পৃথক সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠার হাইকোর্টের রায় স্থগিত করেনি চেম্বার জজ আদালত। আগামী ৯ জুন পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আপিল শুনানি হবে।
এর আগে সকালে সুপ্রিম কোর্টের জন্য পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠা এবং অধস্তন আদালতের নিয়ন্ত্রণ সুপ্রিম কোর্টের হাতে ন্যস্ত করে হাইকোর্ট যে রায় দিয়েছিল, তার বিরুদ্ধে আপিল করেছে রাষ্ট্রপক্ষ।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল রাষ্ট্রপক্ষের আপিল করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে গত মঙ্গলবার (১৯ মে) রাষ্ট্রপতির আদেশে জারি করা আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের এক বিজ্ঞপ্তিতে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলুপ্ত করা হয়। একইসঙ্গে কোর্ট সচিবালয়ের সিনিয়র সচিবসহ ১৫ কর্মকর্তাকে আইন মন্ত্রণালয়ে ফেরত নেয় সরাকার। সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শ করে সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে আইন মন্ত্রণালায় তার বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করেছে। তবে ‘আলোচিত’ এই প্রজ্ঞাপনটি ১৯ মে জারি হলেও এর কার্যকারিতা দেখানো হয়েছে ১০ এপ্রিল থেকে।
চলতি বছরের গত ৭ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্টের জন্য স্বাধীন ও পৃথক সচিবালয় তিন মাসের মধ্যে প্রতিষ্ঠার নির্দেশ দিয়ে ১৮৫ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করে হাইকোর্ট। বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই রায় দেয়।
রায়ে অধস্তন আদালতের বিচারকদের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা বিধানের ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির বদলে সুপ্রিম কোর্টের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। হাইকোর্টের নির্দেশনায় বলা হয়, সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃপক্ষের প্রস্তাব অনুযায়ী আদেশের তারিখ হতে তিন মাসের মধ্যে এই স্বাধীন সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মে ২০২৬
পৃথক সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠার হাইকোর্টের রায় স্থগিত করেনি চেম্বার জজ আদালত। আগামী ৯ জুন পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আপিল শুনানি হবে।
এর আগে সকালে সুপ্রিম কোর্টের জন্য পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠা এবং অধস্তন আদালতের নিয়ন্ত্রণ সুপ্রিম কোর্টের হাতে ন্যস্ত করে হাইকোর্ট যে রায় দিয়েছিল, তার বিরুদ্ধে আপিল করেছে রাষ্ট্রপক্ষ।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল রাষ্ট্রপক্ষের আপিল করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে গত মঙ্গলবার (১৯ মে) রাষ্ট্রপতির আদেশে জারি করা আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের এক বিজ্ঞপ্তিতে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলুপ্ত করা হয়। একইসঙ্গে কোর্ট সচিবালয়ের সিনিয়র সচিবসহ ১৫ কর্মকর্তাকে আইন মন্ত্রণালয়ে ফেরত নেয় সরাকার। সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শ করে সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে আইন মন্ত্রণালায় তার বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করেছে। তবে ‘আলোচিত’ এই প্রজ্ঞাপনটি ১৯ মে জারি হলেও এর কার্যকারিতা দেখানো হয়েছে ১০ এপ্রিল থেকে।
চলতি বছরের গত ৭ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্টের জন্য স্বাধীন ও পৃথক সচিবালয় তিন মাসের মধ্যে প্রতিষ্ঠার নির্দেশ দিয়ে ১৮৫ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করে হাইকোর্ট। বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই রায় দেয়।
রায়ে অধস্তন আদালতের বিচারকদের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা বিধানের ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির বদলে সুপ্রিম কোর্টের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। হাইকোর্টের নির্দেশনায় বলা হয়, সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃপক্ষের প্রস্তাব অনুযায়ী আদেশের তারিখ হতে তিন মাসের মধ্যে এই স্বাধীন সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন