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে সিএনজি স্টেশনগুলোর নিয়মিত গ্যাস রেশনিং বা সাময়িক বন্ধের নিয়ম শিথিল করে এই বিশেষ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যানকে এই সংক্রান্ত চিঠি দিয়ে নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে।
পেট্রোবাংলাকে দেওয়া মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে বলা হয়েছে, আগামী ২১ মে থেকে ২ জুন পর্যন্ত মোট ১৩ দিন দেশের সকল সিএনজি ফিলিং স্টেশন দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে। অর্থাৎ, ঈদুল আজহার আগের ৭ দিন এবং ঈদের পরের ৫ দিন মহাসড়ক ও দেশের অভ্যন্তরের কোথাও কোনো সিএনজি স্টেশনে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে না। সাধারণ সময়ে প্রতিদিন সন্ধ্যায় যে নির্দিষ্ট কয়েক ঘণ্টা সিএনজি স্টেশনে গ্যাস দেওয়া বন্ধ থাকে, ঈদের এই ১৩ দিন সেই নিয়ম কার্যকর হবে না।
সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে মহাসড়কে দূরপাল্লার বাস, প্রাইভেটকার ও অন্যান্য সিএনজি চালিত যানবাহনের জ্বালানি সংগ্রহ অনেক সহজ হবে এবং ফিলিং স্টেশনগুলোতে অতিরিক্ত গাড়ির দীর্ঘ লাইন বা যানজট কমবে বলে আশা করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন