চলতি মৌসুমে ডেঙ্গুর প্রকোপ মারাত্মক রূপ নেওয়ার আগেই তা প্রতিহত করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আবদুস সালাম। একই সঙ্গে ডেঙ্গু নির্মূলে সিটি করপোরেশনের পাশাপাশি নাগরিকদের ব্যক্তিগত সচেতনতার ওপরও বিশেষ জোর দিয়েছেন তিনি।
শনিবার (৬ জুন) সকালে রাজধানীর ধানমন্ডির রবীন্দ্র সরোবরে
ডেঙ্গু প্রতিরোধে তিন মাসব্যাপী বিশেষ অভিযানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে
তিনি এসব কথা বলেন।
ডিএসসিসি প্রশাসক জানান, ডেঙ্গুর পরিস্থিতি বুঝতে ইতিমধ্যেই
ডিএসসিসির আওতাধীন এলাকাগুলোতে জরিপ চালানো হয়েছে। তিনি বলেন, "আমরা ৭৫টি ওয়ার্ডে
সার্ভে (জরিপ) করেছি, যার মধ্যে ২৮টি ওয়ার্ডকে ‘অধিক ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা
হয়েছে। তবে ডেঙ্গু নির্মূল শুধু এককভাবে সম্ভব নয়। এখানে জনগণের দায়িত্ব ৫০ ভাগ এবং
বাকি ৫০ ভাগ দায়িত্ব সিটি করপোরেশনের।"
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শিতার কথা উল্লেখ করে আবদুস
সালাম বলেন, "মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদের নিয়ে বসেছিলেন। তিনি দুই মাস আগেই আমাদের
সতর্ক করে বলেছিলেন যে ডেঙ্গু আসবে। তাঁর নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা এখন থেকেই সার্বিক
প্রস্তুতি নিচ্ছি। সিটি করপোরেশন এবং স্বাস্থ্য বিভাগ যৌথভাবে ডেঙ্গু নির্মূলে মাঠে
কাজ করছে।"
শহরের পরিচ্ছন্নতা ও মশার বংশবিস্তার রোধে নাগরিকদের দায়িত্বশীল
হওয়ার আহ্বান জানিয়ে ডিএসসিসি প্রশাসক একটি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন। তিনি বলেন: "আমি
আপনাদের চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলতে পারি, রাত সাতটা বা আটটার পর ঢাকা শহরে বের হলে কোথাও
কোনো আবর্জনা দেখতে পাবেন না। কিন্তু সকাল ১০টায় বের হলেই দেখবেন প্রত্যেকটা রাস্তা
আবর্জনায় ভরে আছে। এই আবর্জনা তো মানুষই ফেলে! নাগরিকরা যদি ২৪ ঘণ্টা আবর্জনা ফেলতে
থাকেন, তবে সিটি করপোরেশনের পক্ষে ২৪ ঘণ্টা আবর্জনা পরিষ্কার করা সম্ভব নয়।"
তিনি আরও বলেন, শহরের পরিবেশ সুন্দর ও ডেঙ্গুমুক্ত রাখতে
হলে সাধারণ মানুষকেও সচেতন হতে হবে এবং নির্দিষ্ট নিয়মে ময়লা ফেলার অভ্যাস করতে হবে।
অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনসহ
স্বাস্থ্য বিভাগ ও সিটি করপোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুন ২০২৬
চলতি মৌসুমে ডেঙ্গুর প্রকোপ মারাত্মক রূপ নেওয়ার আগেই তা প্রতিহত করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আবদুস সালাম। একই সঙ্গে ডেঙ্গু নির্মূলে সিটি করপোরেশনের পাশাপাশি নাগরিকদের ব্যক্তিগত সচেতনতার ওপরও বিশেষ জোর দিয়েছেন তিনি।
শনিবার (৬ জুন) সকালে রাজধানীর ধানমন্ডির রবীন্দ্র সরোবরে
ডেঙ্গু প্রতিরোধে তিন মাসব্যাপী বিশেষ অভিযানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে
তিনি এসব কথা বলেন।
ডিএসসিসি প্রশাসক জানান, ডেঙ্গুর পরিস্থিতি বুঝতে ইতিমধ্যেই
ডিএসসিসির আওতাধীন এলাকাগুলোতে জরিপ চালানো হয়েছে। তিনি বলেন, "আমরা ৭৫টি ওয়ার্ডে
সার্ভে (জরিপ) করেছি, যার মধ্যে ২৮টি ওয়ার্ডকে ‘অধিক ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা
হয়েছে। তবে ডেঙ্গু নির্মূল শুধু এককভাবে সম্ভব নয়। এখানে জনগণের দায়িত্ব ৫০ ভাগ এবং
বাকি ৫০ ভাগ দায়িত্ব সিটি করপোরেশনের।"
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শিতার কথা উল্লেখ করে আবদুস
সালাম বলেন, "মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদের নিয়ে বসেছিলেন। তিনি দুই মাস আগেই আমাদের
সতর্ক করে বলেছিলেন যে ডেঙ্গু আসবে। তাঁর নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা এখন থেকেই সার্বিক
প্রস্তুতি নিচ্ছি। সিটি করপোরেশন এবং স্বাস্থ্য বিভাগ যৌথভাবে ডেঙ্গু নির্মূলে মাঠে
কাজ করছে।"
শহরের পরিচ্ছন্নতা ও মশার বংশবিস্তার রোধে নাগরিকদের দায়িত্বশীল
হওয়ার আহ্বান জানিয়ে ডিএসসিসি প্রশাসক একটি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন। তিনি বলেন: "আমি
আপনাদের চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলতে পারি, রাত সাতটা বা আটটার পর ঢাকা শহরে বের হলে কোথাও
কোনো আবর্জনা দেখতে পাবেন না। কিন্তু সকাল ১০টায় বের হলেই দেখবেন প্রত্যেকটা রাস্তা
আবর্জনায় ভরে আছে। এই আবর্জনা তো মানুষই ফেলে! নাগরিকরা যদি ২৪ ঘণ্টা আবর্জনা ফেলতে
থাকেন, তবে সিটি করপোরেশনের পক্ষে ২৪ ঘণ্টা আবর্জনা পরিষ্কার করা সম্ভব নয়।"
তিনি আরও বলেন, শহরের পরিবেশ সুন্দর ও ডেঙ্গুমুক্ত রাখতে
হলে সাধারণ মানুষকেও সচেতন হতে হবে এবং নির্দিষ্ট নিয়মে ময়লা ফেলার অভ্যাস করতে হবে।
অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনসহ
স্বাস্থ্য বিভাগ ও সিটি করপোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন