বিজিবির টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) গোয়েন্দা সূত্রে জানতে পারে, আসন্ন কোরবানির হাট ও বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সরবরাহের উদ্দেশ্যে জাদিমুরা বাজার সংলগ্ন এলাকায় বিপুল পরিমাণ জাল নোট প্রস্তুত করা হচ্ছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে বিজিবি গত এক সপ্তাহ ধরে লেদা ও দমদমিয়া এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে এবং প্রযুক্তিগত সহায়তায় চক্রটিকে শনাক্ত করে।
পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী, বিজিবির একটি বিশেষ গোয়েন্দা দল জাদিমুরা ও মুচনী বাজারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অবস্থান নেয়। দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে দুই সন্দেহভাজন ব্যক্তি অটোরিকশায় ওই কারখানায় আসে এবং কিছুক্ষণ পর হ্নীলার দিকে রওনা হয়। তাদের আটক করতে মুচনী বাজারে অস্থায়ী চেকপোস্ট বসালে বিজিবি সদস্যদের দেখে তারা দমদমিয়ার দিকে পালানোর চেষ্টা করে। পরে বিজিবির আভিযানিক দল ধাওয়া করে তাদের আটক করে।
আটকদের তাৎক্ষণিক জিজ্ঞাসাবাদ ও প্রযুক্তিগত তদন্তের মাধ্যমে জাল টাকা তৈরির কারখানার অবস্থান নিশ্চিত হয়ে সেখানে অভিযান চালায় বিজিবি। সেখান থেকে ৫১ লাখ ৩৪ হাজার ১০০ টাকার জাল নোটসহ ১টি ল্যাপটপ, ১টি ডেস্কটপ কম্পিউটার, ২টি কালার প্রিন্টার, বিপুল পরিমাণ জাল নোট তৈরির কাঁচামাল, জাল টাকা কাটার মেশিন এবং টাকা পরিবহনে ব্যবহৃত অটোরিকশাটি জব্দ করা হয়। জব্দ মালামালসহ আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
এই অভিযানের বিষয়ে টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়া জানান, "সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান প্রতিরোধ এবং সীমান্তবর্তী এলাকায় সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন পেশাদারিত্ব, সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় বিজিবি’র আভিযানিক দলের তাৎক্ষণিক, দক্ষ ও কৌশলগত পদক্ষেপের ফলে জাল টাকার নোট প্রস্তুতকারী চক্রের অপতৎপরতা প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়েছে।"

সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ মে ২০২৬
বিজিবির টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) গোয়েন্দা সূত্রে জানতে পারে, আসন্ন কোরবানির হাট ও বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সরবরাহের উদ্দেশ্যে জাদিমুরা বাজার সংলগ্ন এলাকায় বিপুল পরিমাণ জাল নোট প্রস্তুত করা হচ্ছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে বিজিবি গত এক সপ্তাহ ধরে লেদা ও দমদমিয়া এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে এবং প্রযুক্তিগত সহায়তায় চক্রটিকে শনাক্ত করে।
পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী, বিজিবির একটি বিশেষ গোয়েন্দা দল জাদিমুরা ও মুচনী বাজারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অবস্থান নেয়। দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে দুই সন্দেহভাজন ব্যক্তি অটোরিকশায় ওই কারখানায় আসে এবং কিছুক্ষণ পর হ্নীলার দিকে রওনা হয়। তাদের আটক করতে মুচনী বাজারে অস্থায়ী চেকপোস্ট বসালে বিজিবি সদস্যদের দেখে তারা দমদমিয়ার দিকে পালানোর চেষ্টা করে। পরে বিজিবির আভিযানিক দল ধাওয়া করে তাদের আটক করে।
আটকদের তাৎক্ষণিক জিজ্ঞাসাবাদ ও প্রযুক্তিগত তদন্তের মাধ্যমে জাল টাকা তৈরির কারখানার অবস্থান নিশ্চিত হয়ে সেখানে অভিযান চালায় বিজিবি। সেখান থেকে ৫১ লাখ ৩৪ হাজার ১০০ টাকার জাল নোটসহ ১টি ল্যাপটপ, ১টি ডেস্কটপ কম্পিউটার, ২টি কালার প্রিন্টার, বিপুল পরিমাণ জাল নোট তৈরির কাঁচামাল, জাল টাকা কাটার মেশিন এবং টাকা পরিবহনে ব্যবহৃত অটোরিকশাটি জব্দ করা হয়। জব্দ মালামালসহ আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
এই অভিযানের বিষয়ে টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়া জানান, "সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান প্রতিরোধ এবং সীমান্তবর্তী এলাকায় সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন পেশাদারিত্ব, সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় বিজিবি’র আভিযানিক দলের তাৎক্ষণিক, দক্ষ ও কৌশলগত পদক্ষেপের ফলে জাল টাকার নোট প্রস্তুতকারী চক্রের অপতৎপরতা প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়েছে।"

আপনার মতামত লিখুন