সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া হজযাত্রীদের শতাধিক লাগেজ কেটে মূল্যবান জিনিসপত্র চুরির অভিযোগকে সম্পূর্ণ ‘অসত্য’ ও ‘অপপ্রচার’ বলে দাবি করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত। বিমান কর্তৃপক্ষের তদন্তের বরাত দিয়ে তিনি জানান, আসলে ১৫০টি নয়, মাত্র ২১টি লাগেজে সামান্য ছেঁড়া-কাটার তথ্য পাওয়া গেছে।
আজ বৃহস্পতিবার
(৪ জুন) তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রতিমন্ত্রী এ সব
তথ্য জানান। একই সাথে বর্তমান সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা ধরনের অপতথ্য ছড়িয়ে
পড়ার বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।
প্রতিমন্ত্রী
রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, "বিমানবন্দরে হাজীদের ১৫০টি লাগেজ কেটে মূল্যবান জিনিসপত্র
চুরির যে দাবি করা হচ্ছে, তা একেবারেই সত্য নয়। তদন্তে এই ধরনের কোনো চুরির ঘটনার প্রমাণ
পাওয়া যায়নি।"
তিনি আরও স্পষ্ট
করেন, "সংশ্লিষ্ট ওই ফ্লাইটে মোট ৮৩৬টি লাগেজ পরিবহন করা হয়েছিল। এর মধ্যে মাত্র
২১টি ব্যাগ ছেঁড়া বা কাটা অবস্থায় পাওয়া গেছে বলে দায়িত্বরত গ্রাউন্ড স্টাফরা মৌখিকভাবে
জানিয়েছেন। বিমান কর্তৃপক্ষের ধারণা, এগুলো সৌদি আরবে চেকিংয়ের সময় যান্ত্রিক বা অন্য
কোনো কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। প্রকৃত কারণ জানতে ইতোমধ্যে সৌদি সরকারকে চিঠি দেওয়া
হয়েছে।"
উল্লেখ্য, গত
মঙ্গলবার দিবাগত রাতে জেদ্দা থেকে ছেড়ে আসা একটি হজ ফ্লাইটে প্রায় দেড়শ’ যাত্রীর লাগেজ
কেটে ফেলা হয়েছে এবং তাদের মূল্যবান জিনিসপত্র চুরি হয়েছে এমন একটি ভিডিও ও পোস্ট সামাজিক
যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয়।
প্রতিমন্ত্রী
জানান, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে হইচই শুরু হওয়ার পরপরই বিমান কর্তৃপক্ষকে
দ্রুত তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তদন্তে চুরির কোনো আলামত না পাওয়ায় তিনি দেশবাসীকে
এ ধরনের বিভ্রান্তিকর অপপ্রচারে কান না দেওয়ার অনুরোধ জানান।

বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুন ২০২৬
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া হজযাত্রীদের শতাধিক লাগেজ কেটে মূল্যবান জিনিসপত্র চুরির অভিযোগকে সম্পূর্ণ ‘অসত্য’ ও ‘অপপ্রচার’ বলে দাবি করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত। বিমান কর্তৃপক্ষের তদন্তের বরাত দিয়ে তিনি জানান, আসলে ১৫০টি নয়, মাত্র ২১টি লাগেজে সামান্য ছেঁড়া-কাটার তথ্য পাওয়া গেছে।
আজ বৃহস্পতিবার
(৪ জুন) তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রতিমন্ত্রী এ সব
তথ্য জানান। একই সাথে বর্তমান সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা ধরনের অপতথ্য ছড়িয়ে
পড়ার বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।
প্রতিমন্ত্রী
রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, "বিমানবন্দরে হাজীদের ১৫০টি লাগেজ কেটে মূল্যবান জিনিসপত্র
চুরির যে দাবি করা হচ্ছে, তা একেবারেই সত্য নয়। তদন্তে এই ধরনের কোনো চুরির ঘটনার প্রমাণ
পাওয়া যায়নি।"
তিনি আরও স্পষ্ট
করেন, "সংশ্লিষ্ট ওই ফ্লাইটে মোট ৮৩৬টি লাগেজ পরিবহন করা হয়েছিল। এর মধ্যে মাত্র
২১টি ব্যাগ ছেঁড়া বা কাটা অবস্থায় পাওয়া গেছে বলে দায়িত্বরত গ্রাউন্ড স্টাফরা মৌখিকভাবে
জানিয়েছেন। বিমান কর্তৃপক্ষের ধারণা, এগুলো সৌদি আরবে চেকিংয়ের সময় যান্ত্রিক বা অন্য
কোনো কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। প্রকৃত কারণ জানতে ইতোমধ্যে সৌদি সরকারকে চিঠি দেওয়া
হয়েছে।"
উল্লেখ্য, গত
মঙ্গলবার দিবাগত রাতে জেদ্দা থেকে ছেড়ে আসা একটি হজ ফ্লাইটে প্রায় দেড়শ’ যাত্রীর লাগেজ
কেটে ফেলা হয়েছে এবং তাদের মূল্যবান জিনিসপত্র চুরি হয়েছে এমন একটি ভিডিও ও পোস্ট সামাজিক
যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয়।
প্রতিমন্ত্রী
জানান, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে হইচই শুরু হওয়ার পরপরই বিমান কর্তৃপক্ষকে
দ্রুত তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তদন্তে চুরির কোনো আলামত না পাওয়ায় তিনি দেশবাসীকে
এ ধরনের বিভ্রান্তিকর অপপ্রচারে কান না দেওয়ার অনুরোধ জানান।

আপনার মতামত লিখুন