এক সময়ের প্রায় নির্মূল হয়ে যাওয়া হাম রোগ দেশে আবারও নতুন করে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। টিকাদানের ক্ষেত্রে তৈরি হওয়া ঘাটতির কারণেই এই সংক্রামক ব্যাধিটির পুনরুত্থান ঘটছে, যা আগামী দিনের জনস্বাস্থ্যের জন্য এক বিরাট ঝুঁকি। বিশেষ করে পাঁচ বছরের কম বয়সী এবং অপুষ্ট শিশুদের ক্ষেত্রে এই রোগের কারণে মৃত্যুর ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি দেখা দিচ্ছে।
বাংলাদেশ
মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) আয়োজিত ‘বাংলাদেশে হামের পুনরুত্থান: আজকের সংক্রমণ ও আগামী দিনের
স্বাস্থ্য ঝুঁকি’ শীর্ষক এক গুরুত্বপূর্ণ সেন্ট্রাল
সেমিনারে দেশের শীর্ষস্থানীয় স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা এসব আশঙ্কার কথা
জানিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের এ ব্লক অডিটোরিয়ামে
সেন্ট্রাল সেমিনার সাব কমিটির উদ্যোগে
আয়োজিত এই সেমিনারে চিকিৎসকেরা
হাম প্রতিরোধ ও আক্রান্ত শিশুদের
জীবন রক্ষায় দ্রুত টিকাদান, মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানো নিশ্চিত
করা এবং ভিটামিন ‘এ’
ক্যাপসুল ক্যাম্পেইন জোরদার করার তাগিদ দেন।
সেমিনারে
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে শিশু বিভাগের ডা.
জেসমিন মোর্শেদ বলেন, হাম সম্পূর্ণ প্রতিরোধযোগ্য
একটি রোগ হওয়া সত্ত্বেও
শুধু টিকা কভারেজের ঘাটতির
কারণে এর নতুন প্রাদুর্ভাব
দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে পাঁচ বছরের
কম বয়সী এবং অপুষ্ট
শিশুদের এই রোগে আক্রান্ত
হওয়ার ও জটিলতায় পড়ার
আশঙ্কা সবচেয়ে বেশি। এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে
দ্রুত রোগ শনাক্তকরণ, আক্রান্তদের
আইসোলেশন বা আলাদা রাখা
এবং টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করাই প্রধান উপায়।
একই
সুরে ভাইরোলজি বিভাগের ডা. শারমিন সুলতানা
তাঁর ‘হাম: নির্মূলের স্বপ্ন
থেকে প্রাদুর্ভাবের বাস্তবতা’ শীর্ষক বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধে উল্লেখ করেন, এক সময় বিশ্বব্যাপী
টিকাদানের সফলতায় হাম পুরোপুরি নির্মূলের
কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল। বাংলাদেশেও ইপিআই কর্মসূচির মাধ্যমে এই রোগ ও
এর জটিলতা অনেক কমে আসে।
তবে সাম্প্রতিক সময়ে টিকা গ্রহণে
অনীহা এবং কোভিড-১৯
মহামারির সময়ে নিয়মিত টিকাদান
ব্যাহত হওয়ায় অনেক শিশু টিকার
বাইরে রয়ে গেছে। এর
সাথে অপুষ্টি ও অতিরিক্ত জনসংখ্যার
ঘনত্ব যোগ হয়ে সমাজের
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বা ‘হার্ড ইমিউনিটি’
দুর্বল করে দিয়েছে। তিনি
সতর্ক করে বলেন, হাম
শুধু সাধারণ জ্বর বা ত্বকে
র্যাশ ওঠার রোগ
নয়; এটি নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া
ও এনসেফালাইটিসের মতো মারাত্মক জটিলতা
তৈরি করতে পারে। তাই
নির্মূলের স্বপ্ন পূরণ করতে প্রতিটি
শিশুকে টিকার আওতায় আনতেই হবে।
রোগটির
ভয়াবহ বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দিয়ে ভাইরোলজি বিভাগের
ডা. এস এম রাশেদ
উল ইসলাম বলেন, দেশে বর্তমানে সক্রিয়
হাম সংক্রমণ চলছে। টিকাদানের ঘাটতির কারণে শিশুদের শরীরে প্রতিরোধ ক্ষমতার যে বড় ফাঁক
তৈরি হয়েছে, তার ফলে আক্রান্তদের
৩৯ শতাংশ নিউমোনিয়ায় এবং ২৯ থেকে
৩৮ শতাংশ ডায়রিয়ায় ভুগছে। এমনকি ভিটামিন ‘এ’র অভাবে
অন্ধত্ব এবং এনসেফালাইটিসের মতো
জটিলতা দেখা দিচ্ছে। হাসপাতালে
ভর্তি হওয়া শিশুদের মধ্যে
মৃত্যুহার প্রায় ১৪.৪ শতাংশ,
যা মূলত টিকা না
নেওয়া শিশুদের মধ্যেই বেশি।
তিনি
আরও জানান, এই ভাইরাস শরীরের
লিম্ফোসাইট ধ্বংস করে প্রতিরোধ ক্ষমতা
এতটাই দুর্বল করে দেয় যে,
আক্রান্ত হওয়ার পর প্রায় দুই
বছর পর্যন্ত শিশুরা অন্যান্য রোগের ঝুঁকিতে থাকে। এমনকি সংক্রমণের ৭ থেকে ১০
বছর পর মারাত্মক স্নায়ুবিক
জটিলতা ও মস্তিষ্কের প্রদাহ
দেখা দিতে পারে। অন্যদিকে,
টিকা নেওয়া শিশুদের ক্ষেত্রে এই রোগের তীব্রতা
ও মৃত্যুহার অনেক কম। এই
মহামারি হাসপাতালগুলোর শিশু ওয়ার্ড এবং
অক্সিজেন সরবরাহের ওপর অতিরিক্ত চাপ
সৃষ্টি করছে বলে তিনি
পুষ্টি পুনর্বাসন ও জরুরি টিকাদানের
তাগিদ দেন।
সেমিনারে
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিএমইউ’র উপ-উপাচার্য
(প্রশাসন) ডা. মোঃ আবুল
কালাম আজাদ চিকিৎসকদের সুরক্ষার
বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, চিকিৎসকদের উপর হামলা চালিয়ে
চিকিৎসাসেবায় বাধা দেবেন না,
মুক্তমনে চিকিৎসা করতে দিন। তবেই
আমরা অনেক দূর এগিয়ে
যেতে পারব। হামের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তিনি আশ্বস্ত
করে বলেন, বিএমইউতে হামে আক্রান্তদের জন্য
আলাদা কর্নার চালু করা হয়েছে
এবং অত্যন্ত আনন্দের বিষয় যে, এখন
পর্যন্ত এখানে চিকিৎসাধীন কোনো শিশু মারা
যায়নি।
অন্যান্য
বক্তাদের মধ্যে উপ-উপাচার্য (একাডেমিক)
ডা. মোঃ নজরুল ইসলাম
বলেন, হাম মোকাবিলায় বর্তমান
সরকার দ্রুত সকল জটিলতা নিরসন
করে হামের টিকাদান কার্যক্রম শুরু করেছে। ইতোমধ্যে
এর সুফল পাওয়া যাচ্ছে।
সরকার, চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্য কর্মীরা হাম মোকাবিলায় নিরলস
প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, যার বেশি বেশি
প্রচার হওয়া জরুরি এবং
এতে জনসচেতনতা বৃদ্ধি পাবে। উপ-উপাচার্য (গবেষণা
ও উন্নয়ন) ডা. মোঃ মুজিবুর
রহমান হাওলাদার হামকে অতি সংক্রামক হিসেবে
উল্লেখ করে শরীরের নিজস্ব
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর তাগিদ দেন। অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের
কোষাধ্যক্ষ ডা. নাহরীন আখতার
শিশুদের মায়েদের উদ্দেশ্যে বলেন, হামে আক্রান্ত শিশুদের
জীবন রক্ষায় ও রোগ প্রতিরোধ
ক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে শিশুদের মায়েদের বুকের দুগ্ধপান নিশ্চিত করা, অপুষ্টি দূরীকরণ
এবং সার্বিক ও সঠিক ব্যবস্থাপনার
উপর জোর দিতে হবে।
সেন্ট্রাল
সেমিনার সাব কমিটির সভাপতি
ডা. আফজালুন নেছার সভাপতিত্বে এবং ডা. খালেদ
মাহবুব মুর্শেদের সঞ্চালনায় এই সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের
শিক্ষক, গবেষক ও চিকিৎসকেরা অংশ
নেন। বিশেষজ্ঞরা একমত হন যে,
হাম থেকে বাঁচতে সচেতনতা
ও সঠিক সময়ে টিকাদানের
কোনো বিকল্প নেই।

সোমবার, ১৮ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ মে ২০২৬
এক সময়ের প্রায় নির্মূল হয়ে যাওয়া হাম রোগ দেশে আবারও নতুন করে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। টিকাদানের ক্ষেত্রে তৈরি হওয়া ঘাটতির কারণেই এই সংক্রামক ব্যাধিটির পুনরুত্থান ঘটছে, যা আগামী দিনের জনস্বাস্থ্যের জন্য এক বিরাট ঝুঁকি। বিশেষ করে পাঁচ বছরের কম বয়সী এবং অপুষ্ট শিশুদের ক্ষেত্রে এই রোগের কারণে মৃত্যুর ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি দেখা দিচ্ছে।
বাংলাদেশ
মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) আয়োজিত ‘বাংলাদেশে হামের পুনরুত্থান: আজকের সংক্রমণ ও আগামী দিনের
স্বাস্থ্য ঝুঁকি’ শীর্ষক এক গুরুত্বপূর্ণ সেন্ট্রাল
সেমিনারে দেশের শীর্ষস্থানীয় স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা এসব আশঙ্কার কথা
জানিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের এ ব্লক অডিটোরিয়ামে
সেন্ট্রাল সেমিনার সাব কমিটির উদ্যোগে
আয়োজিত এই সেমিনারে চিকিৎসকেরা
হাম প্রতিরোধ ও আক্রান্ত শিশুদের
জীবন রক্ষায় দ্রুত টিকাদান, মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানো নিশ্চিত
করা এবং ভিটামিন ‘এ’
ক্যাপসুল ক্যাম্পেইন জোরদার করার তাগিদ দেন।
সেমিনারে
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে শিশু বিভাগের ডা.
জেসমিন মোর্শেদ বলেন, হাম সম্পূর্ণ প্রতিরোধযোগ্য
একটি রোগ হওয়া সত্ত্বেও
শুধু টিকা কভারেজের ঘাটতির
কারণে এর নতুন প্রাদুর্ভাব
দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে পাঁচ বছরের
কম বয়সী এবং অপুষ্ট
শিশুদের এই রোগে আক্রান্ত
হওয়ার ও জটিলতায় পড়ার
আশঙ্কা সবচেয়ে বেশি। এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে
দ্রুত রোগ শনাক্তকরণ, আক্রান্তদের
আইসোলেশন বা আলাদা রাখা
এবং টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করাই প্রধান উপায়।
একই
সুরে ভাইরোলজি বিভাগের ডা. শারমিন সুলতানা
তাঁর ‘হাম: নির্মূলের স্বপ্ন
থেকে প্রাদুর্ভাবের বাস্তবতা’ শীর্ষক বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধে উল্লেখ করেন, এক সময় বিশ্বব্যাপী
টিকাদানের সফলতায় হাম পুরোপুরি নির্মূলের
কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল। বাংলাদেশেও ইপিআই কর্মসূচির মাধ্যমে এই রোগ ও
এর জটিলতা অনেক কমে আসে।
তবে সাম্প্রতিক সময়ে টিকা গ্রহণে
অনীহা এবং কোভিড-১৯
মহামারির সময়ে নিয়মিত টিকাদান
ব্যাহত হওয়ায় অনেক শিশু টিকার
বাইরে রয়ে গেছে। এর
সাথে অপুষ্টি ও অতিরিক্ত জনসংখ্যার
ঘনত্ব যোগ হয়ে সমাজের
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বা ‘হার্ড ইমিউনিটি’
দুর্বল করে দিয়েছে। তিনি
সতর্ক করে বলেন, হাম
শুধু সাধারণ জ্বর বা ত্বকে
র্যাশ ওঠার রোগ
নয়; এটি নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া
ও এনসেফালাইটিসের মতো মারাত্মক জটিলতা
তৈরি করতে পারে। তাই
নির্মূলের স্বপ্ন পূরণ করতে প্রতিটি
শিশুকে টিকার আওতায় আনতেই হবে।
রোগটির
ভয়াবহ বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দিয়ে ভাইরোলজি বিভাগের
ডা. এস এম রাশেদ
উল ইসলাম বলেন, দেশে বর্তমানে সক্রিয়
হাম সংক্রমণ চলছে। টিকাদানের ঘাটতির কারণে শিশুদের শরীরে প্রতিরোধ ক্ষমতার যে বড় ফাঁক
তৈরি হয়েছে, তার ফলে আক্রান্তদের
৩৯ শতাংশ নিউমোনিয়ায় এবং ২৯ থেকে
৩৮ শতাংশ ডায়রিয়ায় ভুগছে। এমনকি ভিটামিন ‘এ’র অভাবে
অন্ধত্ব এবং এনসেফালাইটিসের মতো
জটিলতা দেখা দিচ্ছে। হাসপাতালে
ভর্তি হওয়া শিশুদের মধ্যে
মৃত্যুহার প্রায় ১৪.৪ শতাংশ,
যা মূলত টিকা না
নেওয়া শিশুদের মধ্যেই বেশি।
তিনি
আরও জানান, এই ভাইরাস শরীরের
লিম্ফোসাইট ধ্বংস করে প্রতিরোধ ক্ষমতা
এতটাই দুর্বল করে দেয় যে,
আক্রান্ত হওয়ার পর প্রায় দুই
বছর পর্যন্ত শিশুরা অন্যান্য রোগের ঝুঁকিতে থাকে। এমনকি সংক্রমণের ৭ থেকে ১০
বছর পর মারাত্মক স্নায়ুবিক
জটিলতা ও মস্তিষ্কের প্রদাহ
দেখা দিতে পারে। অন্যদিকে,
টিকা নেওয়া শিশুদের ক্ষেত্রে এই রোগের তীব্রতা
ও মৃত্যুহার অনেক কম। এই
মহামারি হাসপাতালগুলোর শিশু ওয়ার্ড এবং
অক্সিজেন সরবরাহের ওপর অতিরিক্ত চাপ
সৃষ্টি করছে বলে তিনি
পুষ্টি পুনর্বাসন ও জরুরি টিকাদানের
তাগিদ দেন।
সেমিনারে
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিএমইউ’র উপ-উপাচার্য
(প্রশাসন) ডা. মোঃ আবুল
কালাম আজাদ চিকিৎসকদের সুরক্ষার
বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, চিকিৎসকদের উপর হামলা চালিয়ে
চিকিৎসাসেবায় বাধা দেবেন না,
মুক্তমনে চিকিৎসা করতে দিন। তবেই
আমরা অনেক দূর এগিয়ে
যেতে পারব। হামের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তিনি আশ্বস্ত
করে বলেন, বিএমইউতে হামে আক্রান্তদের জন্য
আলাদা কর্নার চালু করা হয়েছে
এবং অত্যন্ত আনন্দের বিষয় যে, এখন
পর্যন্ত এখানে চিকিৎসাধীন কোনো শিশু মারা
যায়নি।
অন্যান্য
বক্তাদের মধ্যে উপ-উপাচার্য (একাডেমিক)
ডা. মোঃ নজরুল ইসলাম
বলেন, হাম মোকাবিলায় বর্তমান
সরকার দ্রুত সকল জটিলতা নিরসন
করে হামের টিকাদান কার্যক্রম শুরু করেছে। ইতোমধ্যে
এর সুফল পাওয়া যাচ্ছে।
সরকার, চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্য কর্মীরা হাম মোকাবিলায় নিরলস
প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, যার বেশি বেশি
প্রচার হওয়া জরুরি এবং
এতে জনসচেতনতা বৃদ্ধি পাবে। উপ-উপাচার্য (গবেষণা
ও উন্নয়ন) ডা. মোঃ মুজিবুর
রহমান হাওলাদার হামকে অতি সংক্রামক হিসেবে
উল্লেখ করে শরীরের নিজস্ব
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর তাগিদ দেন। অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের
কোষাধ্যক্ষ ডা. নাহরীন আখতার
শিশুদের মায়েদের উদ্দেশ্যে বলেন, হামে আক্রান্ত শিশুদের
জীবন রক্ষায় ও রোগ প্রতিরোধ
ক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে শিশুদের মায়েদের বুকের দুগ্ধপান নিশ্চিত করা, অপুষ্টি দূরীকরণ
এবং সার্বিক ও সঠিক ব্যবস্থাপনার
উপর জোর দিতে হবে।
সেন্ট্রাল
সেমিনার সাব কমিটির সভাপতি
ডা. আফজালুন নেছার সভাপতিত্বে এবং ডা. খালেদ
মাহবুব মুর্শেদের সঞ্চালনায় এই সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের
শিক্ষক, গবেষক ও চিকিৎসকেরা অংশ
নেন। বিশেষজ্ঞরা একমত হন যে,
হাম থেকে বাঁচতে সচেতনতা
ও সঠিক সময়ে টিকাদানের
কোনো বিকল্প নেই।

আপনার মতামত লিখুন