সরকারি কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের বিভিন্ন দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দেশব্যাপী ধারাবাহিক কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।
বৃহস্পতিবার
(৪জুন) সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে দেশের বিভিন্ন উপজেলায় সরকারিকৃত কলেজে কর্মরত
শিক্ষক-কর্মচারীদের দাবি-দাওয়া বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে সরকারি
কলেজ শিক্ষক (নন-ক্যাডার) ঐক্য জোট।
সংগঠনের পক্ষ
থেকে জানানো হয়, ২০১৬ সাল থেকে পর্যায়ক্রমে দেশের বিভিন্ন কলেজ সরকারিকরণ করা হলেও
সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মচারীদের অনেক মৌলিক সমস্যা এখনো সমাধান হয়নি। ফলে তারা পদোন্নতি,
পদসোপান, চাকরি স্থায়ীকরণ, বেতন-ভাতা ও পেনশনসহ নানা ক্ষেত্রে বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন।
শিক্ষক নেতাদের
মধ্যে সরকারি ইসলামপুর কলেজের পদার্থবিজ্ঞানের বিভাগীয় প্রধান ও সাবেক জাহাঙ্গীরনগর
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সংবাদকে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে নিয়োগবিধি চূড়ান্ত হয়নি।
পাশাপাশি নানা সুবিধা, উচ্চশিক্ষার সুযোগ, চাকরি স্থায়ীকরণ ও অবসরকালীন সুবিধা নিয়েও
অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে।
তাদের প্রধান
দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে ১.বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের ন্যায় শিক্ষক-কর্মচারীদের
নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করা। ২. বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) নন-ক্যাডার নিয়োগবিধি প্রণয়ন
ও অনুমোদন।৩. শূন্য পদ পূরণে স্বচ্ছ ও স্থায়ী নিয়োগব্যবস্থা চালু করা।৪. একাডেমিক যোগ্যতা
ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে পদোন্নতির সুযোগ নিশ্চিত করা।৫. পদসোপান, পদমর্যাদা, পদায়ন ও
বদলি নীতিমালা প্রণয়ন।৬. চাকরির স্থায়ীকরণ ও চাকরির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।৭. বকেয়া
বেতন-ভাতা ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধা দ্রুত প্রদান।৮. বেসরকারি আমল থেকে অর্জিত চাকরিকাল
গণনায় অন্তর্ভুক্ত করা।৯. সরকারি কর্মচারীদের ন্যায় পূর্ণাঙ্গ পেনশন ও অবসর সুবিধা
প্রদান।১০. সরকারিকৃত কলেজগুলোতে নন-ক্যাডার শিক্ষকদের স্বার্থ সংরক্ষণে পৃথক নীতিমালা
ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ।
এছাড়াও কর্তৃপক্ষের
কাছে তাদের দাবি নন-ক্যাডার শিক্ষক নিয়োগবিধি দ্রুত প্রণয়ন,পৃথক বিসিএস বা স্বতন্ত্র
নিয়োগব্যবস্থা চালু,পদসোপান, পদোন্নতি ও পদমর্যাদা নিশ্চিত করা,চাকরি স্থায়ীকরণ,সরকারি
কর্মচারীদের মতো পূর্ণাঙ্গ পেনশন ও অবসর সুবিধা প্রদান।
দাবি আদায়ে
সংগঠনটি কয়েক ধাপে কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে রয়েছে শিক্ষক প্রতিনিধি দলের সঙ্গে
মতবিনিময়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠক, জাতীয় সংসদের শিক্ষা
বিষয়ক প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা, বিভাগীয় সমাবেশ এবং কেন্দ্রীয় অবস্থান কর্মসূচি।
একটি কলেজের
আইসিটি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মঞ্জুরুল ইসলাম সংবাদকে বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থার
উন্নয়ন ও শিক্ষকদের মর্যাদা রক্ষায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। অন্যথায় বৃহত্তর
আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
সংগঠনটির দাবি,
সরকারিকৃত কলেজে কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের সমস্যার দ্রুত সমাধান হলে দেশের
উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাও আরও গতিশীল হবে।
বাংলা বিভাগের
আরেক শিক্ষক তাজুল ইসলাম সংবাদকে বলছেন, বৈষম্য দূর করে শিক্ষকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত
না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে যেতে বাধ্য হবেন তারা।

বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুন ২০২৬
সরকারি কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের বিভিন্ন দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দেশব্যাপী ধারাবাহিক কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।
বৃহস্পতিবার
(৪জুন) সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে দেশের বিভিন্ন উপজেলায় সরকারিকৃত কলেজে কর্মরত
শিক্ষক-কর্মচারীদের দাবি-দাওয়া বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে সরকারি
কলেজ শিক্ষক (নন-ক্যাডার) ঐক্য জোট।
সংগঠনের পক্ষ
থেকে জানানো হয়, ২০১৬ সাল থেকে পর্যায়ক্রমে দেশের বিভিন্ন কলেজ সরকারিকরণ করা হলেও
সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মচারীদের অনেক মৌলিক সমস্যা এখনো সমাধান হয়নি। ফলে তারা পদোন্নতি,
পদসোপান, চাকরি স্থায়ীকরণ, বেতন-ভাতা ও পেনশনসহ নানা ক্ষেত্রে বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন।
শিক্ষক নেতাদের
মধ্যে সরকারি ইসলামপুর কলেজের পদার্থবিজ্ঞানের বিভাগীয় প্রধান ও সাবেক জাহাঙ্গীরনগর
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সংবাদকে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে নিয়োগবিধি চূড়ান্ত হয়নি।
পাশাপাশি নানা সুবিধা, উচ্চশিক্ষার সুযোগ, চাকরি স্থায়ীকরণ ও অবসরকালীন সুবিধা নিয়েও
অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে।
তাদের প্রধান
দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে ১.বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের ন্যায় শিক্ষক-কর্মচারীদের
নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করা। ২. বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) নন-ক্যাডার নিয়োগবিধি প্রণয়ন
ও অনুমোদন।৩. শূন্য পদ পূরণে স্বচ্ছ ও স্থায়ী নিয়োগব্যবস্থা চালু করা।৪. একাডেমিক যোগ্যতা
ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে পদোন্নতির সুযোগ নিশ্চিত করা।৫. পদসোপান, পদমর্যাদা, পদায়ন ও
বদলি নীতিমালা প্রণয়ন।৬. চাকরির স্থায়ীকরণ ও চাকরির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।৭. বকেয়া
বেতন-ভাতা ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধা দ্রুত প্রদান।৮. বেসরকারি আমল থেকে অর্জিত চাকরিকাল
গণনায় অন্তর্ভুক্ত করা।৯. সরকারি কর্মচারীদের ন্যায় পূর্ণাঙ্গ পেনশন ও অবসর সুবিধা
প্রদান।১০. সরকারিকৃত কলেজগুলোতে নন-ক্যাডার শিক্ষকদের স্বার্থ সংরক্ষণে পৃথক নীতিমালা
ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ।
এছাড়াও কর্তৃপক্ষের
কাছে তাদের দাবি নন-ক্যাডার শিক্ষক নিয়োগবিধি দ্রুত প্রণয়ন,পৃথক বিসিএস বা স্বতন্ত্র
নিয়োগব্যবস্থা চালু,পদসোপান, পদোন্নতি ও পদমর্যাদা নিশ্চিত করা,চাকরি স্থায়ীকরণ,সরকারি
কর্মচারীদের মতো পূর্ণাঙ্গ পেনশন ও অবসর সুবিধা প্রদান।
দাবি আদায়ে
সংগঠনটি কয়েক ধাপে কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে রয়েছে শিক্ষক প্রতিনিধি দলের সঙ্গে
মতবিনিময়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠক, জাতীয় সংসদের শিক্ষা
বিষয়ক প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা, বিভাগীয় সমাবেশ এবং কেন্দ্রীয় অবস্থান কর্মসূচি।
একটি কলেজের
আইসিটি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মঞ্জুরুল ইসলাম সংবাদকে বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থার
উন্নয়ন ও শিক্ষকদের মর্যাদা রক্ষায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। অন্যথায় বৃহত্তর
আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
সংগঠনটির দাবি,
সরকারিকৃত কলেজে কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের সমস্যার দ্রুত সমাধান হলে দেশের
উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাও আরও গতিশীল হবে।
বাংলা বিভাগের
আরেক শিক্ষক তাজুল ইসলাম সংবাদকে বলছেন, বৈষম্য দূর করে শিক্ষকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত
না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে যেতে বাধ্য হবেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন