পিরোজপুরের নেছারাবাদে নিখোঁজ হওয়ার ১ দিন পর নির্মল হালদার (৬০) নামের এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে উপজেলার স্বরূপকাঠি সদর ইউনিয়নের পানাউল্লাহপুর গ্রামের একটি পরিত্যক্ত ঘরের পাশ থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত নির্মল হালদার উপজেলার আটঘর-কুড়িয়ানা ইউনিয়নের পশ্চিম কুড়িয়ানা গ্রামের বিপেন হালদারের ছেলে। এলাকায় তিনি ‘নির্মল ওঝা’ নামে পরিচিত ছিলেন। ওঝাগিরির পাশাপাশি তিনি সুদের কারবার করতেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (১৮ মে) রাত ১১টার দিকে নির্মল হালদার নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি জানতে পারেন পরিবারের সদস্যরা। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করে তার সন্ধান না পাওয়ায় নেছারাবাদ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। আজ সকালে পানাউল্লাহপুর গ্রামে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশ ও পরিবারকে খবর দেয়।
নিহতের ভাগনে দিলীপ হালদার জানান, তার মামার সঙ্গে কারও কোনো বিরোধ ছিল না। তিনি সব সময় গলায় প্রায় দেড় ভরি ওজনের দুটি সোনার লকেট পরতেন এবং সঙ্গে নগদ টাকা রাখতেন। কিন্তু মরদেহ উদ্ধারের সময় সেসব পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় বাসিন্দা সমীরণ রায় বলেন, প্রতিদিনের মতো সোমবার বিকেলে নির্মল কুড়িয়ানা বাজারে গিয়েছিলেন। রাত হওয়ার পরও ঘরে না ফেরায় এবং মোবাইল ফোনে তাকে না পাওয়ায় দুশ্চিন্তা শুরু হয়।
নেছারাবাদ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সঞ্জয় মজুমদার বলেন, মরদেহ উদ্ধারের সময় নির্মল হালদারের গলায় কোনো স্বর্ণালংকার ছিল না। তার সঙ্গে থাকা নগদ টাকা ও মোবাইল ফোনটিও পাওয়া যায়নি। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ মে ২০২৬
পিরোজপুরের নেছারাবাদে নিখোঁজ হওয়ার ১ দিন পর নির্মল হালদার (৬০) নামের এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে উপজেলার স্বরূপকাঠি সদর ইউনিয়নের পানাউল্লাহপুর গ্রামের একটি পরিত্যক্ত ঘরের পাশ থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত নির্মল হালদার উপজেলার আটঘর-কুড়িয়ানা ইউনিয়নের পশ্চিম কুড়িয়ানা গ্রামের বিপেন হালদারের ছেলে। এলাকায় তিনি ‘নির্মল ওঝা’ নামে পরিচিত ছিলেন। ওঝাগিরির পাশাপাশি তিনি সুদের কারবার করতেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (১৮ মে) রাত ১১টার দিকে নির্মল হালদার নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি জানতে পারেন পরিবারের সদস্যরা। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করে তার সন্ধান না পাওয়ায় নেছারাবাদ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। আজ সকালে পানাউল্লাহপুর গ্রামে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশ ও পরিবারকে খবর দেয়।
নিহতের ভাগনে দিলীপ হালদার জানান, তার মামার সঙ্গে কারও কোনো বিরোধ ছিল না। তিনি সব সময় গলায় প্রায় দেড় ভরি ওজনের দুটি সোনার লকেট পরতেন এবং সঙ্গে নগদ টাকা রাখতেন। কিন্তু মরদেহ উদ্ধারের সময় সেসব পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় বাসিন্দা সমীরণ রায় বলেন, প্রতিদিনের মতো সোমবার বিকেলে নির্মল কুড়িয়ানা বাজারে গিয়েছিলেন। রাত হওয়ার পরও ঘরে না ফেরায় এবং মোবাইল ফোনে তাকে না পাওয়ায় দুশ্চিন্তা শুরু হয়।
নেছারাবাদ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সঞ্জয় মজুমদার বলেন, মরদেহ উদ্ধারের সময় নির্মল হালদারের গলায় কোনো স্বর্ণালংকার ছিল না। তার সঙ্গে থাকা নগদ টাকা ও মোবাইল ফোনটিও পাওয়া যায়নি। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

আপনার মতামত লিখুন