দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে হাম ও উপসর্গে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৭৫ জনে।
মঙ্গলবার (১৯ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়। এই হিসাব সোমবার সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ের।
গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে মারা গেছে ২ জন, আর হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৯ শিশু। সব মিলিয়ে মৃত্যু হয়েছে ১১ জনের।
একই সময়ে নতুন করে হাম ও উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৫০১ জন। যার মধ্যে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত ৩২৬ জন এবং সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত ১ হাজার ১৭৫ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হামে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৭ জনে। আর হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৩৯৮ জন। অর্থাৎ মোট মৃত্যু হয়েছে ৪৭৫ জনের।
একই সময়ে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ৮ হাজার ১০৬ জন। আর সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত হয়েছেন ৫০ হাজার ২০৫ জন। মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৮ হাজার ৩১১ জনে।
হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪২ হাজার ৩৮৭ জন। সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৩৯ হাজার ৮৩ জন।
গত মার্চের মাঝামাঝি থেকে দেশের বিভিন্ন জেলায় হামের প্রকোপ বাড়তে শুরু করে। প্রথমে রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লে পরে তা ছড়িয়ে পড়ে সারা দেশে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, হাম একটি ভাইরাসজনিত ছোঁয়াচে রোগ। এটি মূলত শিশুদের মধ্যে বেশি ছড়ায়। টিকার মাধ্যমে এই রোগ প্রতিরোধ সম্ভব। কিন্তু দেশের কিছু অঞ্চলে টিকার আওতার বাইরে থাকা শিশুদের মধ্যে দ্রুত ছড়াচ্ছে এই রোগ।
পুষ্টিহীনতা, অপুষ্টি ও সচেতনতার অভাব মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ানোর অন্যতম কারণ। অধিকাংশ মৃত্যুই ঘটছে এক বছরের কম বয়সী শিশুদের এবং যাদের টিকা দেওয়া হয়নি, তাদের মধ্যে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জাতীয় টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করেছে। হাম ও রুবেলার টিকা দেওয়ার জন্য দেশের সব সরকারি হাসপাতাল ও কমিউনিটি ক্লিনিকে বিশেষ ক্যাম্প বসানো হয়েছে। এ ছাড়া আক্রান্ত এলাকায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে টিকা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
ইতিমধ্যে হাম আক্রান্ত শিশুদের বিনামূল্যে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। বেসরকারি হাসপাতালগুলোতেও হামের রোগী ভর্তি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে অভিভাবকদের সন্তানের টিকার কার্ড পরীক্ষা করে দেখার অনুরোধ জানানো হয়েছে। ৯ ও ১৫ মাস বয়সী শিশুদের হামের টিকা দেওয়া জরুরি।
কোনো শিশুর জ্বর, সর্দি, কাশি ও গায়ে লাল ফুসকুড়ি দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ মে ২০২৬
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে হাম ও উপসর্গে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৭৫ জনে।
মঙ্গলবার (১৯ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়। এই হিসাব সোমবার সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ের।
গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে মারা গেছে ২ জন, আর হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৯ শিশু। সব মিলিয়ে মৃত্যু হয়েছে ১১ জনের।
একই সময়ে নতুন করে হাম ও উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৫০১ জন। যার মধ্যে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত ৩২৬ জন এবং সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত ১ হাজার ১৭৫ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হামে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৭ জনে। আর হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৩৯৮ জন। অর্থাৎ মোট মৃত্যু হয়েছে ৪৭৫ জনের।
একই সময়ে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ৮ হাজার ১০৬ জন। আর সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত হয়েছেন ৫০ হাজার ২০৫ জন। মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৮ হাজার ৩১১ জনে।
হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪২ হাজার ৩৮৭ জন। সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৩৯ হাজার ৮৩ জন।
গত মার্চের মাঝামাঝি থেকে দেশের বিভিন্ন জেলায় হামের প্রকোপ বাড়তে শুরু করে। প্রথমে রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লে পরে তা ছড়িয়ে পড়ে সারা দেশে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, হাম একটি ভাইরাসজনিত ছোঁয়াচে রোগ। এটি মূলত শিশুদের মধ্যে বেশি ছড়ায়। টিকার মাধ্যমে এই রোগ প্রতিরোধ সম্ভব। কিন্তু দেশের কিছু অঞ্চলে টিকার আওতার বাইরে থাকা শিশুদের মধ্যে দ্রুত ছড়াচ্ছে এই রোগ।
পুষ্টিহীনতা, অপুষ্টি ও সচেতনতার অভাব মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ানোর অন্যতম কারণ। অধিকাংশ মৃত্যুই ঘটছে এক বছরের কম বয়সী শিশুদের এবং যাদের টিকা দেওয়া হয়নি, তাদের মধ্যে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জাতীয় টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করেছে। হাম ও রুবেলার টিকা দেওয়ার জন্য দেশের সব সরকারি হাসপাতাল ও কমিউনিটি ক্লিনিকে বিশেষ ক্যাম্প বসানো হয়েছে। এ ছাড়া আক্রান্ত এলাকায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে টিকা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
ইতিমধ্যে হাম আক্রান্ত শিশুদের বিনামূল্যে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। বেসরকারি হাসপাতালগুলোতেও হামের রোগী ভর্তি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে অভিভাবকদের সন্তানের টিকার কার্ড পরীক্ষা করে দেখার অনুরোধ জানানো হয়েছে। ৯ ও ১৫ মাস বয়সী শিশুদের হামের টিকা দেওয়া জরুরি।
কোনো শিশুর জ্বর, সর্দি, কাশি ও গায়ে লাল ফুসকুড়ি দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন