সংবাদ

হাসপাতাল-ক্লিনিকে হামের রোগী নিতেই হবে


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৯ মে ২০২৬, ০৪:২১ পিএম

হাসপাতাল-ক্লিনিকে হামের রোগী নিতেই হবে
নতুন নির্দেশনা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের

দেশে হামের প্রাদুর্ভাবের মধ্যে এবার বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোর জন্য নতুন নির্দেশনা জারি করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এখন থেকে হামে আক্রান্ত এবং হামের উপসর্গ থাকা রোগীদের অবশ্যই এসব প্রতিষ্ঠানে ভর্তি নিতে হবে।

রোববার (১৭ মে) সারা দেশের সব বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকের উদ্দেশে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। নির্দেশনায় এ ধরনের রোগীদের জন্য আলাদা ওয়ার্ড ও কেবিনের ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে।

সম্প্রতি অভিযোগ ওঠে, বেশ কয়েকটি বেসরকারি হাসপাতাল হামে আক্রান্ত বা উপসর্গ থাকা রোগীদের ভর্তি নিচ্ছে না বা চিকিৎসা দিতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছে। এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এই নির্দেশনা দিয়েছে।

কোনো বেসরকারি হাসপাতাল এখন থেকে হাম বা হামের উপসর্গ নিয়ে আসা রোগীদের ফিরিয়ে দিতে পারবে না। এ ছাড়া এসব রোগীর চিকিৎসায় স্থানীয় সরকারি হাসপাতালের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করতে বলা হয়েছে।

‘বেসরকারি মেডিকেল কলেজ ও ডেন্টাল কলেজ আইন-২০২১’–এর কথা উল্লেখ করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলেছে, বেসরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালগুলোকে তাদের মোট শয্যার অন্তত ১০ শতাংশ দরিদ্র রোগীদের বিনা খরচে চিকিৎসার জন্য রাখতে হয়।

নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, এখন থেকে সেসব সংরক্ষিত শয্যার অর্ধেক অবশ্যই হাম ও হামের উপসর্গযুক্ত রোগীদের জন্য বরাদ্দ রাখতে হবে।

কোনো হাসপাতালের শয্যাসংখ্যা ২৫০ হলে সেখানে অন্তত ১২টি শয্যা হামের রোগীদের বিনা খরচে চিকিৎসার জন্য রাখতে হবে।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগ এবং অনুসন্ধান ডেস্কে এ–সংক্রান্ত তথ্য স্পষ্টভাবে লিখে প্রদর্শন করার জন্যও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, হাসপাতালে ভর্তি থাকা প্রতিটি রোগীর সঙ্গে কেবল একজন অভিভাবক বা দর্শনার্থী থাকতে পারবেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল) আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান গণমাধ্যমকে এই নির্দেশনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দেশে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে হামের প্রকোপ উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। ইতিমধ্যে শতাধিক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৫০ হাজার। এ অবস্থায় সরকারি হাসপাতালগুলো ইতিমধ্যে রোগীর চাপে সঙ্কটাপন্ন হয়ে পড়েছে।


আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬


হাসপাতাল-ক্লিনিকে হামের রোগী নিতেই হবে

প্রকাশের তারিখ : ১৯ মে ২০২৬

featured Image

দেশে হামের প্রাদুর্ভাবের মধ্যে এবার বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোর জন্য নতুন নির্দেশনা জারি করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এখন থেকে হামে আক্রান্ত এবং হামের উপসর্গ থাকা রোগীদের অবশ্যই এসব প্রতিষ্ঠানে ভর্তি নিতে হবে।

রোববার (১৭ মে) সারা দেশের সব বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকের উদ্দেশে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। নির্দেশনায় এ ধরনের রোগীদের জন্য আলাদা ওয়ার্ড ও কেবিনের ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে।

সম্প্রতি অভিযোগ ওঠে, বেশ কয়েকটি বেসরকারি হাসপাতাল হামে আক্রান্ত বা উপসর্গ থাকা রোগীদের ভর্তি নিচ্ছে না বা চিকিৎসা দিতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছে। এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এই নির্দেশনা দিয়েছে।

কোনো বেসরকারি হাসপাতাল এখন থেকে হাম বা হামের উপসর্গ নিয়ে আসা রোগীদের ফিরিয়ে দিতে পারবে না। এ ছাড়া এসব রোগীর চিকিৎসায় স্থানীয় সরকারি হাসপাতালের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করতে বলা হয়েছে।

‘বেসরকারি মেডিকেল কলেজ ও ডেন্টাল কলেজ আইন-২০২১’–এর কথা উল্লেখ করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলেছে, বেসরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালগুলোকে তাদের মোট শয্যার অন্তত ১০ শতাংশ দরিদ্র রোগীদের বিনা খরচে চিকিৎসার জন্য রাখতে হয়।

নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, এখন থেকে সেসব সংরক্ষিত শয্যার অর্ধেক অবশ্যই হাম ও হামের উপসর্গযুক্ত রোগীদের জন্য বরাদ্দ রাখতে হবে।

কোনো হাসপাতালের শয্যাসংখ্যা ২৫০ হলে সেখানে অন্তত ১২টি শয্যা হামের রোগীদের বিনা খরচে চিকিৎসার জন্য রাখতে হবে।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগ এবং অনুসন্ধান ডেস্কে এ–সংক্রান্ত তথ্য স্পষ্টভাবে লিখে প্রদর্শন করার জন্যও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, হাসপাতালে ভর্তি থাকা প্রতিটি রোগীর সঙ্গে কেবল একজন অভিভাবক বা দর্শনার্থী থাকতে পারবেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল) আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান গণমাধ্যমকে এই নির্দেশনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দেশে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে হামের প্রকোপ উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। ইতিমধ্যে শতাধিক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৫০ হাজার। এ অবস্থায় সরকারি হাসপাতালগুলো ইতিমধ্যে রোগীর চাপে সঙ্কটাপন্ন হয়ে পড়েছে।



সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত