সংবাদ

রাসিমা হত্যা: ক্ষোভের আগুন ছড়ালো সামাজিকমাধ্যমে


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ২০ মে ২০২৬, ০৭:১৩ পিএম

রাসিমা হত্যা: ক্ষোভের আগুন ছড়ালো সামাজিকমাধ্যমে
রামিসা আক্তার

রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছর বয়সী রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় কেঁপে উঠেছে দেশবাসী। ক্ষোভ, শোক আর বিক্ষোভে আগুন ছড়িয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।ফেসবুকে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জনপ্রিয় অভিনয়শিল্পী শাহনাজ খুশি।

তিনি রামিসার মা-বাবাকে আসামির বিচার দেওয়ার দাবি জানিয়ে লিখেছেন-‘আসামিকে কন্যার মা-বাপের হাতে ছেড়ে দিন, উনারা নিজের হাতে বিচার করুক!’

বুধবার (২০ মে) বিকেল ৩টা ৬ মিনিটে ফেসবুকে এক আবেগঘন স্ট্যাটাসে শাহনাজ খুশি লেখেন-

‘কি ভাষায়-কি লিখলে সঠিক হবে আসলে? ৪/৫ ঘণ্টা যাবত শুধু ছবিগুলো দেখছি, নিউজগুলো পড়ছি, আর বাপ-মায়ের কথা ভাবছি। মেয়ের বাবার আহাজারির একটা ক্লিপ দেখলাম! হায় রে সন্তান! কত কষ্টের-কত স্বপ্নের সন্তান! কি অসহায়ত্ব মা বাবার!

আসামিকে কন্যার মা-বাপের হাতে ছেড়ে দেন, উনারা নিজের হাতে বিচার করুক!

ধরণী দ্বিধা হও! কোনো ঘরে আর কন্যাসন্তান জন্ম না নিক। কন্যা-জায়া-জননী কোনো মায়াভরা শব্দের মানুষ আর না থাকুক...!’

তার এই পোস্ট কয়েক ঘণ্টায় হাজারো শেয়ার ও প্রতিক্রিয়া পেয়েছে। সাধারণ মানুষ মন্তব্য ঘরে ক্ষোভ জানাচ্ছেন।

ঘটনার পর থেকেই ফেসবুক, টুইটার ও অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রামিসা হত্যার প্রতিবাদে ঝড় উঠেছে। সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী, সংস্কৃতিকর্মী ও অভিভাবকরা সবাই ক্ষোভে ফেটে পড়ছেন।

একজন ফেসবুক ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘রামিসা আমার সন্তানও। প্রতিটি মা-বাবা আজ অশ্রু সংবরণ করতে পারছেন না। সোহেলের যেন ফাঁসি হয়, সেটাই চাই।’

অন্য একজন লিখেছেন, ‘আইন যত কঠিন হোক, এখানে ফাঁসির বিকল্প নেই। মৃতের আত্মার শান্তির জন্য এই নরপশুর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া দরকার।’

অনেকে ‘জাস্টিস ফর রামিসা’, ‘হ্যাং দ্য কিলার’, ‘রামিসার ফাঁসি চাই’ ট্যাগ ব্যবহার করে পোস্ট দিচ্ছেন।

একজন লিখেছেন, রামিসার মা-বাবা এখনও ধাক্কা সামলাতে পারছেন না। মা বারবার চিৎকার করে কাঁদছেন। বাবা আবদুল হান্নান মোল্লা থানায় মামলা করেছেন।

মনোবিদদের মতে, এ ধরনের অপরাধে সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষ মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। বিশেষ করে যাদের নিজের সন্তান আছে, তাদের মধ্যে ভয় ও ক্ষোভ আরও বেশি কাজ করে। 

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬


রাসিমা হত্যা: ক্ষোভের আগুন ছড়ালো সামাজিকমাধ্যমে

প্রকাশের তারিখ : ২০ মে ২০২৬

featured Image

রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছর বয়সী রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় কেঁপে উঠেছে দেশবাসী। ক্ষোভ, শোক আর বিক্ষোভে আগুন ছড়িয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।ফেসবুকে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জনপ্রিয় অভিনয়শিল্পী শাহনাজ খুশি।

তিনি রামিসার মা-বাবাকে আসামির বিচার দেওয়ার দাবি জানিয়ে লিখেছেন-‘আসামিকে কন্যার মা-বাপের হাতে ছেড়ে দিন, উনারা নিজের হাতে বিচার করুক!’

বুধবার (২০ মে) বিকেল ৩টা ৬ মিনিটে ফেসবুকে এক আবেগঘন স্ট্যাটাসে শাহনাজ খুশি লেখেন-

‘কি ভাষায়-কি লিখলে সঠিক হবে আসলে? ৪/৫ ঘণ্টা যাবত শুধু ছবিগুলো দেখছি, নিউজগুলো পড়ছি, আর বাপ-মায়ের কথা ভাবছি। মেয়ের বাবার আহাজারির একটা ক্লিপ দেখলাম! হায় রে সন্তান! কত কষ্টের-কত স্বপ্নের সন্তান! কি অসহায়ত্ব মা বাবার!

আসামিকে কন্যার মা-বাপের হাতে ছেড়ে দেন, উনারা নিজের হাতে বিচার করুক!

ধরণী দ্বিধা হও! কোনো ঘরে আর কন্যাসন্তান জন্ম না নিক। কন্যা-জায়া-জননী কোনো মায়াভরা শব্দের মানুষ আর না থাকুক...!’

তার এই পোস্ট কয়েক ঘণ্টায় হাজারো শেয়ার ও প্রতিক্রিয়া পেয়েছে। সাধারণ মানুষ মন্তব্য ঘরে ক্ষোভ জানাচ্ছেন।

ঘটনার পর থেকেই ফেসবুক, টুইটার ও অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রামিসা হত্যার প্রতিবাদে ঝড় উঠেছে। সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী, সংস্কৃতিকর্মী ও অভিভাবকরা সবাই ক্ষোভে ফেটে পড়ছেন।

একজন ফেসবুক ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘রামিসা আমার সন্তানও। প্রতিটি মা-বাবা আজ অশ্রু সংবরণ করতে পারছেন না। সোহেলের যেন ফাঁসি হয়, সেটাই চাই।’

অন্য একজন লিখেছেন, ‘আইন যত কঠিন হোক, এখানে ফাঁসির বিকল্প নেই। মৃতের আত্মার শান্তির জন্য এই নরপশুর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া দরকার।’

অনেকে ‘জাস্টিস ফর রামিসা’, ‘হ্যাং দ্য কিলার’, ‘রামিসার ফাঁসি চাই’ ট্যাগ ব্যবহার করে পোস্ট দিচ্ছেন।

একজন লিখেছেন, রামিসার মা-বাবা এখনও ধাক্কা সামলাতে পারছেন না। মা বারবার চিৎকার করে কাঁদছেন। বাবা আবদুল হান্নান মোল্লা থানায় মামলা করেছেন।

মনোবিদদের মতে, এ ধরনের অপরাধে সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষ মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। বিশেষ করে যাদের নিজের সন্তান আছে, তাদের মধ্যে ভয় ও ক্ষোভ আরও বেশি কাজ করে। 


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত