পল্লবীর আট বছরের অবুঝ শিশু রামিসা আক্তারের নির্মম হত্যাকাণ্ডের ক্ষত এখনো শুকায়নি দেশবাসীর মন থেকে। তবে মাত্র পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে এই নৃশংস অপরাধের বিচার সম্পন্ন করে আদালতের ঐতিহাসিক রায়কে দেশের বিচারিক প্রক্রিয়ার একটি অনন্য মাইলফলক হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা, অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল।
রায়
ঘোষণার পর এক ব্রিফিংয়ে
তিনি নিজের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, “আমি
তো মনে করি এটা
আমাদের বাংলাদেশের জন্য একটা নতুন
যাত্রা।”
মামলার
শুরুর দিনগুলোর স্মৃতি চারণ করতে গিয়ে
রাষ্ট্রের এই প্রধান আইন
কর্মকর্তা রামিসার বাবার এক বুক বিশ্বাসের
কথা তুলে ধরেন। তিনি
বলেন, “কোন একজন আইনজীবী
রামিসার বাবাকে গিয়ে বলেছিলেন, তার
যদি অতিরিক্ত কোনো আইনগত সহযোগিতা
লাগে, তাহলে তারা তা দেবেন।
কিন্তু রামিসার পিতা সেদিন প্রধানমন্ত্রীকে
সম্বোধন করেছিলেন বড় ভাই হিসেবে।
তিনি বলেছিলেন, ‘তিনি আশ্বস্ত করে
গেছেন আমি আশ্বস্ত হয়েছি।
আমি মনে করি আমার
কন্যা হত্যার বিচার পাব।”
সন্তানহারা
এক বাবার সেই বিশ্বাসের মর্যাদা
রাষ্ট্র অক্ষুণ্ণ রাখতে পেরেছে উল্লেখ করে রুহুল কুদ্দুস কাজল আরও বলেন,
“এত দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই মামলার তদন্ত
প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মামলার রায়
ঘোষণা করা সেটিও আমার
মনে হয় সময় বিবেচনা
সবচেয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যেকার ঘটনা। আমার মনে হয়
যে যেটা আপনাদের মনে
থাকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় মাগুরার আসিয়া
এবং শ্রাবণ হত্যা মামলার যে বিচার তার
থেকে কম সময়ের মধ্যে
বিচারটি সম্পন্ন হয়েছে।”

রোববার, ০৭ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুন ২০২৬
পল্লবীর আট বছরের অবুঝ শিশু রামিসা আক্তারের নির্মম হত্যাকাণ্ডের ক্ষত এখনো শুকায়নি দেশবাসীর মন থেকে। তবে মাত্র পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে এই নৃশংস অপরাধের বিচার সম্পন্ন করে আদালতের ঐতিহাসিক রায়কে দেশের বিচারিক প্রক্রিয়ার একটি অনন্য মাইলফলক হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা, অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল।
রায়
ঘোষণার পর এক ব্রিফিংয়ে
তিনি নিজের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, “আমি
তো মনে করি এটা
আমাদের বাংলাদেশের জন্য একটা নতুন
যাত্রা।”
মামলার
শুরুর দিনগুলোর স্মৃতি চারণ করতে গিয়ে
রাষ্ট্রের এই প্রধান আইন
কর্মকর্তা রামিসার বাবার এক বুক বিশ্বাসের
কথা তুলে ধরেন। তিনি
বলেন, “কোন একজন আইনজীবী
রামিসার বাবাকে গিয়ে বলেছিলেন, তার
যদি অতিরিক্ত কোনো আইনগত সহযোগিতা
লাগে, তাহলে তারা তা দেবেন।
কিন্তু রামিসার পিতা সেদিন প্রধানমন্ত্রীকে
সম্বোধন করেছিলেন বড় ভাই হিসেবে।
তিনি বলেছিলেন, ‘তিনি আশ্বস্ত করে
গেছেন আমি আশ্বস্ত হয়েছি।
আমি মনে করি আমার
কন্যা হত্যার বিচার পাব।”
সন্তানহারা
এক বাবার সেই বিশ্বাসের মর্যাদা
রাষ্ট্র অক্ষুণ্ণ রাখতে পেরেছে উল্লেখ করে রুহুল কুদ্দুস কাজল আরও বলেন,
“এত দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই মামলার তদন্ত
প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মামলার রায়
ঘোষণা করা সেটিও আমার
মনে হয় সময় বিবেচনা
সবচেয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যেকার ঘটনা। আমার মনে হয়
যে যেটা আপনাদের মনে
থাকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় মাগুরার আসিয়া
এবং শ্রাবণ হত্যা মামলার যে বিচার তার
থেকে কম সময়ের মধ্যে
বিচারটি সম্পন্ন হয়েছে।”

আপনার মতামত লিখুন