চলতি মৌসুমে ডেঙ্গুর রূপ ভয়াবহ হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি জানিয়েছেন, এবার ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত রোগীদের রক্তক্ষরণের (হেমোরেজিক) বড় ধরনের ঝুঁকি রয়েছে। তাই সবাইকে আগে থেকেই সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
শনিবার
(৬ জুন) সকালে ধানমন্ডির
রবীন্দ্র সরোবরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে তিন মাসব্যাপী বিশেষ
অভিযানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা
বলেন।
অনুষ্ঠানে
স্বাস্থ্যমন্ত্রী চিকিৎসকদের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, "ডাক্তাররা
আশঙ্কা করছেন এবারের ডেঙ্গুর রূপ হবে অত্যন্ত
ভয়াবহ, যার নাম 'হেমোরেজিক'। ডেঙ্গু আক্রান্ত
হওয়ার পাশাপাশি রোগীদের শরীরে রক্তক্ষরণও হতে পারে। তাই
রোগ ছড়ানোর আগেই আমাদের সর্বোচ্চ
সচেতনতা অবলম্বন করতে হবে।"
ডেঙ্গু
নিয়ন্ত্রণে কঠোর আইনি পদক্ষেপের
ঘোষণা দিয়ে মন্ত্রী জানান,
আগামী দুই থেকে তিন
দিনের মধ্যে এডিস মশার বিস্তার
রোধে মোবাইল কোর্ট (ভ্রাম্যমাণ আদালত) পরিচালনা শুরু হবে। কোনো
প্রতিষ্ঠানে ডেঙ্গু মশার লার্ভা পাওয়া
গেলে, সেখানকার সংশ্লিষ্টদের কোনো ছাড় দেওয়া
হবে না এবং তাৎক্ষণিক
জরিমানা করা হবে।
অনুষ্ঠানে
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি
করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক আব্দুস সালাম জনগণের সচেতনতার ওপর জোর দেন।
সিটি করপোরেশনের সাম্প্রতিক জরিপের তথ্য তুলে ধরে
তিনি জানান: দক্ষিণ
সিটির মোট ৬৩টি ওয়ার্ড
ডেঙ্গুর ঝুঁকিতে রয়েছে। এর মধ্যে ২৮টি
ওয়ার্ডকে 'অধিক ঝুঁকিপূর্ণ' হিসেবে
চিহ্নিত করা হয়েছে।
ডিএসসিসি
প্রশাসক উল্লেখ করেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধ কেবল একক কোনো
সংস্থার পক্ষে সম্ভব নয়। জনগণের দায়িত্ব
৫০ শতাংশ এবং সিটি করপোরেশনের
দায়িত্ব ৫০ শতাংশ এই
দুই পক্ষ সমানভাবে সচেতন
ও সক্রিয় হলেই কেবল ডেঙ্গু
প্রতিরোধ করা সম্ভব।
অনুষ্ঠানে
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ঊর্ধ্বতন
কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য
ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুন ২০২৬
চলতি মৌসুমে ডেঙ্গুর রূপ ভয়াবহ হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি জানিয়েছেন, এবার ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত রোগীদের রক্তক্ষরণের (হেমোরেজিক) বড় ধরনের ঝুঁকি রয়েছে। তাই সবাইকে আগে থেকেই সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
শনিবার
(৬ জুন) সকালে ধানমন্ডির
রবীন্দ্র সরোবরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে তিন মাসব্যাপী বিশেষ
অভিযানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা
বলেন।
অনুষ্ঠানে
স্বাস্থ্যমন্ত্রী চিকিৎসকদের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, "ডাক্তাররা
আশঙ্কা করছেন এবারের ডেঙ্গুর রূপ হবে অত্যন্ত
ভয়াবহ, যার নাম 'হেমোরেজিক'। ডেঙ্গু আক্রান্ত
হওয়ার পাশাপাশি রোগীদের শরীরে রক্তক্ষরণও হতে পারে। তাই
রোগ ছড়ানোর আগেই আমাদের সর্বোচ্চ
সচেতনতা অবলম্বন করতে হবে।"
ডেঙ্গু
নিয়ন্ত্রণে কঠোর আইনি পদক্ষেপের
ঘোষণা দিয়ে মন্ত্রী জানান,
আগামী দুই থেকে তিন
দিনের মধ্যে এডিস মশার বিস্তার
রোধে মোবাইল কোর্ট (ভ্রাম্যমাণ আদালত) পরিচালনা শুরু হবে। কোনো
প্রতিষ্ঠানে ডেঙ্গু মশার লার্ভা পাওয়া
গেলে, সেখানকার সংশ্লিষ্টদের কোনো ছাড় দেওয়া
হবে না এবং তাৎক্ষণিক
জরিমানা করা হবে।
অনুষ্ঠানে
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি
করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক আব্দুস সালাম জনগণের সচেতনতার ওপর জোর দেন।
সিটি করপোরেশনের সাম্প্রতিক জরিপের তথ্য তুলে ধরে
তিনি জানান: দক্ষিণ
সিটির মোট ৬৩টি ওয়ার্ড
ডেঙ্গুর ঝুঁকিতে রয়েছে। এর মধ্যে ২৮টি
ওয়ার্ডকে 'অধিক ঝুঁকিপূর্ণ' হিসেবে
চিহ্নিত করা হয়েছে।
ডিএসসিসি
প্রশাসক উল্লেখ করেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধ কেবল একক কোনো
সংস্থার পক্ষে সম্ভব নয়। জনগণের দায়িত্ব
৫০ শতাংশ এবং সিটি করপোরেশনের
দায়িত্ব ৫০ শতাংশ এই
দুই পক্ষ সমানভাবে সচেতন
ও সক্রিয় হলেই কেবল ডেঙ্গু
প্রতিরোধ করা সম্ভব।
অনুষ্ঠানে
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ঊর্ধ্বতন
কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য
ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন